কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৬ এএম
আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৫, ১০:৩৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের বিরুদ্ধে রিভিউ শুনানি শুরু

সুপ্রিম কোর্ট। ছবি : সংগৃহীত
সুপ্রিম কোর্ট। ছবি : সংগৃহীত

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে করা রিভিউ আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির শুনানি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকালে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রিভিউ শুনানি দ্রুত শেষ করার আবেদন জানান আইনজীবী শিশির মনির। এ বিষয়ে ২৬ আগস্ট শুনানির তারিখ ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

এদিন শিশির মনির আদালতে বলেন, সামনে বড় ছুটি শুরু হবে। তবে একটি বিষয়ে সমাধান জরুরি—তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রিভিউ শুনানি এখনো শেষ হয়নি। তালিকায় এলেও শুনানি হয়নি।

জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা তো সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে পারি, তবে শুনানি শেষ করতে পারব কি না নিশ্চিত নই। এ সময় শিশির মনির বলেন, মাই লর্ড, এই তারিখ নির্ধারণ করলেই আপাতত কিছুটা সমাধান হবে। পরে আদালত আগামী ২৬ আগস্ট শুনানির দিন নির্ধারণ করেন।

২০১১ সালের ১০ মে আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী, অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে রায় দেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল মঞ্জুর করেই এ রায় ঘোষণা করা হয়। পরে গত বছরের অক্টোবরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে আবেদন করেন।

এর আগে সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন। অন্য চারজন হলেন—তোফায়েল আহমেদ, এম হাফিজউদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া ও জাহরা রহমান। এ ছাড়া গত বছরের ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ারও আপিল বিভাগের ওই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করেন।

১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম সলিমউল্লাহসহ কয়েকজন ১৯৯৮ সালে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল জারি করে। পরে বিশেষ বেঞ্চে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট রায় ঘোষণা করা হয়। সেই রায়ে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে বলা হয়, ১৯৯৬ সালের এই সংশোধনী সংবিধানসম্মত। পাশাপাশি ওই রায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি আপিল করার অনুমতিও দেওয়া হয়।

২০০৮ সালে বাংলাদেশে সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে। সেই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন জিতে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। তবে ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গাজীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র মারা গেছেন

ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে বোর্ড পরিচালক হলেন যারা

গান শোনাতে ঢাকা আসছেন অনুপম রায়

সংসদে সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা / ‘হাসপাতাল নিজেই আইসিইউতে চলে গেছে’

ইউরোপের অভিবাসন নীতির সমালোচনা করলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে সাঈদ ইব্রাহিম

প্রেম ভাঙেনি, বরং বিয়ের পথে সজল আলি ও হামজা সোহেল

শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ না করেই কারখানা বন্ধের অভিযোগ

১৯ মে থেকে ৭ জুন : রামিসার জন্য বিচার প্রক্রিয়া যেভাবে এগিয়েছে

১০০ দিনের যুদ্ধ : টিকে থাকাই কি ইরানের বিজয়?

১০

পোপ লিওর উন্মুক্ত প্রার্থনায় মাদ্রিদের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল

১১

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ চায় নেজামে ইসলাম

১২

এক বছরেই উধাও সাড়ে ৪ হাজার ডাস্টবিন

১৩

মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন নিয়ে বিস্ফোরক তনয় শাস্ত্রী

১৪

প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফর ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি

১৫

সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক হলেন তামিম

১৬

বিএমডিএর ৮৬তম পরিচালনা বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

১৭

বিশ্বকাপে ব্রাজিলের তুরুপের তাস হতে পারেন এন্দ্রিক

১৮

মোজতবা খামেনির জন্য ‘বিশেষ চিঠি’ নিয়ে ইরানে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৯

যে কারণে চুক্তির দ্বারপ্রান্তে গিয়েও বারবার ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

২০
X