কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:০২ পিএম
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জিমি কার্টারের মৃত্যুতে ড. ইউনূসের শোক

বাঁ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার। ছবি : সংগৃহীত
বাঁ থেকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার। ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে কার্টারের মৃত্যুতে আন্তরিক সমবেদনা জানান ড. ইউনূস।

বিবৃতিতে ইউনূস বলেন, নোবেল বিজয়ী প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মৃত্যুতে আমার আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। নোবেল বিজয়ী প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার শুধু একজন অসাধারণ নেতাই নন, তিনি একাধারে মানবাধিকারের একজন প্রবক্তা এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের একজন বলিষ্ঠ নেতা।

ইউনূস বলেন, প্রেসিডেন্ট কার্টার ছিলেন বাংলাদেশের প্রকৃত বন্ধু। তিনি প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন এবং তারপরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্ক দিন দিন সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হয়েছে। কার্টার সেন্টারের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের জন্য যে কাজ করেছেন বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং গণতন্ত্রের অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা এবং আবেগের প্রকাশ ঘটেছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আমরা ১৯৮৬ সালে তার বাংলাদেশ সফরের কথা মনে করছি, যা আমাদের জনগণের জন্য মহান অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। প্রেসিডেন্ট কার্টার শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্ব রাজনীতিতে একজন আইকনিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন না; তিনি আমার একজন পরম বন্ধুও ছিলেন। নোবেল বিজয়ীদের সমাবেশ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকবার তার সঙ্গে আমার দেখা হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। মানবাধিকারের প্রতি তার অটুট অঙ্গীকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচার বোধ আমাকে সবসময় উৎসাহিত করেছে।

আমাদের কথোপকথনের মধ্যে তার গভীর নম্রতা, প্রজ্ঞা এবং মানুষের ক্ষমতায়নের প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস প্রতিফলিত হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার কাজ আগামী প্রজন্মকেও অনুপ্রাণিত করবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট কার্টারের শোকাহত পরিবারের প্রতি আবারও গভীর শোক প্রকাশ করছি ও তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

বিশ্ববরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব চলতি বছরের অক্টোবরে তার শততম জন্মদিন পালন করেছেন। গত ১৯ মাস ধরে তিনি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেছেন। তবে বার্ধক্য এবং অসুস্থতার কাছে অবশেষে হার মানলেন তিনি। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের প্লেইনসে নিজ বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জিমি কার্টার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রেসিডেন্ট। সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ‘অসাধারণ নেতা’ আখ্যায়িত করে শোক প্রকাশ করেছেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র আরও ২৫০ বছর টিকবে কি না, সন্দেহ ৩৮ শতাংশ মার্কিনির

গুলশান কার্যালয়ের সামনে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের অবস্থান

সংসদে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান’ নিয়ে প্রশ্ন, ব্যাখ্যা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফ্রানসিস্কো মার্তিগারের যুদ্ধবিরোধী উচ্চারণ

বিশ্বকাপ জিতলে সবচেয়ে বেশি বোনাস পাবে ব্রাজিল

বর্তমান সরকার কোনো দলের নয় সবার : প্রধানমন্ত্রী

আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির শুভ সূচনা

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

খুবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ

উন্নত চিকিৎসা তথ্য ও সেবা এখন হাতের মুঠোয়

১০

‘চানাচুর মার্কা’ বাজেট, শুনতে ভালো কিন্তু খেলে পেট খারাপ : আমির হামজা

১১

জাবিতে মাদকের বিরুদ্ধে লাল কার্ড প্রদর্শন

১২

তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে : প্রধানমন্ত্রী

১৩

জর্ডানে প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা, জরিমানা ছাড়া দেশে ফেরার সুযোগ

১৪

ভারত-মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেবে বাংলাদেশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 

১৫

হোসাইন মোহাম্মদ দিদারের কবিতা : দীর্ঘশ্বাসের দীর্ঘ লাইন

১৬

সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়নের বিচারসহ ৭ দফা দাবি পূজা উদযাপন ফ্রন্টের

১৭

পাকিস্তানের প্রস্তাবে যেখানে হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

১৮

শিক্ষার্থীদের সঙ্গে খোশগল্পে মেতে উঠলেন জাইমা রহমান

১৯

সংসদে প্রধানমন্ত্রী / হজের খরচ আরও কমাতে কাজ করছে সরকার

২০
X