কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:৫৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

যুদ্ধ থামল গাজায়, ক্ষণিকের স্বস্তিতে ফিলিস্তিনিরা

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি : সংগৃহীত
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি : সংগৃহীত

অবশেষে গাজায় থামল গুলি-বোমা-কামানের শব্দ। বন্ধ হলো বোমা হামলা, যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের ওড়াউড়ি। কাতারের মধ্যস্থতায় চার দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতেই প্রথমবারের মতো স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন ফিলিস্তিনিরা। যদিও তা ক্ষণিকের জন্যই।

আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা থেকে ইসরায়েল ও হামাসের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে আগামী চার দিন। এই চার দিনে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে ইসরায়েল। আর বিনিময়ে গাজায় জিম্মি ৫০ বন্দিকে মুক্তি দেবে হামাস।

শুক্রবার বিকেল নাগাদ প্রথম দফার বন্দিবিনিময় হতে পারে। প্রথম দফায় ৩৯ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে ১৩ ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেবে হামাস।

টানা সাত সপ্তাহের ইসরায়েলি বোমাবষর্ণের পর প্রথমবারের মতো যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেন ফিলিস্তিনিরা। প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি বোমা থেকে নিরাপদ বোধ করছেন তারা।

দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহর থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক তারেক আবু আজউম জানিয়েছেন, আজকেই আমরা প্রথমবারের মতো মাথার ওপর ইসরায়েলি ড্রোন উড়ার শব্দ শুনতে পাইনি। স্থানীয় মানুষজনের প্রত্যাশা, স্বল্পমেয়াদি এই যুদ্ধবিরতির পথ ধরেই গাজায় দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধবিরতি আসবে।

যুদ্ধ থামার সাথে সাথেই হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি তাদের বাড়িঘরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। লক্ষ্য একটাই—ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি এক নজর দেখার সঙ্গে সঙ্গে প্রিয়জনদের খোঁজ-খবর নেওয়া।

এক ফিলিস্তিনি বলেছেন, আমি বাড়ি যেতে চাই। আমার বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেলেও আমি সেখানে থাকতে চাই। আমি সেখানে মরতে চাই।

আরেকজন নারী বলেছেন, আমি দোয়া করি যেন যুদ্ধবিরতির এসব দিন আরও দীর্ঘ হয়। যেন এক বা দুই দিনের মধ্যে শেষ না হয়ে যায়।

শুধু তাই নয়, যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে অতি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেবে ইসরায়েল। গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে রেখেছে ইসরায়েলি সেনারা। এর অংশ হিসেবে সেখানে খাবার, পানি, গ্যাস, জ্বালানি, ওষুধ কোনো কিছুই ঢুকতে দেয়নি তারা।

তবে শুক্রবার মিসর জানিয়েছে, গাজায় প্রতিদিন এক লাখ ৩০ হাজার লিটার ডিজেল ও চারটি ট্যাংকার গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সব মিলিয়ে গাজায় প্রতিদিন ২০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশ করবে। এরই মধ্যে রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং দিয়ে গাজায় ডিজেল ও গ্যাস নিয়ে ট্যাংকার প্রবেশ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন আলজাজিরার সাংবাদিক ইউমনা এলসাইদ। বিকেল নাগাদ আরও ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করবে বলে জানিয়েছে কাতার।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিসিপিএসের সভাপতি হলেন ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি আরইউজের

ট্রাম্পের আবদারে নিয়ম পরিবর্তন করতে যাচ্ছে ফিফা!

প্রথম ম্যাচের আগে ইনস্টাগ্রামে মহাতারকা মেসির পোস্ট

প্রেক্ষাগৃহে ফিরছে শাকিবের 'বরবাদ' ও 'তাণ্ডব'

ভাগ্নের সঙ্গে পালালেন মামি, প্রবাসীর আত্মহত্যা 

যুবলীগ নেতাকে মারধর করে পুলিশে দিলেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা

দেশি-বিদেশি মদদে জুলাই বিপ্লবীদের হেনস্থা করা হচ্ছে : নাহিদ

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না : ট্রাম্প

বিশ্বকাপে রেফারিদের বেতন কত?

১০

প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বন্ধ থাকবে চা বাগান

১১

মেসির আর্জেন্টিনাকে নিয়ে মুশফিকের পোস্ট ভাইরাল

১২

জন্মদিন উদযাপনের ঘণ্টাখানেক পরই অভিনেত্রীর মৃত্যু

১৩

পর্দা নিয়ে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের অধিকার কারও নেই : আহমদ আবদুল কাইয়ূম

১৪

নতুন ডিজি পেল জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর

১৫

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে শুদ্ধি অভিযান শুরু

১৬

পাঁচ কিংবদন্তির স্মৃতির আসর

১৭

১০ বছরের শিশু অন্তঃসত্ত্বা, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

১৮

আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের সংঘর্ষ

১৯

খিলগাঁওয়ে উচ্ছেদ অভিযানে ৪ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

২০
X