মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:১৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জেল থেকে পালিয়ে বাদীকে জোড়া খুনের আসামির হত্যার হুমকি

হত্যার হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবার। ছবি : কালবেলা
হত্যার হুমকিতে সংবাদ সম্মেলন করে ভুক্তভোগী পরিবার। ছবি : কালবেলা

নরসিংদীর মনোহরদীতে বাবা ও ছেলেকে হত্যা করে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে যান মো. সাইফুল ইসলাম। পরে কারাগার থেকে পালিয়ে পুনরায় তিনি বাদীকে হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।

সোমবার (০২ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কোচেরচর গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে করেন স্বামী-সন্তান হত্যা মামলার বাদী রেনুজা বেগম।

তিনি জানান, ২০২২ সালে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশী শাহজাহানের স্ত্রী নাছিমা বেগম, তার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম এবং নাছিমার বোন তাসলিমা বেগম ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাড়ির পাশে রেনুজা বেগমের স্বামী সিরাজ উদ্দিন এবং ছেলে রাকিবকে গুরুতর আহত করে। পরে ওই দিন রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাকিবের মৃত্যু হয়। এর ৯ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাকিবের বাবা সিরাজ উদ্দিনও মারা যান।

তিনি জানান, এ ঘটনায় রেনুজা বেগম বাদী হয়ে মনোহরদী থানায় হত্যা মামলা করার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। সাত মাস কারাভোগের পর নাছিমা এবং তাসলিমা জামিনে বের হলেও আটক থাকে সাইফুল।

তিনি আরও জানান, চলতি বছরের গত ১৯ জুলাই নরসিংদী কারাগার ভেঙে ফেলা হলে সেখান থেকে পালিয়ে যায় সাইফুল। এখনো সে আত্মসমর্পণ করেনি। গত ১৭ নভেম্বর বিকেলে সাইফুল, তার মা নাছিমা এবং খালা তাসলিমা রেনুজাকে একা পেয়ে মামলা তুলে নিতে বলে। এ সময় তিনি অস্বীকার করায় তাকেও হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনার পরদিন তিনি মনোহরদী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।

তিনি আরও জানান, জামিনে বের হয়ে গত বছর ডিসেম্বর মাসে নাছিমা বেগম বাদী হয়ে আমাকে ও হত্যা মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা করেছিলেন। পরবর্তীতে আদালত ওই মামলা খারিজ করে দেয়।

রেনুজা বেগম সংবাদ সম্মেলনে আসামি সাইফুল ও তার মা-খালাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।

মনোহরদী থানার ওসি মো. জুয়েল হোসেন কালবেলাকে বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভুট্টার দাম না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় চাষীরা

মবতন্ত্র রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: যুবদল সভাপতি

পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

বন্ধুদের ঈদে জমানো টাকায় আর্জেন্টিনার পতাকায় সেজেছে গোটা লঞ্চঘাট

যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

অবশেষে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফেরত নিলো বিএসএফ

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১১ জেলার সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি খুব কাছে : ট্রাম্প

১০

দুই ভূমি অফিসে হঠাৎ হাজির প্রতিমন্ত্রী, দেখতে পেলেন নানা অনিয়ম

১১

৪৮ ঘণ্টা পর শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিলো বিএসএফ

১২

বড় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১৩

জাবিতে নতুন দুই উপ-উপাচার্যের যোগদান

১৪

হামে শিশু মৃত্যু / ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১৫

বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস পালন করল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস

১৬

হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ, সেই নারী পুলিশ হেফাজতে

১৭

আরেক দফায় ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

১৮

যে কারণে রোগী প্রতিদিন হাসে, কিন্তু আনন্দ পায় না

১৯

ডলারকে আমি চিনি : রামিসার বাবা

২০
X