ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ০১:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সুজন কেন সবার ‘চাচা’

খালেদ মাহমুদ সুজন। ছবিঃ সংগৃহীত
খালেদ মাহমুদ সুজন। ছবিঃ সংগৃহীত

ক্রিকেট মাঠে প্রায় শোনা যায় একটি ডাক। চিৎকার করে বলেন চাচা। দেশের ক্রিকেটের একেবারে ঘাসের সঙ্গে যাদের পরিচয়, তারা নিশ্চয়ই এই ডাকের সঙ্গে মানুষটিকেও চেনেন। তবে যারা চেনেন না, তাদের জন্য মানুষটির ভিন্ন পরিচয় রয়েছে। তিনি খালেদ মাহমুদ সুজন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সুপরিচিত একটি মুখ।

ক্রিকেটার থেকে শুরু করে এ সংশ্লিষ্ট অধিকাংশ পদেই তিনি আছেন। সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে শুরু করে কোচিং সবখানেই রয়েছে তার বিচরণ। তাকে হয়তো সবার ভিন্ন ভিন্ন নামেই সম্বোধন করার কথা। তবে একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দুই দশকের সব ক্রিকেটারের কাছে তিনি চাচা হিসেবেই পরিচিত, যা ছড়িয়ে গেছে পরবর্তী প্রজন্মেও।

কেন এই ডাক?

এর পেছনে রয়েছে চমৎকার এক গল্প। খালেদ মাহমুদ সুজনের প্রায় সমসাময়িক ক্রিকেটার ছিলেন হালিম শাহ। এক সময় তিনিও ছিলেন বেশ জনপ্রিয়। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি আছেন চর্চার এক বিষয় হয়ে। শুরুটা মূলত বয়সভিত্তিক ক্রিকেট দিয়ে। সেখানে তিনি আলো ছড়িয়েছেন। জ্বেলেছিলেন সম্ভাবনার প্রদীপ। প্রতিভাবানও ছিলেন বটে।

তার অন্য আরও একটি পরিচয় হচ্ছে- তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম ফাস্ট বোলার জাহাঙ্গীর শাহ বাদশা ও সাবেক আন্তর্জাতিক আম্পায়ার নাদির শাহর ভাই। ব্যাটার হিসেবে হালিম শাহর কদর ছিল বেশ। ঘরোয়া ক্রিকেটের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আলো ছড়াবেন তিনি, সেই প্রত্যাশাই ছিল সবার। তবে সব প্রত্যাশার শেষপ্রান্তে নিশ্চয়ই সুখকর সমাপ্তি থাকে না। হালিম শাহের ক্ষেত্রেও ঘটেছিল তাই।

সেই হালিম শাহই মূলত ‘চাচা’ বলে সম্বোধন করতে শুরু করেন খালেদ মাহমুদ সুজনকে। কারণ তিনি কোনো একভাবে জানতে পারেন সুজন তার দূরসম্পর্কে চাচা। ব্যাস! মাঠে-ঘাটে সর্বত্র সুজনকে চাচা বলেই ডাকতে শুরু করেন তিনি। চাচাকে তো আর যাই হোক ভাই ডাকা যায় না। ২০০৫ সালে তিনি বিদায় নেন ক্রিকেট থেকে। তবে তিনি যাকে চাচা বলে ডাকতেন, তিনি ক্রিকেট ছেড়েছেন আরও এক বছর বাদে। খালেদ মাহমুদ সুজন ২০০৬ সালে ক্রিকেটকে বিদায় জানান। হালিম শাহ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপাতে পারেননি। তবে সুজন ঠিকই পেরেছিলেন।

তবে হালিম শাহর শুরু করে দেওয়া সেই ডাক যেন ধ্রুবক হয়ে জুড়ে গেছে খালেদ মাহমুদ সুজনের নামের পাশে। বাংলাদেশ ক্রিকেটের আপামর ক্রিকেটাররা তাকে চাচা বলেই ডাকেন। সেখানে প্রজন্ম কিংবা বয়সের কোনো বালাই নেই। দুজন এখন ভিন্ন দুই পথের পথিক। ক্রিকেট পাড়ায় হালিম শাহ এখন আর তেমন একটা বিচরণ করেন না। তবে তার ফেলে যাওয়া চাচা ডাক রঙের আভা ছড়িয়ে এখনো রয়েছে বহাল তবিয়তে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গ্রামীণ রাস্তার বেহাল দশা, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

বাড়ির সিঁড়ির নিচে চিরকুট / ‘দল এখন পাওয়ারে, বেঁচে থাকতে কথা শোন’

স্কুল ফিডিংয়ের দুধের প্যাকেটে পোকা থাকার অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নিয়োগ / ৮ম শ্রেণি-এসএসসি পাসেই মিলবে এসএসএফে চাকরির সুযোগ

ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন জেনারেল ধীরাজ শেঠ

দুই গোলের বিপরীতে লাল কার্ডের ড্রামা / ইকুয়েডরের বিদায়ে শেষ ষোলোয় মেক্সিকো

মাছের ঘেরে যুবকের মরদেহ, হত্যার অভিযোগ পরিবারের

অবশেষে আলোর মুখ দেখল নবম পে-স্কেল, বর্ধিত বেতন নিয়ে সুখবর

নকআউটের আগে সতর্ক স্কালোনি / ‘এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচই ফাইনাল’

গৌরবের ১০৬ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১০

ভারতে চলন্ত স্লিপার বাসে আগুন, নিহত ৭

১১

টানা দরপতনে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম

১২

টেন্ডার ছাড়াই বিদ্যালয়ের গাছ কাটলেন প্রধান শিক্ষক

১৩

সামনে নরওয়ে জুজু! যাদের বিপক্ষে কখনই জয় পায়নি ব্রাজিল

১৪

ঝড় থামতেই ইকুয়েডরের জালে তাণ্ডব চালাল মেক্সিকো, প্রথমার্ধেই দুই গোল

১৫

সৌদিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওয়ার্ক পারমিট নবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ

১৬

এইচএসসি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার, সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্র

১৭

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কে এগিয়ে, মেসি না এমবাপ্পে

১৮

সিলেটে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ জনজীবন

১৯

নামে ২০ শয্যা হাসপাতাল, নেই একটি বেডও

২০
X