সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩১
ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৯:৪২ পিএম
আপডেট : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৩:১৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস ২০২৩

জীবনের উৎস মাটি ও পানিকে অবজ্ঞা ধরিত্রীর ঝুঁকি বাড়াচ্ছে

ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন। ছবি : কালবেলা

আমাদের গ্রহে জীবন প্রায় তিন হাজার মিলিয়ন বছর আগের। একটি চিন্তাশীল সত্তা-মানুষ-একটি এককোষী জীব থেকে বিকশিত হওয়ার পর বহু সহস্রাব্দ অতিবাহিত হয়েছে। বনের ফল, শিকড় এবং শিকার করা প্রাণী সংগ্রহ করে জীবন অতিবাহিত করার পর, মানুষ প্রথম আদিম হাতিয়ার তৈরি করে, যা কাঠ কাটা, জমি চাষ এবং শস্য উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করা হতে থাকে। মানুষ প্রকৃতি আয়ত্বের জন্য নব নব কৌশল ব্যবহার করে এবং পাশাপাশি গ্রাম, শহর, বন্দর, শিল্প-কারখানা গড়ে তুলে। এতে আদি প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়েছে এবং নিজের কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এ বিশাল সময়জুড়ে যে বিবর্তন ও পরিবর্তন সংগঠিত হলো তার মৌলিক অংশে যে দুটি প্রাকৃতিক উপকরণ অবদান রেখেছে, তা হলো মাটি ও পানি। এরা এককভাবে যত না কা‍র্যকর বরং যৌথভাবে বেশি অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ। যেমন অধুনা মঙ্গল গ্রহে মাটি ও পানির যৌথ অবস্থানের আবিষ্কার মানুষের অন্যতম চাওয়া।

মাটি একটি অ-নবায়নযোগ্য গতিশীল প্রাকৃতিক সম্পদ, আর পানি হলো ধরিত্রীর সবচেয়ে বেশি পরিমাণে প্রাপ্য নবায়নযোগ্য তরল- এরা একত্রে জীবনের জন্য অপরিহার্য। প্রাণের উৎস হিসেবে, বাস্তুসংস্থান সৃষ্টির মূল উপকরণ হিসেবে, খাদ্যব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে এবং জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে মাটি ও পানির ভূমিকাই মুখ্য। যে এককোষী জীব হতে উৎপত্তি তার আয়তনের শতকরা ৬৫ ভাগ এবং ওজনে ৭০ ভাগ পানি। পানি জীবের দেহাভ্যন্তরে এজাইমেটিক বিক্রিয়ার সময় উৎপন্ন হয়, ব্যবহৃত হয়, পরিবর্তিত হয় বা কখনও কখনও সাময়িক ব্যবহৃত হয়। দেহের ৩৫-৫০ ভাগ জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় পানি উৎপন্ন হয় বা অংশগ্রহণ করে। পানি জীববিজ্ঞানের রসায়নকে সংজ্ঞায়িত করে এবং কোষের জীবন্ত অবস্থা বজায় রাখে, এমন সংযুক্ত বিক্রিয়ায় প্রভাবশালী রাসায়নিক কাজের প্রধান হিসেবে কাজ করে।

মানুষ (একটি প্রাণীর মতো) অক্সিজেন ছাড়া কয়েক মিনিটের মধ্যে, পানি ছাড়া কয়েক দিনের মধ্যে এবং খাবার ছাড়া কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মারা যায়। বায়োস্ফিয়ারের মৌলিক উৎসসমূহের মধ্যে পানির অনেকগুলো কাজ রয়েছে যা মানব সমাজের সঙ্গে সম্পর্কিত, যেমন শক্তির সম্ভাব্য রূপান্তর এবং পরিবহন। অন্যদিকে জীবদেহে যে জৈব-রাসায়নিক পরিবর্তনে যে উপকরণগুলোর প্রয়োজন হয়, তার মূল যোগানদাতা হলো মাটি। মাটি ও পানি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বায়োজেনিক উপাদানগুলোর (কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, সালফার এবং ফসফরাস) জৈব রাসায়নিক চক্রে অংশ নেয়, যা জীবমণ্ডল এবং বাস্তুতন্ত্রের উপাদানগুলোর একটি বৃত্তাকার পথ। পানির চলাচল, পানির গুণমান, জমির ব্যবহার এবং গাছপালা উৎপাদনশীলতার সঙ্গে মাটির সম্পর্ক সরাসরি। পৃথিবীতে মাটি ও পানির পরিমাণ দ্বারা নানা বাস্তুসংস্থান তৈরি হয়েছে, যা জীবসমূহের বেঁচে থাকা ও পুনরুৎপাদনের জন্য অপরিহার্য। আবার ভূমণ্ডলে মহাসমুদ্র, সমুদ্র, হ্রদ, নদী, নালা এবং ভূগর্ভস্থ পানি নিয়ে যে হাইড্রোস্পেয়ার তৈরি হয়েছে- তার ৯৬.৫ ভাগ দখল করে আছে সমুদ্র এবং মহাসমুদ্রের পানি। এ হাইড্রোস্পেয়ারের ১ ভাগেরও কম হলো প্রাকৃতিক পানি বা স্বাদু পানি যা মানুষ ব্যবহার করার সুযোগ পায়।

আর স্বাদু পানির একটি বড় অংশ মাটির আদ্রতা আকারে মাটিতে, হিমবাহ এবং বরফ আকারে এবং ভূগর্ভস্থ শিলার ফাঁকে ফাঁকে জমা থাকে, এটাই মাটির পানি। মোট স্বাদু পানির ১০ শতাংশ খাল বিল নদী নালায় থাকে, আর খুবই নগণ্য অংশ বায়ুমণ্ডলে থাকে। মানবসভ্যতার বিকাশ তথা কৃষি-খাদ্য, শিল্পায়ন, নগরায়ণে পৃথিবীর সামান্য স্বাদু পানি ও কঠিন অংশ মাটি অসামান্য অবদান রেখে চলেছে। তবে মাটি-পানির সহজলভ্যতা, গুণগতমান, ভবিষ্যৎ প্রাপ্যতা নিয়ে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, আশঙ্কা আছে যা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা মেটাতে সবুজ বিল্পব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অফুরন্ত পানি ও ফসিল শক্তিনির্ভর প্রযুক্তির ওপর, এতে খাদ্য উৎপাদন বেড়েছে নিঃসন্দেহে, কিন্তু মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাবও বহুমাত্রিক বেড়েছে।

মাটি ও পানির সম্পর্ক মিথোজীবিক, যা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি। মাটিতে পানি হলো প্রাথমিক মাধ্যম যার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি গাছের শিকড়ে পরিবাহিত হয়। পানি ছাড়া গাছপালা তাদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিসমূহ গ্রহণ করতে পারে না, যা পুষ্টি-চক্র পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্বাস্থ্যবান গাছপালা উর্বর মাটির ওপর নির্ভর করে এবং আবার এ গাছপালা, মাটির ক্ষয় রোধ করতে সাহায্য করে। উদ্ভিদের মূল ব্যবস্থা মাটিকে স্থিতিশীল করে এবং মাটিকে আরও ক্ষয় প্রতিরোধী করে তোলে।

মাটি পানির জন্য একটি প্রাকৃতিক ছাকনি হিসেবে কাজ করে, এ পরিস্রাবণ প্রক্রিয়া অপদ্রব্য এবং দূষকগুলোকে সরিয়ে দেয়, পানির গুণমান নিশ্চিত করে, যা বাস্তুতন্ত্র এবং মানুষের ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাটি একটি জলাধার হিসেবে কাজ করে, যেমন মাটির জৈব পদার্থ মাটির প্রাণ জৈব পদার্থ তার ওজনের চেয়ে ১০ গুণ বেশি পানি ধরে রাখতে পারে আর মাটির ১ শতাংশ জৈব পদার্থ বাড়লে প্রতি একরে ১৫ সেমি গভীরতায় ১০০০০ লিটার ধারণ বেড়ে যায়।

মাটি গাছপালা এবং বাস্তুতন্ত্রের ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য পানি সংরক্ষণ করতে পারে। খরার সময় সঞ্চিত পানি জীবন টিকিয়ে রাখার জন্য এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মাটি এবং পানি উভয়ই জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ, দেখা গেছে এক হেক্টর কৃষি বনায়নকৃত জমি প্রতিবছর ১২০-১৩০ মেগাগ্রাম কার্বন সংবন্ধন করতে পারে, আবার উপযুক্ত ব্যবস্থাপনায় ১.৭ ভাগ কার্বন স্টক বাড়ানো সম্ভব। স্বাস্থ্যকর মাটি কার্বনকে আলাদা করতে পারে, গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমাতে পারে, অন্যদিকে পানির বড় অংশ, যেমন মহাসাগর, তাপ শোষণ করে এবং ছেড়ে দেয়, আবহাওয়ার ধরণ এবং জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।

বাংলাদেশ সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা, এখানে হাতেগোনা কয়েকটি ফসল বাদে পৃথিবীর এমন কোনো ফসল নেই যা এ দেশে হয় না। দেশটি যে কোনো দেশের তুলনায় স্বাদু পানির প্রাপ্যতার জন্য সুবিধাজনক অবস্থানে আছে, যেমন বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পরিমাণে স্বাদু পানি প্রবাহিত হয়, যে কারণে বাংলাদেশকে পানির দেশও বলা হয়। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই বাংলাদেশের মাটি ও পানি নানাবিদ ফসল উৎপাদনের জন্য খুবই সহায়ক এবং অনাদিকাল থেকে তা হয়েও আসছে। মাটি ও পানির শক্তির সম্ভাবনাকে ব্যবহার করে গত ৪০-৫০ বছরের ফসলের নিবিড়তাসহ ৪০-৫০টি ফসলের উৎপাদন ঈর্ষণীয় পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এখানে ৩টি কৃত্রিম রাসায়নিক সার ও কতিপয় বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়েছে এবং আর সেচের পানি উৎস হিসেবে সবুজ পানি (বৃষ্টির পানি বা বৃষ্টিনির্ভর সেচ ব্যবস্থা) পরিবর্তে নীল পানি (ভূ-উপরিস্থ ও ভূ-নিম্নস্থ পানি) ব্যবহার করা হচ্ছে। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেশে ধূসর পানির পরিমাণ ও দূষক ঘনত্ব বহুগুণ বেড়েছে।

মৃত্তিকা সম্পদ ইনস্টিটিউটের তথ্যানুযায়ী, দেশের কৃষি জমির স্বাস্থ্য নষ্ট হয়েছে, জৈবপদার্থ, নাইট্রোজেন ফসফরাস, পটাশিয়াম কমেছে, অম্লীয় জমির পরিমাণ ও জমির অম্লত্ব বেড়েছে, ভূমি ক্ষয় তীব্র হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে দেশের কৃষি রাসায়নিক নির্ভর কৃষির কারণে এমনটি হয়েছে, পাশাপাশি শিল্পায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনে দেশের কৃষি জমি ও পানি দুটোই সংকটের মুখোমুখি। উজানদেশসমূহের পানি শাসনের কারণে পৃথিবীর সর্বোচ্চ স্বাদু পানিপ্রবাহের মাত্র ৭ ভাগ অববাহিকা এলাকা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের মধ্যে পড়ে। বেশিরভাগ ফসল মাটির আর্দ্রতা থেকে উৎপাদিত হয়, এ আর্দ্রতা একচেটিয়াভাবে বৃষ্টিপাত থেকে আসে। বাংলাদেশে সবুজ পানির প্রধান উৎস হলো বার্ষিক বৃষ্টিপাত, যা বছরের কয়েক মাসে (এপ্রিল থেকে অক্টোবর প্রায় ৮০ ভাগ) সারা দেশের হ্রদ ও নদীগুলোকে ভরাট করে এবং ভূগর্ভস্থ পানিকে রিচার্জ বা পূর্ণভরণ করে।

দেশে স্বাদু পানির প্রাপ্যতা অস্বাভাবিক হারে কমে যাচ্ছে, সবুজ বিল্পবের সূচনায় দেশে প্রতিজনে বছরপ্রতি নবায়নযোগ্য পানির প্রাপ্যতা ছিল ২৪-২৫ হাজার ঘনমিটার, বর্তমান সময়ে তা কমে হয়েছে ৭ হাজার ঘনমিটার। পানির প্রাপ্যতা জলবায়ুর উপর নির্ভরশীল যা বৃষ্টিপাত, মৌসুম, এক বছর হতে অন্য বছরে আবহাওয়ার পার্থক্যের ওপর নির্ভর করে। কৃষিতে ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে পানি স্তর নেমে যাওয়া, তলানি পরার কারণে নদীর পানি ধারণক্ষমতা কমে যাওয়া, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়া দেশের সার্বিক চিত্র, যা উত্তরোত্তর বাড়তে থাকবে।

পানির-মাটি হলো জলাবদ্ধ মাটি, বিশেষ করে সমুদ্র-মহাসমুদ্রের বাস্তুসংস্থান যার পরিমাণ ৯৫-৯৬ ভাগ এবং মূলত লবণ পানি। বর্তমান খাদ্য ব্যবস্থায় এর অবদান খুবই কম। হাজার হাজার বছর ধরে আমাদের খাদ্য ব্যবস্থাসহ আধুনিক সভ্যতা গড়ে উঠেছে সামান্য স্বাদু পানি (৯৮ ভাগ খাদ্য) মাধ্যম দিয়ে, যা চলতে থাকলে ভষিষৎ প্রজন্মের টিকে থাকা অসম্ভব হয়ে উঠবে।

বর্তমান খাদ্যব্যবস্থাকে টেকসই করতে সামুদ্রিক খাবার খাদ্য তালিকায় আনতে হবে- যেমন প্রাণীজ প্রোটিনের উৎস সামুদ্রিক প্রাণী হতে পারে, সবজির অন্যতম উৎসও হতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশেই সামুদ্রিক খাবারের দিকে ঝুঁকছে, বাংলাদেশের মানুষকে ভবিষতে তাই করতে হবে। তা ছাড়া বর্তমানে স্বাদু পানির যে অপচয় বা নির্বিচার ব্যবহার সেখানে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসা জরুরি। মাটি ও পানিকে আলাদা করার কোনো সুযোগ নেই, ফলে কৃষি, খাদ্য ও পানি ব্যবস্থাপনার একটি সমন্বিত কৌশল প্রণয়ন দেশের জন্য অত্যাবশ্যক।

মাটি এবং পানি, আমাদের গ্রহের অজ্ঞাত নায়ক, নিছক সম্পদ নয়; তারা জীবনের উৎস। মাটি এবং পানির মধ্যে জটিল সম্পর্ক, তাদের আন্তঃসম্পর্ক এবং জীবনকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে অতিমাত্রা বলা নয়। তাদের তাৎপর্যকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং এ সম্পদগুলোকে রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া কেবল একটি বিকল্প নয় বরং একটি প্রয়োজনীয়তা। আমাদের গ্রহের ভবিষ্যৎ এবং এর সমস্ত বাসিন্দাদের মঙ্গল নির্ভর করে মাটি এবং পানির ওপর আমাদের দায়িত্বশীল এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা দরকার। আগামী প্রজন্মের জন্য মাটি ও পানি যেন জীবনের উৎস হয়ে থাকে তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।

লেখক : গবেষক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট

[ নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার, প্রতিক্রিয়া প্রভৃতিতে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। দৈনিক কালবেলার সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে নিবন্ধ ও সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত মত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে। প্রকাশিত লেখাটির ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ, তথ্য-উপাত্ত, রাজনৈতিক, আইনগতসহ যাবতীয় বিষয়ের দায়ভার লেখকের, দৈনিক কালবেলা কর্তৃপক্ষের নয়। ]
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ / ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণার গুঞ্জন, নেতৃত্বের দৌড়ে অছাত্ররাও

মোঘল স্থাপত্য : বজরা শাহী মসজিদ

৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা হারিয়েছে জেলেনস্কি

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী হলেন যারা

যবিপ্রবির ৩ প্রশাসনিক পদে রদবদল

জ্বর থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে ভুলেও খাবেন না এসব খাবার

ছেলের বিরুদ্ধে বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

অবশেষে ব্রাজিলের হেক্সা মিশন সফল

রংপুরে ৫ গ্রামের মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

পোস্তগোলা সেতু পুরোদমে বন্ধ

১০

তিস্তার চরে চাষ করা ফসলের বাম্পার ফলন

১১

নিয়োগ দিচ্ছে বিআইডব্লিউটিএ, বেতন ৬৭ হাজার

১২

সুন্নাতে খতনার উপকারিতা ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

১৩

কেমন থাকবে আজকের আবহাওয়া

১৪

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি, আবেদন করবেন যেভাবে

১৫

ব্র্যাক এনজিওতে নিয়োগ, নেই বয়সসীমা

১৬

সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকায় যাবেন না

১৭

কী ঘটেছিল ইতিহাসের এই দিনে

১৮

২৬ ফেব্রুয়ারি : নামাজের সময়সূচি

১৯

পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করায় যুবকের কারাদণ্ড

২০
X