চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বঙ্গবন্ধু টানেল সংযোগ সড়কের কালাবিবির দিঘির মোড় চত্বরে সড়কের মাঝে পাঁচটি বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই শেষ করেছে নির্মাণকাজ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। আগামী ২৮ অক্টোবর উদ্বোধন হতে যাওয়া বঙ্গবন্ধু টানেলের সড়কে সওজের এমন উদাসীনতায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করতে খুঁটিগুলো সড়কের মাঝখানে রেখেই সড়কের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।
দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু টানেলের যানবাহন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা ক্রসিং থেকে আনোয়ারা কালাবিবির দিঘির মোড় পর্যন্ত ছয় লেন এবং কালাবিবির দিঘির মোড় থেকে আনোয়ারা উপজেলা সদর পর্যন্ত দুই লেনের সড়কের কাজ করছে দোহাজারী সড়ক ও জনপদ বিভাগ। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২৬৭ কোটি টাকা। আগামী ২৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেল উদ্বোধনের ঘোষণা দেওয়ায় সংযোগ সড়কের কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্মাণকাজের সিংহ ভাগ কাজ সম্পন্ন করেছে। কিন্তু কালাবিবির দিঘির মোড় এলাকায় সড়কের মাঝখানে পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখে কাজ সম্পন্ন করায় স্থানীয় লোকজন ও গাড়িচালকদের মাঝে দুর্ঘটনার ভয় ও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ স্থান দিয়ে চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও পেকুয়ার হাজার হাজার গাড়ি চট্টগ্রাম শহরে যাতায়াত করে। এতে যে কোনো সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
বাসচালক আবুল কালাম বলেন, এ নির্মাণাধীন সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই কাজ সম্পন্ন করতে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া রাস্তা ঘেঁষে রয়েছে আরও অনেক খুঁটি। এসব খুঁটি অপসারণ না করে সড়কের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করলে প্রতিনিয়ত মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
এ বিষয়ে দোহাজারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী সুমন সিংহ জানান, নির্মাণাধীন সড়কে বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য পিডিবি ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।
তবে আনোয়ারা পল্লী বিদ্যুতের ডিজিএ জসিম উদ্দিন বলেন, সড়ক বিভাগ যতগুলো খুঁটি অপসারণের জন্য বলেছে, আমরা সব করে দিয়েছি। কালাবিবির দিঘির মোড়ের খুঁটিগুলো অপসারণের জন্য এখনো সড়ক বিভাগ আমাদের কিছু বলেনি।
মন্তব্য করুন