কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৭ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
হারুনকাণ্ড

বারডেমের ঘটনা জানা গেল নিরাপত্তা কর্মকর্তার চিঠিতে

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় এডিসি হারুনকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। আলোচিত এই ঘটনাটি শুরু হয় বারডেম হাসপাতালে। সেখানে কী ঘটেছিল তা নিয়ে দুই পক্ষ ভিন্ন মত দিয়েছে।

এবার জানা গেল, সেখানে মূলত কী ঘটেছিল তা তুলে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন বারডেমের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা। চিঠিতে বলা হয়, বারডেমের ইটিটি রুমের সামনে সেদিন মারামারি হচ্ছিল। নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওয়ারেছ আলী দুই পক্ষকে অনুরোধ করে মারামারি থামান। পরে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে দুই পক্ষকেই থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন রোববার ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঘটনা সম্পর্কে অবগত করে চিঠি দেন সিকিউরিটি সুপারভাইজার ওয়ারেছ আলী। তিনি চিঠিতে লেখেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আসা একদল দর্শনার্থী ইটিটি (এক ধরনের শারীরিক পরীক্ষা) কক্ষের সামনে মারামারি করেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করে এসে তিনি এই মারামারি দেখতে পান। দুই পক্ষকে অনুরোধ করে তিনি মারামারি থামাতে সমর্থ হন।

চিঠিতে ওয়ারেছ আলী বলেন, মারামারিতে লিপ্ত ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে, প্রথমে তারা পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অনুরোধ করলে তারা পরিচয় দেন। সে অনুযায়ী, একজন রাষ্ট্রপতির এপিএস (একান্ত সহকারী সচিব আজিজুল হক) এবং অন্যজন হচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা (বরখাস্ত হওয়া রমনা অঞ্চলের এডিসি হারুন অর রশিদ)। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রমনা ও শাহবাগ থানার পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) সানজিদা আফরিন বলেছেন, ‘শনিবার রাতে বারডেম হাসপাতালে আমি চিকিৎসা নিতে যাই। সেখানে তাকে (হারুন) পেটানো হয়। আমি ইটিটি রুমে থাকাকালীন এ হামলার ঘটনা ঘটে।’

এডিসি হারুনকে কে হাসপাতালে ডেকেছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ডাক্তারের সিরিয়ালের জন্য এডিসি হারুনের শুধু সহযোগিতা নিয়েছিলাম। হারুন সেখানে এসে আমাকে ডাক্তারের সিরিয়ালের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। এ ছাড়া আর কিছুই জানি না।’

পুলিশ সূত্র জানায়, শাহবাগের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান পুলিশের এক নারী কর্মকর্তা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুুলিশের রমনা জোনের এডিসি হারুন অর রশিদ। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ওই নারী কর্মকর্তার স্বামী হাজির হন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি দেখে এডিসি হারুন সেখান থেকে চলে যান। পরে পুলিশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শাহবাগ থানায় ডেকে নিয়ে মারধর করে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডিসির সঙ্গে একযোগে দেখা করলেন জামায়াতের ৭ প্রার্থী

বিএনপি কত আসন পেয়ে বিজয়ী হবে, বললেন ফজলুর রহমান

৩০ লাখ টাকার ফেলোশিপ পাচ্ছে যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

শেখ হাসিনাসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

ট্রাকের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ইরান-ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে ‘হাই অ্যালার্ট’

গানম্যান পেলেন ববি হাজ্জাজ

৭৫ দেশের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

রিশাদের ঘূর্ণিতে থামল ব্রিসবেন, তবু শেষ বলের নাটকে হারল হোবার্ট

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন ১৯ জানুয়ারি

১০

পদ্মায় দেখা মিলল কুমির, আতঙ্কে বাসিন্দারা

১১

বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট বর্জনের আলটিমেটাম

১২

বাহরাইনে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যাখ্যা দিল ইসি

১৩

‘মনোনয়নবঞ্চিত’ শরিকদের সুখবর দিলেন তারেক রহমান

১৪

ক্রিকেটারদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল বিসিবি

১৫

সুখবর পেলেন মাসুদ

১৬

দিনের আলোয় বেশি সময় কাটালে কী হয়, যা বলছে গবেষণা

১৭

শ্রেণিকক্ষে না গিয়ে কুশল বিনিময়, দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নুরুদ্দিন অপু 

১৮

ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সাথে গণঅধিকার পরিষদের বৈঠক

১৯

জন্মদিনে ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ারের জবি স্টাফদের মাঝে কম্বল বিতরণ

২০
X