কোটা আন্দোলন নিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় হবিগঞ্জে ৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জিকে গউছসহ ১২শ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়। এ মামলায় শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ফরিদ আহমেদ অলিসহ ৩৭ বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ জুলাই) সকাল পর্যন্ত ৩৭ জনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ওসি রফিকুল ইসলাম।
তিনি জানান, পুলিশের সঙ্গে কোটা আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর, শায়েস্তাগঞ্জ, লাখাই, আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং, বাহুবল ও নবীগঞ্জ থানায় মামলা করা হয়েছে।
হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক মহসিন আহমেদ জানান, আমাদের কোন কর্মসূচি ছিল না। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমাদের নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে জামায়াতকে শেষ করার জন্য পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। জামায়াত সহিংসতায় বিশ্বাসী নয়।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসিম জানান, কোটা আন্দোলন করেছে ছাত্ররা আর আসামি করা হয়েছে বিএনপি নেতাকর্মীদের। মুলত হয়রানি করার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। বিএনপির অনেক নেতাকর্মীদের বিনা কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার আক্তার হোসেন কালবেলাকে জানান, সংঘর্ষের সময় ভিডিও ফুটেজ দেখে আসামিদের শনাক্ত করা হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
মন্তব্য করুন