বাংলাদেশের সামনে লঙ্কানদের দেওয়া টার্গেট চ্যালেঞ্জিং ছিল তবে অসম্ভব কিছু ছিল না। কিন্তু বাংলাদেশকে টার্গেট নিয়ে কোনো কিছুরই ভাবারই সুযোগ দিল না সফরকারীরা। ১৭৫ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে এক নুয়ান তুশারার কাছেই ভরাডুবি বাংলাদেশের ব্যাটারদের। তুশারার হ্যাটট্রিকে রীতিমতো বিধ্বস্ত হয়েছে সৌম্য-শান্তরা।
সিলেটে শনিবার (৯ মার্চ) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ জয়ের জন্য ১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১১ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫৭ রান। ক্রিজে আছেন রিশাদ ও শেখ মেহেদী।
ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রথম তুশারাকে বোলিংয়ে আনেন অধিনায়ক হাসারাঙ্গা। এরপরেই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ তাসের ঘরের মতো ফেলে দেন তিনি। দ্বিতীয় বলে নাজমুল হোসেন শান্ত, তৃতীয় বলে হৃদয় এবং চতুর্থ বলে মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে টাইগার ব্যাটিংকে এক অর্থে ধসিয়ে দিয়েছেন এই পেসার। তবে এখানেই থামেনি তার ধ্বংসযজ্ঞ। নিজের স্পেলের দ্বিতীয় ওভারে এসেই ফিরিয়েছেন সৌম্য সরকারকেও।
চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে নাজমুল হোসেন শান্তকে তিনি ফিরিয়েছেন দুর্দান্ত এই ইনসুইং ডেলিভারিতে। অফ স্ট্যাম্প খুইয়েছেন টাইগার দলপতি। হৃদয় এসে বুঝে ওঠার আগেই আউট। দ্রুতগতির আউটসুইংয়ে রীতিমতো অসহায়ের মতো উইকেটে দিয়ে এসেছেন। ফুল লেন্থের বলটায় ভারসাম্যও হারিয়েছেন তিনি। সম্ভবত বাংলাদেশও ভারসাম্য হারিয়েছে তার ওই এক বলেই।
ফেরার পথে মেজাজও হারিয়েছেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ এসেও ভরসা দিতে পারেননি। আরও এক আউটসুইং ডেলিভারিতে সাজঘরে ফিরলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। তবে এইবার ভাগ্যকে কিছুটা দুষতে পারেন তিনি। এলবিডব্লিউতে আউট হওয়ার সময় ইম্প্যাক্ট এবং উইকেট হিটিং দুটোই ছিল আম্পায়ার্স কল।
এক ওভার পরেই আবার আঘাত হেনেছেন তুশারা। এবার তার শিকার হয়েছেন সৌম্য সরকার। আগের তিন উইকেটের মতোই এবারেও সুইং আর গতিতেই পরাস্ত করেছেন টাইগার ওপেনারকে। দুই ওভার শেষে দুই রানেই নিয়েছেন চার উইকেট। বাংলাদেশও তাতে বেসামাল পুরোদমে।
তুশারা বোলিংয়ে আসার আগে লিটন উইকেট বিলিয়ে এসেছেন ধনঞ্জয়ের কাছে আর প্রথম ম্যাচে আরেকটু হলে জিতিয়ে দিয়ে আসা জাকের আলি অনিক হয়েছেন হাসারাঙ্গার শিকার।
মন্তব্য করুন