সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:২৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের হামলায় গাজায় নিহত বেড়ে ৪৬ হাজার ৬০০

চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মধ্যে ইসরায়েলের বিমান হামলায় আরও ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত
চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মধ্যে ইসরায়েলের বিমান হামলায় আরও ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত

কাতারে যুদ্ধবিরতি চুক্তির আলোচনা চলাকালেও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলায় আরও ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।এতে অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া হামলায় নিহতের সংখ্যা প্রায় ৪৬ হাজার ৬০০-এ পৌঁছেছে। হামলায় আহত হয়েছেন আরও লাখো ফিলিস্তিনি।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১৯ জন নিহত এবং ৭১ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন, যার ফলে উদ্ধার কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, গাজা উপত্যকায় ধ্বংস হওয়া বাড়ির নিচে এখনও ১০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ যুদ্ধবিরতির জন্য প্রস্তাব দিলেও, ইসরায়েল তার আক্রমণ থামায়নি।

৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালাচ্ছে। এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ এবং হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। ইসরায়েলি আক্রমণে প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘর ছেড়েছে।

জাতিসংঘের মতে, গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। খাদ্য, পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকট রয়েছে এবং অবকাঠামোর ৬০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলি আক্রমণ গাজাকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে এবং আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।

এদিকে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে এক চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করেছেন মধ্যস্থতাকারীরা। এই খসড়াটি ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস উভয়ের প্রতিনিধিদের হাতে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ জানুয়ারি) মধ্যরাতে কাতারের রাজধানী দোহারে এ আলোচনায় একটি ঐকমত্যে পৌঁছানোর পর চূড়ান্ত খসড়াটি প্রস্তুত করা হয়। খবর রয়টার্স।

যুদ্ধবিরতির চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত খসড়া হওয়ার পর এখন আগামী দিনগুলো যুদ্ধবিরতি চুক্তি সুষ্ঠুভাবে করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তসলিমা নাসরিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

তারেক রহমানের সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সাক্ষাৎ

২১ জানুয়ারির মধ্যেই ঠিক হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য

এশিয়ান টিভির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম

নাহিদ ইসলাম ও নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর শোকজের জবাব দিল এনসিপি

তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম : নোমান

৩৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের ‘ভারত’ জয়

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত

১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি

১০

রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার অগ্নিকাণ্ড ষড়যন্ত্র উন্মোচনে পুরস্কৃত পুলিশ কর্মকর্তারা

১১

বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে : ডা. শাহাদাত

১২

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ৭ দফা নির্দেশনা বিএনপির

১৩

ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র পথ : ইশরাক হোসেন

১৪

পুরস্কার ভাগাভাগি নিয়ে মাচাদোকে নোবেল ফাউন্ডেশনের বার্তা

১৫

নারী ক্ষমতায়িত হলে জাতির ভবিষ্যৎ বদলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : জাইমা রহমান

১৬

জম্মু কাশ্মীরে গোলাগুলি, ভারতের ৭ সেনা আহত

১৭

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে শোকজ, ইসির কড়া বার্তা

১৮

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে কঠিন সিদ্ধান্ত জানাল পাকিস্তান

১৯

মধ্যপ্রাচ্যের এক ঘাঁটি থেকে সম্পূর্ণরূপে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

২০
X