স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫, ০২:২৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

‘সার্জারির পর ম্যারাডোনাকে বাসায় পাঠানো ছিল বড় ভুল’

ম্যারাডোনাকে হাসাপাতালে রাখা লাগত বলে মত দিয়েছেন ডাক্তার ( ইনসেটে ডা: স্কিটার)। ছবি : সংগৃহীত
ম্যারাডোনাকে হাসাপাতালে রাখা লাগত বলে মত দিয়েছেন ডাক্তার ( ইনসেটে ডা: স্কিটার)। ছবি : সংগৃহীত

ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে চলমান মামলায় এক চিকিৎসক আদালতে স্বীকার করেছেন, ২০২০ সালের অস্ত্রোপচারের পর ম্যারাডোনাকে বাসায় না পাঠিয়ে একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা উচিত ছিল।

ম্যারাডোনা, যিনি ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেন, ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর বুয়েনোস আইরেসের উপকণ্ঠে বাসায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৬০ বছর।

‘উনি একটি পুনর্বাসন ক্লিনিকে থাকার উপযুক্ত ছিলেন... আরও নিরাপদ কোনো জায়গায়,’ আদালতে বলেন ম্যারাডোনার দীর্ঘদিনের চিকিৎসক মারিও আলেহান্দ্রো স্কিটার। তিনি জানান, ম্যারাডোনার মাদকাসক্তি মোকাবেলায় তিনি বহু বছর ধরে কাজ করেছেন।

‘আমি ব্যক্তিগতভাবে জানি, উনি কতটা কঠিন রোগী ছিলেন। তাই বাসায় চিকিৎসা করানোর সিদ্ধান্ত আমি কখনো দিতাম না,’ বলেন স্কিটার।

এই মামলায় সাতজন চিকিৎসা পেশাজীবীর বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ আনা হয়েছে—তাদের মধ্যে একজন নিউরোসার্জন, মনোরোগ চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানী, চিকিৎসক ও নার্স রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, তারা সময়মতো ও যথাযথ চিকিৎসা না দেওয়ায় ম্যারাডোনার মৃত্যু ঘটে।

স্কিটার আরও বলেন, ‘আমি কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছি, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আমার ছিল না। ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে জানায় যে বাসায় চিকিৎসা দেওয়া হবে।’

সাক্ষীদের মতে, ম্যারাডোনাকে যে বাসায় নেওয়া হয়েছিল, সেখানে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামই ছিল না। স্কিটার, যিনি ম্যারাডোনার ময়নাতদন্তও পর্যবেক্ষণ করেন, বলেন, ‘সব প্রমাণই ইঙ্গিত করে যে তার যত্নে ঘাটতি ছিল, যেটা এড়ানো যেত—এবং সেখান থেকেই হৃদপিণ্ডের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুর দিকে গড়ায়।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিশ্বকাপে হঠাৎ সুযোগের পর বড় সংকটে স্কটল্যান্ড

পাচারের সময় ২০০ বস্তা সার জব্দ করল স্থানীয়রা

বিএনপিতে যোগ দিলেন আ.লীগ নেতা

এনসিপির প্রার্থীসহ দুজনকে জরিমানা

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ / বিদায়ের পর আইসিসির দিকে বাংলাদেশের অভিযোগের তীর 

আফগান আদালতে অপরাধ নয়, শ্রেণি দেখে শাস্তি

শিশুর আত্মবিশ্বাস গড়তে প্রতিদিনের কথার গুরুত্ব

সিম কার্ডের এক কোনা কেন কাটা থাকে

ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ শিক্ষার্থী নিহত

তিতাসের নেতৃত্বে ঐশী-রিফতি

১০

ভারত থেকে এলো ৫১০ টন চাল

১১

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজে চাকরির সুযোগ

১২

বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী নিহত

১৩

মদ্যপ অবস্থায় সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার গ্রেপ্তার

১৪

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ৪ বছরে হতাহত ১৮ লক্ষাধিক সেনা

১৫

খুলনা-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী বকুলকে শোকজ

১৬

হরমুজ প্রণালির আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করল ইরান

১৭

ইতালির ইমিগ্রেশন এবং নাগরিকত্ব ব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তন

১৮

বিএনপির আরও ৪ নেতাকে দুঃসংবাদ

১৯

মস্তিষ্ক ভালো রাখবে ফাইবার

২০
X