গওহার নঈম ওয়ারা
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৪, ০২:৪৩ এএম
আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৪, ০৯:১৩ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

সাপ শুধু গরিবদেরই কামড়ায়!

সাপ শুধু গরিবদেরই কামড়ায়!

মাঝেমধ্যে গরিবের দুয়েকটা বিষয় বড়দের নজরে চলে আসে। তুমুল তর্ক-বিতর্ক হয়। আজকাল সামাজিক মাধ্যমগুলো বাতলে দিচ্ছে কোন ইস্যুতে আমাদের মাততে হবে। দিনকে দিন খবরের সূত্রের জন্য গণমাধ্যম যতই সামাজিকমাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল হয়ে উঠছে, ততই অপ্রচলিত নানান বিষয়ে পাত্তা না দেওয়াটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। বলতে গেলে সামাজিকমাধ্যমই এখন এজেন্ডা ঠিক করছে। তারাই এখন চালকের আসনে। সেই সূত্র ধরে এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের মতোই অল্পে সন্তুষ্ট, অলস এবং নিতান্তই ঘুমপছন্দ চন্দ্রবোড়া আমাদের ঘুম হারাম করে দিয়েছে। দেশের একজন শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক নেতা প্রকাশ্যে বলেছেন, ‘আমার ওয়াইফ আমাকে বলে বাথরুম ভালো করে দেখে নিতে। ওদিক দিয়ে নাকি সাপ ওঠে।’ দুষ্টলোকেরা নিশ্চিত, এখন প্রতিরাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে তাকে ‘স্নেক চেক’ করতে হয়।

সংসদ থেকে জনসভা সর্বত্র এখন রাসেলস ভাইপার বা চন্দ্রবোড়ার রেফারেন্স। প্রান্তিক মানুষদের মধ্যে আশা জেগেছিল সাপের কামড়ে এখন আর বেঘোরে মরতে হবে না। সঠিক চিকিৎসার দরজাগুলো খুলে যাবে। বিষয়টি নিয়ে জাতি যে খুব চিন্তিত তার প্রমাণ খাড়া করার জন্য ওয়ার্কশপ সেমিনার চলছে এদিক-সেদিক। ঢাকায় এমন এক সভায় একজন উপাচার্য বলে বসেছেন, ‘কপালে যদি সাপের কামড় থাকে, কাটবেই। এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।’ এটা মুখ ফসকে বেরিয়ে যাওয়া কোনো উক্তি নয়। মনের গভীর বিশ্বাস থেকেই এরকম মন্তব্য আনুষ্ঠানিক ফোরামে উচ্চারিত হতে পারে। সাধারণ মানুষের প্রতি অবজ্ঞা আর অবহেলার এরকম অনেক নজির আছে। এরকম মন্তব্যের হেতু কী? সে প্রশ্ন করার কেউ নেই।

এ কথা ঠিক, সাপ মাঠেঘাটে থাকে আর সেখান থেকে খুদ-কুড়ো সংগ্রহ করতে যাওয়া গরিব মানুষদের সঙ্গেই শুধু তার দেখা-সাক্ষাৎ হয়। কামড়ালে তাকেই কামড়ায়। মরলে সে-ই মরে। আবার কখনো সাপও মরে।

নীতিনির্ধারকদের আলোচনায় যে বিষয়গুলোর উত্তর/জবাব পাওয়া জরুরি: সাপে কাটার ওষুধ যখন পর্যাপ্ত তখন রোগী মরছে কেন?

বলা হচ্ছে, হাসপাতালে ভর্তির পর মারা যায় ‘মাত্র’ ৩০ ভাগ। যারা মারা যাচ্ছে তারা কি দেরিতে আসার জন্য মারা যাচ্ছে?

না ওষুধের অকার্যকারিতার কারণে অথবা

দক্ষ চিকিৎসাকর্মীর অভাবে মারা যাচ্ছে?

সারা দুনিয়া বিষধর দংশনের ক্ষেত্রে গোল্ডেন হান্ড্রেড বা সোনালি একশ (কামড়ের একশ মিনিটের মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ১০০ সিসি অ্যান্টিভেনম দিতে হবে) সূত্রের কথা বলা হলেও, সরকারি ওয়েবসাইটে অন্য ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে। নিজেদের সাফল্য তুলে ধরতে গিয়ে দেখানো হয়েছে ২৫ ঘণ্টা পর চিকিৎসা শুরু করলেও কাজ হয়। চিকিৎসা শুরুর ২০ মিনিট পর থেকে রোগী স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে শুরু করেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ২০২২ সালের এ ঘটনা নিয়ে ‘গল্প হলেও সত্যি’ টাইপের প্রচারণা কি আদৌ কোনো দিশা দেবে নাকি বেদিশা করবে চিকিৎসক আর চিকিৎসাকর্মীদের? বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ঢোল পেটানো বিজ্ঞাপন মার্কা প্রচার মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

সব কামড় কি প্রাণঘাতী? গুণিন ওঝা সাপুড়ে সবাই জানেন এ দেশের বেশিরভাগ সাপই নির্বিষ। তাদের কামড়ে মানুষ মরে না। একজন বন্যপ্রাণী বিশারদের তথ্য অনুসারে, ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই বিষহীন সাপ কামড় দেয়। বাংলাদেশে মানুষ মারার মতো বিষধর মাত্র ছয় প্রজাতির স্থলচর বিষাক্ত সাপ আছে। আক্রান্ত হলে বা ভয় পেলেই শুধু এরা কামড়ে থাকে। কিছু মাঝারি বিষাক্ত সাপ আছে যাদের বিষ মৃত্যুর জন্য যথেষ্ট নয়। অবশ্য এর বাইরেও কয়েকটি বিষধর সাপ আছে, যেগুলো অতি অতি দুর্লভ। তবে মনে রাখতে হবে, বিষধর সাপও সবসময় বিষ ঢালে না। যাকে ড্রাই বাইট বলে। একবার এক নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি জানান, বাগানে পাতা কুড়ানোর সময় তাকে ফণা ধরা সাপ কামড়িয়েছে। অনেক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও চিকিৎসকরা তার শরীরে বিষের কোনো লক্ষণ দেখতে পাননি। অনেক সময় বিষধর সাপ অল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় ব্যক্তিকে কামড়ালে সেটা প্রাণঘাতী নাও হতে পারে। সাপের বিষ থলিতে জমা হতে কিছুটা সময় লাগে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একবার কামড়ের পর আবার বিষে বলশালী হতে একটা সাপের কতদিন সময় লাগবে সেটা নির্ভর করে সাপের প্রজাতি, তার আকার, বয়স এবং স্বাস্থ্যের ওপর। বিষের জোগান পুনরায় পূরণ করতে সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আক্রান্ত ব্যক্তিটি হয় কোনো নির্বিষ সাপ অথবা বিষাক্ত সাপের ড্রাই বাইট হতে পারে। একজন চিকিৎসক তার অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে বলেছেন, ‘আমি দুই বছর ধরে হাসপাতালে সাপে কাটার রোগী পাচ্ছি। বর্ষাকালে প্রায় প্রতিদিন দুই-একটা করে রোগী আসে। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র একজনের বিষাক্ত সাপ কামড়ের লক্ষণ পাওয়া গেছে।

দেশে ওষুধের ঘাটতি নেই কিন্তু গরিব ইসমাইলরা মরছেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে জেলার সিভিল সার্জন পর্যন্ত সবাই একবাক্যে বলছেন, দেশে হাসপাতালে যথেষ্ট অ্যান্টিভেনম মজুত আছে। কিন্তু সাধারণ মানুষ উপজেলায় চিকিৎসা পাচ্ছে না। তাদের জেলা হাসপাতাল বা কাছের কোনো সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়ার একটা ঝোঁক আছে। কোনো ঝুঁকি এড়াতে তাদের এ ঝোঁক? গত ২৭ জুন বৃহস্পতিবার রাতে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহা ভিকারী গ্রামে ওই কৃষক ইসমাইলকে সাপে কাটে। রাতেই তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। ইসমাইলের ছেলে শাহীনের অভিযোগ, সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা কোনো চিকিৎসা না দিয়ে তার বাবাকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু ফেনী নেওয়ার পথে তার বাবা মারা যান। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম মজুত থাকার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা। তাহলে সেটা ব্যবহার করা হলো না কেন? ইসমাইল গরিব বলে? অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের দক্ষ ব্যক্তি না থাকার কারণে? নাকি ওষুধ কাজির গরুর মতো খাতায় থাকলেও গোয়ালে ছিল না। অথবা ওয়েবসাইটে রক্ষিত সাফল্যের বয়ানের আসর। সেই বয়ানে বলা হয়েছে—‘অ্যান্টিভেনম এর চিকিৎসা একটি জটিল চিকিৎসা এবং এর জন্য আইসিইউ ব্যবস্থা থাকা খুবই জরুরি,…’ । এ কথা ঠিক হলে আইসিইউহীন হাসপাতালগুলো কেন অ্যান্টিভেনম এস্তেমাল করবে?

অ্যান্টিভেনম ‘থাকার’ পরও রোগী ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনা আরও আছে। বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আমিন আল রশিদ জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অফুরান মজুতের ঘোষণা দেওয়ার দুদিন পর ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ার আমুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যান্টিভেনম থাকার পরও প্রয়োগ না করায় একজনের মৃত্যুর কথা। জানিয়েছেন তার এক আত্মীয়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর। এ মৃত্যুতে মা-হারা হয়েছেনদুটি শিশু।

বারবার বলা হচ্ছে, রাসেলস ভাইপার নিয়ে আতঙ্ক দেখা দেওয়ার পর সব হাসপাতালের সব চিকিৎসক, নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সাপে কাটা রোগীকে প্রতিষেধক (অ্যান্টিভেনম) প্রয়োগের বিষয়ে প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। কথিত অনলাইনে দেওয়া এসব প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা কি কেউ মনিটরিং করছেন? নাকি গরিবের সমস্যা বলে সেখানেও চলছে অবহেলা।

লেখক গবেষক আলতাফ পারভেজ তার ফেসবুকে লিখেছেন—“গরিব মানুষের মৃত্যু মানেই স্রেফ একটা সংখ্যা। সুতরাং রাসেলস ভাইপার ইস্যুও জানিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের ‘উন্নয়ন’ গরিব মানুষের অনেক সাধারণ ভয়ভীতির জায়গাও দূর করতে পারেনি।”

কিছু কি করার আছে: সাইনবোর্ড কেন্দ্র বলছে, অ্যান্টিভেনম সব জায়গায় আছে। লাগলে আরও দেব। এরই মধ্যে রাজশাহীতে সাপে কাটা রোগীর জন্য ১৮০ ভয়েল অ্যান্টিভেনমের বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন অফিসের মাধ্যমে সদর ছাড়া জেলার প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০টি করে ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরবরাহ করা হবে। কিন্তু মাঠ বলছে নেই। এ বিভ্রান্তি থেকে মানুষকে মুক্তি দেওয়ার জন্য যে হাসপাতালে অ্যান্টিভেনম আছে সেখানে একটা সাপের ছবি টানিয়ে দেওয়া যায়। টিকা কেন্দ্রে যেমন থাকে ‘মণি’র ছবি। প্রতিটি হাসপাতালে দৃশ্যমান জায়গায় অ্যান্টিভেনমের প্রাপ্যতার কথা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম ফোন নম্বর লিখে রাখতে বাধা কোথায়?

স্বেচ্ছাসেবক অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যথাস্থানে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সঠিক উপায়ে ৯০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছানো একটা বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে মারুফের পথ আমরা অনুসরণ করে উপজেলা ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবকদের কাজে লাগাতে পারি। ঝিনাইদহে সাপে কাটা রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান আবদুল্লাহ মারুফ। ঝিনাইদহ সদর, হরিণাকুণ্ডুসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলায় মারুফ এতটাই জনপ্রিয় যে, কাউকে সাপে কাটলেই সঙ্গে সঙ্গে তার কাছে ফোন আসে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ এলাকার অনেকের কাছেই তার মোবাইল ফোন নম্বর আছে। খবর পাওয়ামাত্র মোটরসাইকেলে ছুটে আসেন মারুফ। নেহাত কিছু না পেলে নিজের মোটরসাইকেলে বসিয়েই রোগীদের হাসপাতালে নেন। রোগীর কাছে ছোটাছুটিতে যে খরচা, সেটা তিনি নিজেই বহন করেন। তবে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খরচ রোগীর স্বজনরা দেন।

জনপ্রতিনিধিরা ইচ্ছা করলেই মারুফ মডেল অনুসরণ করতে পারেন। হাজার হোক তাদের ‘হুন্ডা বাহিনী’ সবসময় দরজার কাছেই প্রস্তুত থাকে। সমাজের কাজ করতে পারলে তারা খুশিই হবে। এ কাজে ফায়ার ব্রিগেডের কর্মীদেরও নিযুক্ত করা যেতে পারে।

বেসরকারি মেডিকেল: সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা দিতে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও বিশেষ করে যারা মেডিকেল শিক্ষা দিচ্ছেন, তাদের উদ্বুদ্ধ/বাধ্য করতে হবে। এখন অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলে মেডিকেল কলেজের প্রসার ঘটেছে, ব্যবসা জমজমাট। তাদের এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের শিক্ষার্থী ছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার নানা দেশ থেকে বিদেশি ছাত্রছাত্রীরা আসছে, তারাও জানতে চায় সাপে কাটার চিকিৎসা পদ্ধতি।

দক্ষতা: আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীদের ভিড় সামলানোর ক্ষেত্রে আলাদা করে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসার জন্য ইনজেকশন পুশ করার দক্ষতার সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু দক্ষতার প্রয়োজন হয়। এক গরিব অসহায় মানুষের সঙ্গে কথা বলা তাকে জাগিয়ে রাখা অন্য স্নায়ুর কাজ। এটা শিখতে হয়। কেউ পারে, কেউ পারে না। পারেদের বাছাই করে চিকিৎসা টিম গড়ে তুলতে হবে হাসপাতালে হাসপাতালে।

লেখক: গবেষক

[email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

পিরোজপুরে ছেলের হাতে মা খুন

বগুড়ায় প্রাইভেটকার-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

মাদকের ২ হাজার টাকার জন্য শিশু অপহরণ, গ্রেপ্তার ৪

কর্ণফুলী পেপার মিলসে আগুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফুটবল খেলা নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ

মেসির সাথে আলোচিত সেই ছবি নিয়ে যা বললেন ইয়ামাল

উয়েফার নতুন ক্লাব র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ, শীর্ষে কোন ক্লাব?

সকাল ৯টার মধ্যে ঝড় শুরু হতে পারে রাজধানীসহ যেসব অঞ্চলে

কোটা ইস্যুতে শাহবাগে এবার পাল্টা কর্মসূচি

নেস্তোর লরেঞ্জো, আর্জেন্টাইনদের প্রিয় শত্রু

১০

রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত

১১

হঠাৎ চাকরি ছাড়লেন ৬ বিসিএস ক্যাডার

১২

চ্যানেল২৪’র অনুসন্ধান / ৪৬তম বিসিএসের প্রিলির প্রশ্নও ফাঁস হয়েছিল

১৩

গর্ভবতী ও নবজাতক মায়েদের জন্য টগুমগু

১৪

এবার জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেল গোপালগঞ্জের গয়না

১৫

কোটা সংস্কার আন্দোলন / রাজশাহীতে ৪ ঘণ্টা পর সারাদেশের রেল যোগাযোগ সচল

১৬

ফুটবল টুর্নামেন্টে সংঘর্ষ, আহত ২

১৭

কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জাবিতে মশাল মিছিল

১৮

মানিকগঞ্জে বাসচাপায় পথচারী নিহত

১৯

টেঁটার ফলায় বিদ্ধ রকিবের আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন

২০
X