বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫৬ পিএম
আপডেট : ২৪ মার্চ ২০২৫, ০৯:৫৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

তামিমের চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব যার

সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল। পুরোনো ছবি
সংবাদ সম্মেলনে তামিম ইকবাল। পুরোনো ছবি

ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবাল। তাৎক্ষণিক তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পর হার্ট অ্যাটাকের বিষয়টি নিশ্চিত হন চিকিৎসকরা। এরপরই শুরু হয় চিকিৎসা। এতে করে দ্রুততম পদক্ষেপের মাধ্যমে তার হার্টে রিং পরানো হয়। ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পান। এ যাত্রায় সবচেয়ে বেশি কৃতিত্বের দাবিদার মোহামেডানের ট্রেইনার ইয়াকুব চৌধুরীর।

জানা গেছে, অ্যাম্বুলেন্সে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার সময় বুকে পাঞ্চ করছিলেন ইয়াকুব চৌধুরী। জরুরি মুহূর্তে রোগীর প্রাণ বাঁচাতে এটি সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর অন্যতম। হঠাৎ করে কেউ কোনো সাড়া না দিলে দ্রুততম সময়ে কার্ডিও–পালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) শুরু করতে হয়।

সিপিআরের অন্যতম কাজ হলো রোগীর বুকে পাঞ্চ করা। হৃৎপিন্ড নিঃসাড় হয়ে গেলে সিপিআরের সিপিআরের মাধ্যমে আবার স্পন্দন ফেরানোর প্রচেষ্টা করা হয়। সফল সিপিআরে অনেক রোগীর প্রাণ বাঁচে। তামিমের কঠিন মুহূর্তে ট্রেইনার ইয়াকুব চৌধুরী সিপিআর করেন।

এর আগে চিকিৎসকরা জানান, মাত্র কয়েক মুহূর্তের ভুল সিদ্ধান্তই কেড়ে নিতে পারত তামিমের জীবন। হার্ট অ্যাটাকের পর তাকে দ্রুত ঢাকায় নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এজন্য হেলিকপ্টার প্রস্তুতও ছিল। তবে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তুললে হয়তো তামিমকে আর ফিরে পাওয়া যেত না।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তামিম ইকবাল। প্রথমে গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যা ভেবে ওষুধ নেওয়া হলেও কিছুক্ষণ পর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। তাকে দ্রুত সাভারের কেপিজি হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কিছুটা সুস্থ অনুভব করায় তিনি নিজেই ঢাকায় যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করতে বলেন।

তবে ঠিক তখনই ভয়ংকর এক সংকট তৈরি হয়। বিকেএসপির অভিজ্ঞ কোচ মন্টু দত্ত গণমাধ্যমকে জানান, যখন হেলিকপ্টার নামানো হলো, তখন তামিম বুঝতে পেরে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন এবং বিকেএসপির দিকে ফিরে যেতে চান। কিন্তু পথে তার পালস পাওয়া যাচ্ছিল না। চিকিৎসকরা তখন জানান, তাকে আকাশপথে নিলে হয়তো আর বাঁচানো সম্ভব হবে না।

শেষ মুহূর্তের সেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই হয়তো আজ তাকে জীবন দিয়েছে। দ্রুত কেপিজি হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা জরুরি ভিত্তিতে এনজিওগ্রাম করে হার্টে ব্লক শনাক্ত করেন এবং সফলভাবে রিং পরানো হয়। হাসপাতালের পরিচালক ডা. রাজিব জানান, ‘স্টেন্টিং খুবই কার্যকরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে এখনও তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইতালির ১৫টি শহরে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি

জবি ছাত্রদলের আহ্বায়কের বিরুদ্ধে চিকিৎসক লাঞ্ছনার অভিযোগ

‘আ.লীগের জায়গা আছে, বিএনপি-জামায়াতের যাওয়ার জায়গা নেই’

ডা. জুবাইদা রহমানের ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

ধানমন্ডিতে সাংবাদিককে মারধর : জামায়াতের চার কর্মী বহিষ্কার

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত মৃদুল, দাবি পরিবারের

বৃহস্পতিবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

আজ গোল করলেই পেলের রেকর্ডে ভাগ বসাবেন নেইমার

শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসারদের তৎপরতায় প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার

খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজায় মোদিকে ইরানের আমন্ত্রণ

১০

বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি, প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল

১১

বিএমইউর ৫৩৯ রেসিডেন্টকে থিসিস গ্র্যান্ট প্রদান

১২

বিশ্বকাপ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে!

১৩

‘ফাইনাল পর্যন্ত’ আর্জেন্টিনার সূচি জানা গেল, শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ কারা

১৪

আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

১৫

উপদেষ্টা জাহেদ ইস্যুতে ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’ : ঢাকা

১৬

‘এক মণ পেঁয়াজ বেচে এক কেজি মাংসও মেলে না’, বড় লোকসানে চাষিরা

১৭

ইউনিলিভার বাংলাদেশের উদ্যোগে পরিবেশ সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা

১৮

সেদিন কেন মেজাজ হারিয়েছিলেন মেসি?

১৯

দুর্বৃত্তদের ছোড়া পাথরে দৃষ্টিশক্তি হারালেন আইনজীবী

২০
X