বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:১১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নাক-ঠোঁট নিয়ে কটু মন্তব্যে ভেঙে পড়েছিলেন মাধুরী

মাধুরী দীক্ষিত । ছবি: সংগৃহীত
মাধুরী দীক্ষিত । ছবি: সংগৃহীত

বলিউড থেকে শুরু করে টালিউড—বর্তমানে নায়িকাদের সৌন্দর্য চর্চায় ‘ফিলার্স’, ‘নোজ জব’ কিংবা ‘লিপ জব’ যেন ডালভাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক অভিনেত্রীই এখন প্রকাশ্যে এসব অস্ত্রোপচারের কথা স্বীকার করেন। তবে নব্বইয়ের দশকের সুপারস্টার মাধুরী দীক্ষিতের মত, কৃত্রিম সৌন্দর্যের চেয়ে নিজেকে যেমন আছে তেমনভাবে গ্রহণ করাটাই আসল। সম্প্রতি তিনি শেয়ার করেছেন তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা।

ব্লকবাস্টার হিট ‘তেজাব’ মুক্তির আগে নিজের রূপ নিয়ে চরম সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল মাধুরীকে। বিশেষ করে তার নাক ও ঠোঁটের গড়ন নিয়ে শুনতে হয়েছিল কটু কথা।

‘নাকটা ঠিক করো, ঠোঁটটা ঠিক নয়’ ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে মাধুরী বলেন, “তখন সদ্য অভিনয় জীবনে পা রেখেছি। অনেকেই আমাকে মুখের ওপর বলতেন, ‘নাকটা ঠিক করো। ঠোঁটটা ঠিক নয় তোমার’। সবার এসব কথা শুনে আমি খুব নিরাশ হয়ে পড়তাম, মন খারাপ হয়ে যেত।”

মায়ের সেই জাদুকরী পরামর্শ মানুষের কথায় যখন মাধুরীর আত্মবিশ্বাস তলানিতে, তখন ত্রাতা হয়ে আসেন তার মা। মাধুরী বলেন, “মা আমাকে একটা পরামর্শ দিয়েছিলেন, যা আমি এখনও মনে রেখেছি। মা বলেছিলেন, ‘একটা ছবি হিট হয়ে গেলে আর কেউ তোমার গড়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলবে না, কথা বলবে না’।”

বাস্তবেও তাই হয়েছিল। ‘তেজাব’ ছবিটি মুক্তি পাওয়ার পর বক্স অফিসে ঝড় তোলে। মাধুরীর অভিনয় আর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয় দর্শক। এরপর আর কখনোই তাকে নিজের চেহারা নিয়ে কোনো নেতিবাচক কথা শুনতে হয়নি।

নতুন প্রজন্মের প্রতি বার্তা বর্তমান সময়ের অভিনেত্রীরা যখন নিজেকে ‘নিখুঁত’ করতে ছোটেন প্লাস্টিক সার্জনের কাছে, তখন মাধুরী তাদের দিচ্ছেন ভিন্ন পরামর্শ। তার মতে, ‘ভালো কাজ করলে সব চাপা পড়ে যায়। আর যদি দেখতে অন্যরকম হয়, সেটাই তো নতুনত্ব। নিজের সেই নতুনত্ব বা স্বকীয়তা কখনোই নষ্ট করা উচিত নয়।’

কালবেলা/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এবার ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ককরোচ পার্টির

অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জামায়াত নেতার পদত্যাগ

বোয়েসেলের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হলেন রাশেদুল হক

ইয়েমেনের বিদ্রোহীদের সহায়তায় সেনা ও ক্ষেপণাস্ত্র পাঠিয়েছে ইরান

কাঁচা মরিচের ঝাঁজে অস্থির বাজার, সবজির দামে সেঞ্চুরি

নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা

বন্যা মোকাবিলায় নির্ভুল পূর্বাভাস ও পরিকল্পিত নগরায়ণের বিকল্প নেই

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রথম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

সাতক্ষীরা-৪ কি হাতছাড়া হচ্ছে জামায়াতের?

১০

সংঘবদ্ধ সাইবার হয়রানির শিকার নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

১১

দুই দফা বাড়ার পর স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

১২

রয়টার্সের প্রতিবেদন / পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকে আগেই জানিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি

১৩

নিজ বেতনের টাকায় জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

১৪

বিজয়ের সিনেমা দেখতে গিয়ে নাজেহাল তৃষা কৃষ্ণান

১৫

ইরানে টানা ১৩তম রাতে হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

১৬

কুষ্টিয়া সীমান্তে ৮ জনকে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি

১৭

পরিত্যক্ত কাভার্ডভ্যানে মিলল সোয়া ৩ কোটি টাকার চোরাচালান পণ্য

১৮

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যু, দুপুরে দেশে ফিরছেন স্পিকার

১৯

ব্যর্থতা মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু প্রতারণা নয়: শিক্ষার্থী আন্দোলন নিয়ে শচীন

২০
X