ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২৪, ০৫:৪০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কেঁদে উঠল মৃত ভেবে নেওয়া নবজাতক

নবজাতককে কোলে নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকসহ পরিবারের সদস্যরা। ছবি : কালবেলা
নবজাতককে কোলে নিয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকসহ পরিবারের সদস্যরা। ছবি : কালবেলা

জন্মের পর কান্না না করায় মৃত ভেবে নেওয়া নবজাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ধাত্রীর চেষ্টায় কেঁদে উঠেছে। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

এ নিয়ে খুশিতে আত্মহারা নবজাতকের স্বজনসহ পুরো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে নবজাতকটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নবজাতকটি ব্রাহ্মণপাড়া সাহেবাবাদ ইউনিয়নের নগরপাড় এলাকার আবুল বাশার ও তানজিনা আক্তারের কন্যা সন্তান।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে প্রসব ব্যথা নিয়ে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন তানজিনা আক্তার নামে এক নারী। কিছুক্ষণ পরেই একটি কন্যাশিশু জন্ম দেন তিনি। জন্মের পর কান্না করেনি নবজাতকটি। উপস্থিত সবাই নবজাতকটিকে মৃত ভেবেছিলেন। পরে হাসপাতালের ধাত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস নবজাতকটির শ্বাসযন্ত্রে যান্ত্রিকভাবে বায়ুচলাচল চালানোর চেষ্টা করে। কিছুসময় পর নবজাতকটি কেঁদে ওঠে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডা. সুমি আক্তার কালবেলাকে বলেন, নরমাল ডেলিভারির জন্য প্রসব ব্যথা ওঠার পর ১৪ থেকে ১৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। তবে এরচেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করলে বাচ্চার স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস ব্যহত হয় ও ব্রেইনে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেয়। যার ফলে এ ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এমন অবস্থা থেকে কোনো কোনো নবজাতককে আর ফিরিয়ে আনাও সম্ভব হয় না।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হাসনাত মো. মহিউদ্দিন মুবিন বলেন, অধিকাংশ প্রসূতি মাকে গ্রামে অপ্রশিক্ষিত দাই দিয়ে প্রসবের চেষ্টা করে। পরে ব্যর্থ হয়ে আমাদের কাছে আসেন। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। এই নবজাতকটির ক্ষেত্রেও এ ঘটনাই ঘটেছে।

তিনি বলেন, আমাদের বিচক্ষণ চিকিৎসক ও ধাত্রীর নিবিড় পরিচর্যায় নবজাতকটি সংকটাপন্ন অবস্থা থেকে উন্নতির দিকে এসেছে। প্রসূতি মায়েদের সঠিক সময়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে সেবা নেওয়ার আহ্বান জানাই।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয় চিড়িয়াখানায় গেল ‘বাদশা বাহাদুর’

গত বছরের প্রশ্নে পরীক্ষা দিলেন ১০০ শিক্ষার্থী!

মির্জা আব্বাসের সর্বশেষ অবস্থা জানালেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা

ফুটফুটে কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন ভবঘুরে তরুণী

রাশিয়ার অন্যতম বৃহৎ তেল টার্মিনালে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা 

মসজিদে খতমে নবুওয়ত আলোচনায় পুলিশি বাধার নিন্দা

সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় পুড়ছে সিলেট, লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ চরমে

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন সফল করবে সরকার: মির্জা ফখরুল

বিচারকের দায়িত্বটা ততটা সহজ নয়: মোশাররফ করিম

পাকেতা নেই, শঙ্কায় রাফিনহা, নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের খেলবেন কারা?

১০

অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১১

টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে দিলেন ১৫ বছরের সূর্যবংশী

১২

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী বৈঠক ১১ জুলাই, থাকছে পরমাণু ইস্যু 

১৩

থানায় স্কুলছাত্রের আত্মসমর্পণ / এলাকার বড় ভাইয়ের প্রেমের বিরোধ মেটাতে গিয়ে প্রাণ গেল নয়নের

১৪

বহুমুখী সৃষ্টির কারিগর সুজন

১৫

বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী

১৬

গুলিস্তানে জামায়াতের মিছিলে হামলার অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে

১৭

ঢাবি দর্শন বিভাগ অ্যালামনাইর বর্ষা উৎসব ২৩ জুলাই

১৮

শেষ ষোলোতে দুই মুসলিম দেশের প্রতিপক্ষ কারা, ম্যাচ কবে?

১৯

ইমাম ও মসজিদ কমিটির পদ নিয়ে দ্বন্দ্ব, সংঘর্ষে আহত ১৭

২০
X