

সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিচ্ছে না তুরস্ক। সৌদি সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসে এক তুর্কি কর্মকর্তা জানানা, আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার প্রেক্ষাপটে সৌদি-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তুরস্ক আলোচনা শুরু করেছে। এ মন্তব্যের পরই তিন দেশকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।
তবে সৌদি সামরিক বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সূত্র এএফপিকে বলেন, তুরস্ক পাকিস্তানের সঙ্গে এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেবে না। এটি পাকিস্তানের সঙ্গে একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং এটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তিই থাকবে।
একজন উপসাগরীয় অঞ্চলের কর্মকর্তাও এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি পাকিস্তানের সঙ্গে আমাদের একটি দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা সম্পর্ক। তুরস্কের সঙ্গে আমাদের আলাদা কিছু চুক্তি রয়েছে, তবে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিটি দ্বিপক্ষীয় হিসেবেই বহাল থাকবে।
এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে কৌশলগত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছে পাকিস্তান ও সৌদি আরব। সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ চুক্তি সই করেন।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রিয়াদের ইয়ামামা প্রাসাদে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে শাহবাজ শরিফের বৈঠক হয়। সেখানে দুই নেতা চুক্তিতে সই করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ জোরদার করার লক্ষ্যে এই চুক্তি। বৈশ্বিক শান্তি অর্জনের জন্য উভয় দেশের অভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটেছে এই চুক্তিতে।
চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে কোনো দেশ আক্রান্ত হলে সেটিকে উভয়ের ওপর ‘আগ্রাসন’ হিসেবে দেখবে রিয়াদ ও ইসলামাবাদ।
মন্তব্য করুন