রংপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৩৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মুক্তিযোদ্ধা দম্পতির খুনিদের দ্রুত শাস্তির দাবি এটিএম আজহারের

নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে যান এটিএম আজহারুল ইসলাম। ছবি : কালবেলা
নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে যান এটিএম আজহারুল ইসলাম। ছবি : কালবেলা

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় নিজের বাড়িতে এক মুক্তিযোদ্ধা ও তার স্ত্রীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের উত্তর রহিমাপুর গ্রামে নিহত বীর মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায়ের বাড়িতে যান এটিএম আজহারুল ইসলাম।

এ সময় তিনি নিহত দম্পতির শোকার্ত পরিবার, স্বজন ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় আমি ক্ষুব্ধ, ব্যথিত এবং দুঃখিত। এ হত্যাকাণ্ডে কী রহস্য আছে, কারা দায়ী এবং কেন তাদের হত্যা করা হয়েছে এটা খুঁজে বের করা হোক। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অনুরোধ করবো, দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনা হোক। এটা আমি জোর দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। এটা শুধু তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি না। সারাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এভাবে চললে দেশে নির্বাচন কীভাবে হবে।

এর আগে রোববার সকালে বাড়ির বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীরা গেট টপকে বাড়ির ভেতরে ঢুকে ডাইনিং রুমে মুক্তিযোদ্ধা যোগেশ চন্দ্র রায় এবং রান্নাঘরে তার স্ত্রী সুবর্ণা রায়ের রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা পুলিশকে খবর দেন।

যোগেশচন্দ্র রায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি ২০১৬ সালে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার দুই ছেলে বাইরে কর্মরত থাকায় তারা স্বামী-স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে থাকতেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

ক্রাইমসিনে আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল প্রতিবেদন সম্পন্ন করার পর দুপুর তিনটার দিকে নিহতদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফাত হুসাইন বলেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। পরবর্তীতে সুরতহালও সম্পন্ন করা হয়েছে। অনেকগুলো বিষয় মাথায় রেখে সেগুলো নিয়ে কাজ করছি। খুব কম সময়ের মধ্যে এ হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মেন্টরশিপ, তৃণমূল সংযোগ ও পারিবারিক বাধা : নারীর রাজনৈতিক পথ চ্যালেঞ্জে

দলের ক্ষুদ্র স্বার্থে উত্তেজনা সৃষ্টি করা উচিত নয় : রবিউল

চট্টগ্রামে বর্জ্য সংগ্রহে ধীরগতি, ক্ষেপলেন মেয়র

সিলেটে সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার

৩ শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা পেলেন কোয়ান্টামের সম্মাননা

বাংলাদেশ ভ্রমণে নাগরিকদের সতর্ক করল যুক্তরাজ্য

শুটিং দলকে ভারত পাঠানোর ব্যাখাসহ সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশনের বিষয়ে যা জানা গেল

অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি, শূন্যপদ ১৩৫৯৯

তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নতুন তারিখ ঘোষণা

একুশে বইমেলা পেছানোর প্রতিবাদে প্রতীকী মেলা হবে যেদিন

১০

স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যতিক্রমী প্রচারণা, নজর কাড়ছে ‘জোকার’

১১

এই আলো কি সেই মেয়েটিই

১২

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন আইনুন পুতুল ও আফরান নিশো

১৩

বিচ্ছেদের ব্যথা ভুলতে কতটা সময় লাগে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

১৪

নতুন জাহাজ ‘বাংলার নবযাত্রা’ চীন থেকে বুঝে পেল বিএসসি

১৫

মেগা প্রকল্প মানেই মেগা দুর্নীতি : তারেক রহমান

১৬

বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের ‘হুংকার’

১৭

ইরানের সেনাবাহিনীতে বিপুল সংখ্যক ড্রোন সংযোজন

১৮

শেরপুরে বিজিবি মোতায়েন

১৯

‘নির্বাচিত হলে সব ধর্মের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করব’

২০
X