বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:৪৯ এএম
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ১০:০৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতাল ‘এখন ফাঁকা’ : ডব্লিউএইচও

গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতাল ‘এখন ফাঁকা’ : ডব্লিউএইচও
ছবি : সংগৃহীত

ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের পর গাজার কামাল আদওয়ান হাসপাতালটি ‘এখন ফাঁকা’ হয়ে গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, শুক্রবার ইসরায়েলের এই অভিযানে ‘হাসপাতালগুলো আবার আতঙ্কের যায়গায় পরিণত হয়েছে।’

শনিবার এক বিবৃতিতে ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ইসরায়েলি অভিযানের কারণে গাজার উত্তরাঞ্চলীয় শেষ প্রধান স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিও এখন আর সেবা দেওয়ার মতো অবস্থায় নেই।

জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থাটি বলেছে, গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা পদ্ধতিগতভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে। উত্তর গাজায় ৮০ দিনেরও বেশি সময় ধরে অবরোধ, এ অঞ্চলে অবশিষ্ট ৭৫ হাজার ফিলিস্তিনির জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ‘কামাল আদওয়ান হাসপাতাল এখন ফাঁকা।’ শুক্রবার হাসপাতালের অবশিষ্ট ১৫ জন গুরুতর রোগী, ৫০ জন পরিচর্যাকারী ও ২০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। জাতিসংঘ স্বাস্থ্য সংস্থা হাসপাতালটিকে এখন ‘ধ্বংস ও অকার্যকর’ হিসেবে অভিহিত করেছে।

এদিকে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী শনিবার জানিয়েছে, তারা হাসপাতালের ‘হামাস কমান্ড সেন্টারে’ তাদের অভিযান শেষ করেছে। এ সময় তারা ফিলিস্তিনি জঙ্গি গোষ্ঠীর একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে অভিযুক্ত করে হাসপাতালের এক পরিচালককে আটক করেছে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে চিকিৎসার জন্য এই গুরুতর রোগীদের হাসতাপালে অবস্থান করা, তাদের জীবনের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি ডেকে আনবে। সংস্থাটি জানায়, ডব্লিউএইচও তাদের সুস্থতা ও কামাল আদওয়ান হাসপাতালের পরিচালকের জন্য গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।

ডব্লিউএইচও আরও জানিয়েছে, ইসরায়েলি অভিযানের সময় হাসপাতালের কিছু অংশ পুড়ে গেছে ও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ল্যাবরেটরি, সার্জিক্যাল ইউনিট, প্রকৌশল ও রক্ষণাবেক্ষণ বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার ও মেডিকেল স্টোর।

শুক্রবারের শুরুতে ১২ জন রোগীকে ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে সরাতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে জানা গেছে। এ ছাড়া কিছু লোককে জোর করে দক্ষিণ গাজার দিকে চলে যেতে বাধ্য করা হয়েছিল।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

স্বামীর হাত-পা-মুখ বেঁধে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ‘ধর্ষণ’

ধর্ষণের পর মৃত্যু নিশ্চিত করেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করে আসামিরা

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হচ্ছে দুই মেগা প্রকল্প

ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো পর্তুগালকে

একই দিনে চট্টগ্রামে দুই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়

‘বাজেট বা জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না’

বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলে ভাইরাল সেই এমপির বাবা এখনো জীবিত

সচেতনতা বাড়াতে সাতক্ষীরা কমিউনিটি গ্রুপের পোস্টারিং

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু 

ঝিনাইদহে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীর নাড়ি কেটে ফেলার অভিযোগ

১০

টানা তিন মাস সেরা ডিএমপির মিরপুর বিভাগ

১১

সিলেটে সীমান্তে উত্তেজনার মাঝেই মানবিকতা, ভারতীয় কৃষককে ফেরত দিল বিজিবি

১২

স্কুল দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এমপির বিরুদ্ধে 

১৩

মেসির বিতর্কিত ফাউল ও লাল কার্ড বিতর্ক, যা বলছে ফিফার নিয়ম

১৪

পুশইন ইস্যুতে সরকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে : আইনমন্ত্রী

১৫

প্রথমবার জুটি বাঁধলেন ইয়াশ রোহান ও সুনেরাহ

১৬

পর্তুগালের একাদশ ঘোষণা

১৭

এনজিওবিষয়ক ব্যুরো অফিসকে তামাকমুক্ত ঘোষণা

১৮

নাটোরে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও কাঁচা রাস্তা পাকা করার দাবি এমপি তুলির

১৯

২০০ বছরের শ্মশান রক্ষায় নিজেই আদালতে দাঁড়ালেন নাসিক প্রশাসক সাখাওয়াত

২০
X