

চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে খতনা করানোর সময় সাত বছর বয়সী মোহাম্মদ মোস্তফা নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা তদন্তে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (০৭ জানুয়ারি) এই কমিটি গঠন করা হয়।
শনিবার (০৩ জানুয়ারি) সার্জারির জন্য প্রথমে চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সন্ধ্যা ৬টায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যু সনদে হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হওয়া (হার্ট অ্যাটাক) উল্লেখ করা হয়েছে।
ডেপুটি সিভিল সার্জন মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ারকে পাঁচ সদস্যের কমিটির সভাপতি করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মৃত মোস্তফার বাড়ি বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডি গ্রামে। তিনি পরিবারের বড় সন্তান। তার দুই বছরের ছোট একজন ভাই রয়েছে।
বাবা আবু মুসার অভিযোগ, ‘অ্যানেসথেসিয়ার ভুল প্রয়োগের কারণে আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি বলেন, আমার ছেলের চিকিৎসা সেইফ হেলথ কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিশু সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জুনাইদ চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে। ভুল অ্যানেসথেসিয়ার কারণে আমার ছেলের মৃত্যু হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, সাধারণত খতনার সময় স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া ব্যবহার করা হয়। বিরল ক্ষেত্রে সাইড ইফেক্ট দেখা দেয়, তবে এই শিশুর মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিস্তারিত তথ্য প্রয়োজন।
মন্তব্য করুন