’৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেছেন, তৈরি পোশাকশিল্প দেশের প্রধান রপ্তানি খাত। অথচ এ শিল্পে নিয়োজিত শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন থেকে তাদের ন্যায্য মজুরি থেকে বঞ্চিত। শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য মজুরির দাবি জানিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো পোশাক শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছিল। মজুরি নির্ধারণে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমিক প্রতিনিধি ২৩ হাজার মজুরির দাবি উত্থাপন করেছিলেন। সরকার শ্রমিকদের দাবি উপেক্ষা করে মালিকদের প্রস্তাব অনুযায়ী ১২ হাজার ৫০০ টাকা মজুরি চূড়ান্ত করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ‘বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে সরকার ঘোষিত এই মজুরি যৌক্তিক নয়। এই মজুরিতে শ্রমিকদের পক্ষে পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়েপরে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।’
বিবৃতিতে সাবেক ছাত্রনেতারা বলেন, ‘শ্রমিকদের ন্যায়সঙ্গত গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ ও কয়েকজন শ্রমিকের নিহত হওয়ার ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করছি। একইসাথে দমনপীড়ন বন্ধ করে বর্তমান বাজারদর এবং অন্যান্য দেশের মজুরি কাঠামো পর্যালোচনা করে শ্রমিকদের মজুরি পুনর্নির্ধারণ করার জন্যে আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাই। অন্যথায় এর ফলে, পুরো গার্মেন্টস সেক্টর ভবিষ্যতে আরও গভীর সংকটে নিপতিত হবে।’
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, সাবেক ছাত্রনেতা নাজমুল হক প্রাধান, আমীরুল হক আমীন, শফি আহমেদ, আকতার সোবহান মাশরুর, সোহানুর রহমান সোহান, আমিনুল ইসলাম, বজলুর রশীদ ফিরোজ, সুজা উদ্দিন জাফর, মোশরেফা মিশু, মোখলেস উদ্দিন শাহীন, এম এ আওয়াল, বেলাল চৌধুরী, রাজু আহমেদ, সিরাজুম মনির, জাহেদ ইকবাল খান, সালেহ আহমেদ, কামাল হোসেন বাদল, রুহিন হোসেন প্রিন্স, রাগীব আহসান মুন্না, এস এম আকরামুল হক, পারভেজ হাসেম প্রমুখ।
মন্তব্য করুন