কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৮:৩১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি, নেপথ্যে কী?

সামরিক আইন জারির পর ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সামনে দেশটির জনগণ। ছবি : সংগৃহীত
সামরিক আইন জারির পর ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির সামনে দেশটির জনগণ। ছবি : সংগৃহীত

দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন জারি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষণে সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন তিনি। এ সময় তিনি নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে তাও তুলে ধরেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ইওল বলেন, মানুষের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন। উত্তর কোরিয়াপন্থি কমিউনিস্ট শক্তির হাত থেকে দেশ রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে সামরিক আইন জারি করা হলো। ইওল তার বক্তব্যে সুনির্দিষ্ট কোন হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে এ সামরিক আইন জারি করা হয়েছে তা তিনি স্পষ্ট করেননি।

তিনি বলেন, ‘উদারপন্থি দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট বাহিনীর হুমকি থেকে সুরক্ষা দিতে এবং রাষ্ট্রবিরোধী বিভিন্ন শক্তি উৎখাত করতে, আমি জরুরি ভিত্তিতে সামরিক আইন জারি করছি।’

দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্ট বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং মানুষের স্বাধীনতা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। তিনি বলেন, দেশে রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির উদ্ভব হয়েছে। বিরোধী দলগুলো সংসদীয় প্রক্রিয়া জিম্মি করে দেশকে সংকটের মাঝে ফেলে দিয়েছে।

এদিকে সামরিক আইন (মার্শাল ল’) জারি করে ভয়াবহ সংকটের মধ্যে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট ইওল। দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, চিফ অব স্টাফ এবং সিনিয়র সচিবরা এমন পরিস্থিতির মধ্যে পদত্যাগ করার কথা জানিয়েছেন।

অন্যদিকে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ করা উচিত অথবা তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি করা উচিত। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইওলের সামরিক আইন জারি সংবিধানের স্পষ্ট লঙ্ঘন। ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে বিরোধী দলের জরুরি সভায় এমন মন্তব্য করেছে বিরোধী দল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের এমন কাজ গুরুতর বিদ্রোহমূলক। এটি অভিশংসনের জন্য উপযুক্ত কারণ।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

খুলনায় ফজরের নামাজের সময় মসজিদে ঢুকে গুলি, আহত ২

মহারাষ্ট্রে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধার

ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা / আজকের চুক্তি মোজতবা খামেনির কাছে ট্রাম্পের আত্মসমর্পণ

ঘরে ঢুকে নৃশংসভাবে মা-মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা, নেপথ্যে কী?

নবম পে-স্কেলে সুখবর: দ্বিগুণ হচ্ছে পেনশন, বাড়ছে বিভিন্ন ভাতা

রামিসা হত্যা মামলা / মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামির জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট

বেদে পল্লীতে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে মাদক ব্যবসায়ীর রাজকীয় জীবনযাপন

উদ্বোধনী ম্যাচে ড্র, ব্রাজিলের জন্য বড় অশনি সংকেত!

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ পরিদর্শক প্রত্যাহার

প্রাথমিকের পরীক্ষায় ফি নির্ধারণ

১০

নোয়াখালীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দিল ছাত্রলীগ

১১

নেইমারের সেই জার্সি পরেই মাঠে ছিলেন সাকিব

১২

নলকূপ বসাতে গিয়ে ২ শ্রমিকের মৃত্যু

১৩

মমেক হাসপাতালে হাম ও হাম উপসর্গে শিশু মৃত্যু বেড়ে ৫১

১৪

সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত

১৫

একাই লড়েছেন ভিনিসিয়ুস / মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের অধিকাংশই ছিলেন নিষ্প্রভ

১৬

স্বর্ণ ও রুপার আজকের বাজারদর

১৭

কেনেডি সেন্টার থেকে সরানো হলো ট্রাম্পের নাম

১৮

৩৬ বছরের আক্ষেপ মোচন / বিশ্বমঞ্চে জয়ের হাসি ফিরল স্কটল্যান্ডের মুখে

১৯

জাবির বাসে নারী শিক্ষার্থীকে হেনস্থা, ছাত্র বহিষ্কার

২০
X