কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০২:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

পারমাণবিক অস্ত্রের আধুনিকায়ন করছেন পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে ‘হাইব্রিড যুদ্ধ’ করছে রাশিয়া। এ জন্য পারমাণবিক অস্ত্রের আধুনিকায়ন এবং কৌশলগত বাহিনীকে যুদ্ধ প্রস্তুতির সর্বোচ্চ পর্যায়ে রেখেছে দেশটি। গতকাল মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে এসব কথা বলেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর আলজাজিরার।

পুতিন বলেন, ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে মস্কো। কৌশলগতভাবে রাশিয়াকে পরাজিত করার সব চেষ্টা ভেস্তে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র নিজের স্বার্থে ইউরোপকে শোষণ করছে বলেও অভিযোগ তোলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ইউরোপের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধের পরিকল্পনা করেনি তার দেশ।

পুতিন বলেন, ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইউক্রেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সঙ্গে কথা বলতে রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে। তবে মস্কো অবশ্যই তার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে।

তিনি বলেন, ইউক্রেন, ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে যারা রাশিয়ার প্রতি আক্রমণাত্মক মনোভাব পোষণ করে তারা কি আলোচনা করতে চায়? তারা চাইলে করতে দাও। তবে আমরা আমাদের জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে তা করব। আমরা আমাদের জিনিস ছেড়ে দিব না।

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে ইউক্রেনের সদস্যপদ আগামী ১০ বছর বা ২০ বছরও রাশিয়া মেনে নেবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পুতিন। ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্প পশ্চিমাদের তুলনায় ভালো কাজ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্যাংক উৎপাদন জোরদার

একই বৈঠকে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর বছরের তুলনায় রাশিয়া ট্যাংক উত্পাদন ৫ দশমিক ৬ গুণ বাড়িয়েছে। দুই হাজার কিলোমিটারের সম্মুখ লাইন বরাবর সাত হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকায় মাইন পুঁতে রেখেছে।

গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইউক্রেনে সেনা পাঠালে ইউক্রেন ‍যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ২১ মাস পার হলেও এখনো এই যুদ্ধের অবসান হয়নি।

গত (১৪ ডিসেম্বর) পুতিন জানান, ইউক্রেনে রাশিয়ার লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়েছে। সেগুলো অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত কিয়েভের সঙ্গে কোনো শান্তি চুক্তি হবে না।

তিনি বলেন, ইউক্রেনের ডিনাজিফিকেশন (নাৎসিকরণ বন্ধ করা), নিরস্ত্রীকরণ এবং জোট নিরপেক্ষ অবস্থান নিশ্চিতের পর তাদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করা সম্ভব। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে আক্রমণ শুরুর পর থেকেই এমন দাবি করে আসছেন তিনি।

রাশিয়ার অভিযোগ, ইউক্রেনের বর্তমান সরকার উগ্র জাতীয়তাবাদী ও নব্য নাৎসি গোষ্ঠীদের দ্বারা ব্যাপক প্রভাবিত। যদিও রাশিয়ার এমন অভিযোগের বিরোধী কিয়েভ ও তার পশ্চিম মিত্ররা। এ ছাড়া ইউক্রেন যেন সামরিক জোট ন্যাটোতে না যোগ দেয়, সে দাবিও করে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কাতারের মার্কিন ঘাঁটি ছাড়তে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা

রাজধানীতে নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক অফিসে গুলি

ইন্ডাস্ট্রিতে আমার কোনো প্রেমিক নেই : মিমি চক্রবর্তী

একযোগে ‘সুখবর’ পেলেন বিএনপির ১৩ নেতা

গাজায় গণহত্যায় ইসরায়েলকে মুসলিম দেশের সহায়তার গোপন নথি ফাঁস

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থীর রুল ২ সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমিরকে শোকজ

মাকে জীবিত কবর দেওয়ার চেষ্টা ২ ছেলের

জীবন দিয়ে হলেও সীমান্ত রক্ষা করব : ফেলানীর ভাই

ক্যানসার আক্রান্ত শিশুর পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে বাবার বিরুদ্ধে মায়ের রিট

১০

সংবাদ সম্মেলন করে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ

১১

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে জামায়াত আমিরের নির্দেশনা

১২

মার্কিন আইনপ্রণেতাদের প্রতি রেজা পাহলভির বার্তা

১৩

জুলাই জাতীয় সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করব : সালাহউদ্দিন আহমদ

১৪

সেনাবাহিনীর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ীসহ গ্রেপ্তার ৩

১৫

ইরানে মাত্র দুদিনের বিচারে মৃত্যুদণ্ড হওয়া কে এই এরফান?

১৬

হাঁস কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার পুলিশ সুপার

১৭

দেশের বাইরে থেকে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৮

জামায়াত প্রার্থীর বাসার সামনে ককটেল হামলা

১৯

যে কারণে স্থগিত হলো ১১ দলীয় জোটের সংবাদ সম্মেলন

২০
X