কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৩২ পিএম
আপডেট : ০৩ অক্টোবর ২০২৫, ০৪:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

বছরে পাঁচ কোটি আয়, তবু কেন ঝাড়ুদারের কাজ করেন এই ব্যক্তি?

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

বছরে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা আয় করেন এক ব্যক্তি, তবু নিয়মিত করেন ঝাড়ুদারের কাজ! শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও ঘটনাটি একেবারে বাস্তব। জাপানের রাজধানী টোকিওতে বসবাসরত কোশি মাতসুশোবারা নামের (৫৬) এ মানুষটি বিনিয়োগ আর ভাড়া থেকে বিপুল অর্থ আয় করেন; কিন্তু এসবের মাঝেও ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি!

স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, শারীরিকভাবে সক্রিয় ও সুস্থ থাকার জন্য টোকিওর বিভিন্ন আবাসিক ব্লক ও জনবহুল এলাকায় পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন মাতসুশোবারা। সপ্তাহে তিন দিন এই কাজ করেন তিনি। এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় হয় মাত্র ৬৮০ মার্কিন ডলার। অথচ তিনি ওই ব্লকের অন্যতম ধনী বাসিন্দা, বলা যায় এক গোপন কোটিপতি। মূলত ফ্ল্যাট ভাড়া ও বিভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ থেকেই তার মূল আয়। বছরে তিনি পান দুই লাখ ডলারেরও বেশি।

সঞ্চয়ের অভ্যাস থেকে শুরু

মাতসুশোবারা ছোটবেলা থেকেই ছিলেন সঞ্চয়ী। নিজের ইচ্ছের জিনিস কেনার জন্য তিনি সব সময় অর্থ জমাতেন। স্কুল শেষে একটি কারখানায় কাজ শুরু করেন, যেখানে মাসিক বেতন ছিল মাত্র ১২২০ ডলার। খরচ কমিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জমালেন ২০ হাজার ডলার। সেই টাকায় কিনলেন নিজের প্রথম স্টুডিও ফ্ল্যাট।

তিনি বলেন, ‘সেই সময় জমির দাম অনেক কম ছিল, আর আমি ধীরে ধীরে একের পর এক সম্পত্তি বাড়াতে থাকি।’ এখন তার টোকিও ও আশপাশে সাতটি ফ্ল্যাট রয়েছে, যেগুলো ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসেই আসে মোটা অঙ্কের অর্থ। পাশাপাশি শেয়ারবাজার ও বিভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন তিনি।

সাদামাটা জীবনযাত্রা

অর্থ-সম্পদ থাকা সত্ত্বেও মাতসুশোবারা মিতব্যয়ী। থাকেন সস্তা ফ্ল্যাটে, নিজেই রান্না করেন, এমনকি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নতুন পোশাকও কেনেননি। ব্যবহার করেন সাধারণ একটি স্মার্টফোন, আর চলাফেরায় ভরসা রাখেন সাইকেলে।

তিনি জানান, ঝাড়ুদারের কাজ তিনি অর্থ উপার্জনের জন্য করেন না। বরং শারীরিকভাবে সচল থাকার জন্যই এটি তার নিত্যদিনের রুটিন। তার ভাষায়, ‘প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে আশপাশ পরিষ্কার করি, সবকিছু গুছিয়ে দিই। এতে আমার মন ভরে যায়।’

সূত্র : জিও নিউজ উর্দু

কালবেলা/এমএইচ/এটিআর
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানের বিরুদ্ধে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের হামাদান প্রদেশে নতুন করে উত্তেজনা

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ

দুপুর ১টার মধ্যে দেশের যেসব অঞ্চলে ভারি বৃষ্টি হতে পারে

এমপির নির্দেশে উন্মুক্ত হলো তিন বছর ধরে বন্ধ কালভার্ট, জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি ৩০০ পরিবারের

জামায়াত এমপি গাজী নজরুলের থেকে ৫৭ বছরের ছোট তার দ্বিতীয় স্ত্রী

ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার

চাটখিলে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ ভুক্তভোগীর

২১ দিনে জাবির মেডিকেল সেন্টার থেকে উধাও সাড়ে ১৯ হাজার ওষুধ

প্রবাসী ছেলের জন্য ওষুধ পাঠিয়ে আর বাড়ি ফেরা হলো না মায়ের

১০

‘যার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে নদীপাড়ে চলে আসেন, বাঁধ ভাঙছে’

১১

প্রকল্পের অব্যয়িত প্রায় ৪২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

১২

ভারতে পাচারের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তে ৬৫ কচ্ছপ জব্দ, সালদা নদীতে অবমুক্ত

১৩

মহাকবি কায়কোবাদ স্মরণে নবাবগঞ্জে ‘আজান’ কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতা

১৪

সারাদেশে খাল খননের নামে বালু-মাটি লুটপাট করা হচ্ছে: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

১৫

গোয়ালন্দে ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে বন্ধ ওজন কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ট্রাকচালকরা

১৬

নড়াইল জেলা ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র আহ্বায়ক জাকারিয়া, সদস্যসচিব সাগর

১৭

স্কুলে যাওয়ার পথে ১০ম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

১৮

নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে ববি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১৯

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

২০
X