কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:২৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ৪৬ হাজার ৬০০

চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মধ্যে ইসরায়েলের বিমান হামলায় আরও ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মধ্যে ইসরায়েলের বিমান হামলায় আরও ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত

কাতারে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোচনা চলাকালেও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলায় আরও ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।এতে অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ৬০০-এ পৌঁছেছে। হামলায় আহত হয়েছেন আরও লাখো ফিলিস্তিনি।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১৯ জন নিহত এবং ৭১ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন, যার ফলে উদ্ধার কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গাজা উপত্যকায় ধ্বংস হওয়া বাড়ির নিচে এখনও ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তাব দিলেও, ইসরায়েল তার আক্রমণ থামায়নি।

৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালাচ্ছে। এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ এবং হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ইসরায়েলি আক্রমণে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর ছেড়েছে।

জাতিসংঘের মতে, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খাদ্য, পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকট রয়েছে এবং অবকাঠামোর ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

এদিকে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে এক চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করেছেন মধ্যস্থতাকারীরা। এই খসড়াটি ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস উভয়ের প্রতিনিধিদের হাতে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ জানুয়ারি) মধ্যরাতে কাতারের রাজধানী দোহারে এ আলোচনায় একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোর পর চূড়ান্ত খসড়াটি প্রস্তুত করা হয়। খবর রয়টার্স।

যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত খসড়া হওয়ার পর এখন আগামী দিনগুলো যুদ্ধবিরতি চুক্তি সুষ্ঠুভাবে করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নিজ দলের প্রার্থীকেই অবাঞ্ছিত ঘোষণা গণঅধিকারের নেতাকর্মীদের

লক্ষ্মীপুরে যাচ্ছেন জামায়াত আমির

বিয়ের আগে যে ৭ প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি

প্রতিটি মুসলিম যেন এই অনুভূতি পায় : মারিয়া মিম

রমজানে বিনামূল্যে ইফতার পাবেন ১২ লাখ মানুষ

মুক্তিযোদ্ধা চাচাকে বাবা বানিয়ে চাকরি, কারাগারে জেষ্ঠ্য সহকারী সচিব

বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকে শোকজ

ইরানে মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে একজনের মৃত্যদণ্ড কার্যকর

সাত সাগর আর তেরো নদী পাড়ি দিয়ে মুখোমুখি জায়েদ-তানিয়া

দেশে ফিরতে চান সালাউদ্দিন

১০

ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হলেন হাবিব ওয়াহিদ

১১

সবচেয়ে দুর্বল লিগের তকমা পেল বিপিএল

১২

অতীতের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন রাভিনা

১৩

জুলাই আন্দোলনকারীরাই একদিন বিশ্বে নেতৃত্ব দেবে : প্রধান উপদেষ্টা

১৪

১২ ফেব্রুয়ারি ধানের শীষের ভূমিধস বিজয় হবে : সালাহউদ্দিন আহমদ 

১৫

২৫ বছরের কৃষি পরিকল্পনা ঠিক করেছে সরকার

১৬

ট্রাম্পের সমালোচনা করতে গিয়ে হামলার শিকার কংগ্রেসের মুসলিম নারী সদস্য

১৭

ঘুমের মধ্যে পায়ের রগে টান লাগলে যে দোয়া পড়বেন

১৮

অস্ত্রোপচারের পর রোগীর মৃত্যু

১৯

৪ বছর পর চেয়ারম্যান হিসেবে ফিরলেন জামায়াত নেতা

২০
X