আজহার ইমাম, বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:০৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বিরামপুরে নতুন পদ্ধতিতে পরিত্যক্ত জমিতে আদা চাষ

পরিত্যক্ত জমিতে চাষ করা আদার পরিচর্যা করছেন শিমুলতলী গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন। ছবি : কালবেলা
পরিত্যক্ত জমিতে চাষ করা আদার পরিচর্যা করছেন শিমুলতলী গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন। ছবি : কালবেলা

দিনাজপুরের বিরামপুরে প্লাস্টিকের বস্তায় আদা চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছেন পৌর শহরের শিমুলতলী গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেন। নিজের পরিত্যক্ত জমিতে আদা চাষ করে সাফল্য অর্জন করায় তার এই আদা চাষ পদ্ধতি দেখতে ছুটে আসছেন এলাকার অনেক কৃষক।

দেলোয়ার হোসেন জানান, প্রথমে ইউটিউবের মাধ্যমে বস্তায় আদা চাষের ভিডিও দেখে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপসহকারী কর্মকর্তার পরামর্শে বস্তায় আদা চাষে আগ্রহী হন তিনি। প্রথমে ছাই, জৈবসার ও বালু মিশিয়ে মাটি প্রস্তুত করে বস্তায় রাখেন। পরীক্ষামূলকভাবে বাড়ির পাশেই পরিত্যক্ত জমিতে মাটি ভরে গাছের টবের মতো তৈরি করেন। এরপর প্রতি বস্তায় দুটি করে আদার চারা রোপণ করেন। রোপণের মাত্র এক মাসের মধ্যে গাছ বড় হতে শুরু করে। এরপর মাত্র তিন মাসের মধ্যে গাছগুলোর গোড়ায় আদা ধরতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, এভাবে আদা চাষে সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো পতিত জমিতে সীমিত খরচ আর অল্প শ্রম। একেকটি বস্তায় প্রায় তিন কেজি পর্যন্ত আদা পাওয়া যায়। তাই এটি লাভজনক চাষ পদ্ধতি। আদা গাছে পানির চাহিদা অনেক কম। আবার সার বা কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় খুবই কম। মাঝেমধ্যে পাতা মরা রোগ প্রতিরোধে কিছু ওষুধ স্প্রে করতে হয়। এর বাইরে তেমন কোনো পরিচর্যা করতে হয় না। বস্তায় আদা চাষ দেখে স্থানীয় অনেকের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে, মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন গ্রাম থেকে এ চাষ দেখতে অনেকে আসেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফিরোজ আহমেদ বলেনু, সংবেদনশীল ফসল হওয়ায় আদা মূলত ছায়া ও দোআঁশ জাতীয় মাটিতে আবাদ করতে হয়। বস্তায় দোআঁশ মাটি ভর্তি করে আবাদ করলে দেখা যাচ্ছে এর ফলন ভালো হচ্ছে। মাটিতে একটি বীজ থেকে ২৫০ গ্রাম আর বস্তায় ১টি বীজ থেকে এক কেজি আদা পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া পরিচর্যা খরচ নাই বললেই চলে। শুধু আদা নয় মসলা জাতীয় ফসল ও সবজি চাষে উৎপাদন ভালো হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মোবাইল ফোন বা ওয়াই-ফাই কি ক্যানসারের কারণ

মার্কিন হামলায় কেন এবার ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখাবে ইরান

জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত বাংলাদেশ

মিছিল-স্লোগানে মিলছে জনস্রোত, লোকারণ্য কালেক্টরেট মাঠ

চ্যাম্পিয়নস লিগ প্লে–অফে আবার মুখোমুখি রিয়াল ও বেনফিকা

বাসের ধাক্কায় নৌবাহিনীর সদস্য নিহত

ভরদুপুরে অপহরণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

শবেবরাতে কি ভাগ্য লেখা হয়? যা বলছেন ইসলামি স্কলার

টেইলরের পরামর্শে বদলায় রোজের পথচলা

চাকরির প্রত্যাশায় রাশিয়ায় গিয়ে ‘যুদ্ধের ফাঁদে বাংলাদেশিরা’

১০

নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ

১১

শীত নিয়ে দুঃসংবাদ দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

১২

দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

১৩

রাশিয়ার বিরুদ্ধে জিততে নতুন পরিকল্পনা ইউক্রেনের

১৪

সাদিক কায়েমের ‘ডিল’ বক্তব্য নিয়ে ছাত্রদলের তীব্র প্রতিক্রিয়া

১৫

ঘাড়ের ব্যথা কেন হয়, কীভাবে কমাবেন এবং কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে

১৬

‘মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গড়তে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই’

১৭

এনসিপির ৩৬ দফা ইশতেহারে কী আছে

১৮

শীতকে বিদায় জানালেন সুনেরাহ 

১৯

বিএনপি ও এনসিপির মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১০

২০
X