রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৪, ১১:০৯ এএম
আপডেট : ২৬ মে ২০২৪, ১১:৩৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় যোদ্ধাদের হাতে গ্রেপ্তার ইসরায়েলি সেনা

গাজায় ইসরায়েলি সেনা। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি সেনা। ছবি : সংগৃহীত

গাজায় অভিযান যত তীব্র হচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণও সমান তালে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এর মধ্যেই স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের কাছ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেয়েছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। উত্তর গাজা থেকে হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার দাবি করলেও সেই উত্তর গাজার জাবালিয়াতে প্রতিরোধ সংগঠনটির কাছে এত বড় একটি পরাজয় মানতেই পারছে না নেতানিয়াহুর সেনারা।

হামাসের সামরিক শাখা আল কাসসাম ব্রিগেডের ‍মুখপাত্র আবু উবায়দা জানান, শনিবার উত্তর গাজার জাবালিয়াতে এক সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনাকে আটক করে কাসসাম ব্রিগেডের যোদ্ধারা। এ সময় ঠিক কতজন ইসরায়েলি সেনাকে আটক করা হয়েছে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি তিনি।

কাসসাম ব্রিগেডের নিজস্ব টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপলোড করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, গাজার একটি টানেলের ভেতর যোদ্ধারা এক ইসরায়েলি সেনাকে আহত অবস্থায় টেনে নিয়ে যাচ্ছে। এ সময় ভিডিওতে বন্দি ইসরায়েলি সেনাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র ও নিরাপত্তাসামগ্রীর ছবি দেখানো হয়। এতে ধারণা করা হচ্ছে কমপক্ষে তিন সেনাকে আটক করেছে কাসসাম ব্রিগেডের যোদ্ধারা।

আবু উবায়দা জানান, হামাস যোদ্ধারা ইহুদিবাদী সেনাদলের সঙ্গে একটি টানেলের ভিতর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ইসারায়েলি সেনাদলের সব সদস্য নিহত, আহত ও বন্দি হয় বলে জানান তিনি। তবে হামাসের এমন দাবি সম্পূর্ণরুপে অস্বীকার করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। এক বিবৃতিতে ইসারয়েলি সেনাবাহিনী জানায়, সেনা অপহরণের কোনো ঘটনাই ঘটেনি।

এখন পর্যন্ত গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় নিহত হয়েছে অন্তত ৩৬ হাজার নিরীহ ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছে ৮০ হাজারের বেশি মানুষ। এদিকে হামাস নেতা ওসামা হামাদান জানান, ইসরায়েলের সঙ্গে সমঝোতার ক্ষেত্রে নতুন করে আর কোনো আলোচনা হবে না। এ ধরনের আলোচনা বরং ইসরায়েলকে গাজায় আরও বেশি হামলার সুযোগ করে দেওয়া।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১০

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১১

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১২

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৩

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৪

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৫

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

১৬

গুম হওয়া বাবার স্মৃতিচারণ করে শিশুর আর্তনাদ, কাঁদলেন তারেক রহমান

১৭

বিক্ষোভে ‘হাজারো হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত : খামেনি

১৮

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস

১৯

সন্দ্বীপেরই অংশ ভাসানচর

২০
X