

পরিবারের সদস্য হিসেবে দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে শুধু নিজ নির্বাচনী এলাকা নয়, পুরো শরীয়তপুর জেলার যে কোনো মানুষের সমস্যার সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে চলেছেন শরীয়তপুর-৩ (ভেদরগঞ্জ-ডামুড্যা-গোসাইরহাট) আসনে বিএনপির প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু। তিনি বলেছেন, তার পরিচয় বিএনপির একজন কর্মী, আর শরীয়তপুরই পরিবার। তাই আলাদা করে কোনো প্রতিশ্রুতি দিতে চান না। পরিবারের সন্তান কখনো প্রতিশ্রুতি দেয় না। গতকাল শুক্রবার বিকেলে শরীয়তপুরের গোসাইরহাট উপজেলার আলাওলপুর ইউনিয়নের গরিবেরচর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাবেক এ একান্ত সচিব।
সমাবেশে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, ‘কেউ পরিবারের যখন যা প্রয়োজন হয়, সেটিই করার চেষ্টা করে। সেই দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই বলতে চাই, নির্বাচিত হলে আমার এ পরিবারের, অর্থাৎ শরীয়তপুরবাসীর সব সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করব।’
জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এলে শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের সংস্কারকাজ আগামী তিন মাসের মধ্যে শুরু করা হবে জানিয়ে ধানের শীষের জনপ্রিয় এ প্রার্থী বলেন, ‘এ ছাড়া পদ্মা সেতু থেকে গোসাইরহাট পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। নদীভাঙন প্রতিরোধে আলাওলপুর ইউনিয়নের জালালপুর থেকে কোদালপুর ও কুচাইপট্টি পর্যন্ত মেঘনা নদীর তীররক্ষা এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাতে বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষা পায়।’ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও বেকারত্ব দূরীকরণসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নমূলক কার্যক্রমও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেন নুরুদ্দিন অপু।
তিনি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আমাকে সংসদে পাঠানোর মাধ্যমে শরীয়তপুরের উন্নয়নের প্রধান শক্তি হিসেবে নিজ অবস্থান নিশ্চিত করুন।’
গোসাইরহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. জাকির হোসেন মুন্সির সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক টি আই এম মহিতুল গনী মিন্টু সরদার এবং উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কে এম সিদ্দিক। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে আসা নেতাকর্মী-সমর্থকের ভিড়ে জনসভার মাঠ লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে, যেখানে উপস্থিত প্রত্যেকেই নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হন।
মন্তব্য করুন