রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:৫৭ পিএম
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:১২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
হারুনকাণ্ড

বারডেমের ঘটনা জানা গেল নিরাপত্তা কর্মকর্তার চিঠিতে

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের তিন নেতাকে মারধরের ঘটনায় এডিসি হারুনকে ইতিমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। আলোচিত এই ঘটনাটি শুরু হয় বারডেম হাসপাতালে। সেখানে কী ঘটেছিল তা নিয়ে দুই পক্ষ ভিন্ন মত দিয়েছে।

এবার জানা গেল, সেখানে মূলত কী ঘটেছিল তা তুলে ধরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছিলেন বারডেমের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা। চিঠিতে বলা হয়, বারডেমের ইটিটি রুমের সামনে সেদিন মারামারি হচ্ছিল। নিরাপত্তা কর্মকর্তা ওয়ারেছ আলী দুই পক্ষকে অনুরোধ করে মারামারি থামান। পরে ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ এসে দুই পক্ষকেই থানায় নিয়ে যায়।

ঘটনার পরদিন রোববার ইব্রাহীম কার্ডিয়াক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঘটনা সম্পর্কে অবগত করে চিঠি দেন সিকিউরিটি সুপারভাইজার ওয়ারেছ আলী। তিনি চিঠিতে লেখেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে আসা একদল দর্শনার্থী ইটিটি (এক ধরনের শারীরিক পরীক্ষা) কক্ষের সামনে মারামারি করেন। হাসপাতালের বিভিন্ন ইউনিট পরিদর্শন করে এসে তিনি এই মারামারি দেখতে পান। দুই পক্ষকে অনুরোধ করে তিনি মারামারি থামাতে সমর্থ হন।

চিঠিতে ওয়ারেছ আলী বলেন, মারামারিতে লিপ্ত ব্যক্তিদের পরিচয় জানতে চাইলে, প্রথমে তারা পরিচয় জানাতে অস্বীকৃতি জানান। পরে অনুরোধ করলে তারা পরিচয় দেন। সে অনুযায়ী, একজন রাষ্ট্রপতির এপিএস (একান্ত সহকারী সচিব আজিজুল হক) এবং অন্যজন হচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তা (বরখাস্ত হওয়া রমনা অঞ্চলের এডিসি হারুন অর রশিদ)। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রমনা ও শাহবাগ থানার পুলিশ এসে তাদের নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) সানজিদা আফরিন বলেছেন, ‘শনিবার রাতে বারডেম হাসপাতালে আমি চিকিৎসা নিতে যাই। সেখানে তাকে (হারুন) পেটানো হয়। আমি ইটিটি রুমে থাকাকালীন এ হামলার ঘটনা ঘটে।’

এডিসি হারুনকে কে হাসপাতালে ডেকেছিল- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি ডাক্তারের সিরিয়ালের জন্য এডিসি হারুনের শুধু সহযোগিতা নিয়েছিলাম। হারুন সেখানে এসে আমাকে ডাক্তারের সিরিয়ালের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। এ ছাড়া আর কিছুই জানি না।’

পুলিশ সূত্র জানায়, শাহবাগের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যান পুলিশের এক নারী কর্মকর্তা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিট্রন পুুলিশের রমনা জোনের এডিসি হারুন অর রশিদ। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ওই নারী কর্মকর্তার স্বামী হাজির হন। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি দেখে এডিসি হারুন সেখান থেকে চলে যান। পরে পুলিশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের শাহবাগ থানায় ডেকে নিয়ে মারধর করে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে

খালেদা জিয়ার সুস্থতাই পুরো জাতির কামনা : মোস্তফা জামান

হলমার্কের এমডি তানভীর মাহমুদ মারা গেছেন

ফেল করানোর জন্য মেঘনার ভোট কুমিল্লায় ঘোষণা দিয়েছিল : খন্দকার মোশাররফ

চট্টগ্রাম সাউদার্ন মেডিকেল কলেজ / আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে যোগ দেবেন দেশি-বিদেশি ৫৪২ চিকিৎসক

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়ার আহ্বান হেফাজতের

সংকট কাটিয়ে হচ্ছে চমেকের বার্ন ইউনিট

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

বরিশালে নতুন চার আদালতের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে রোববার

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় এনপিপির দোয়া

১০

চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের থেকে দেশ রক্ষার দোয়ায় শেষ হলো চরমোনাই মাহফিল

১১

ঢাল-টেঁটা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত শতাধিক

১২

সমন্বিত চিন্তায় এফবিসিসিআই : শিল্প, বাণিজ্য ও প্রযুক্তির সেতুবন্ধ

১৩

ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো IEEE BECITHCON 2025

১৪

কমিশন নির্বাচনের দৃশ্যমান পদক্ষেপে ঢুকতে পারেনি : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

১৫

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় রোববার ঢাবিতে বিশেষ দোয়ার আয়োজন

১৬

নিখোঁজের ২১ দিন পর ব্যবসায়ীর গলিত লাশ উদ্ধার

১৭

ঘূর্ণিঝড় ডিটওয়াহসহ ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানাল আবহাওয়া অফিস

১৮

খালেদা জিয়ার আরোগ্য কামনায় রোববার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রার্থনা

১৯

বিজয়–সৈকত ইস্যুতে ‘জিরো টলারেন্স’—কঠোর অবস্থানে বিসিবি

২০
X