

জ্বালানি সংকটে একের পর বন্ধ হচ্ছে গাজার হাসপাতাল। এমন পরিস্তিতিতে দেশটির পাশে দাঁড়িয়েছে ইতালি। তারা গাজার উপকূলে ভাসমান হাসপাতাল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় ভুক্তভোগীদের চিকিৎসা সেবা দিতে উপকূলের খুব কাছাকাছি একটি জাহাজ হাসপাতাল পাঠাবে ইতালি। জরুরি মেডিক্যাল সেবার জন্য ৩০ জন প্রশিক্ষিত লোক ও ১৭০ স্টাফ নিয়ে জাহাজটি উপকূলে অবস্থা করবে। ইতালির প্রতিরক্ষামন্ত্রী গুইদো ক্রোসেত্তো জানান, ইতোমধ্যে গাজায় দুটি নৌ জাহাজ পাঠানো হয়েছে। এগুলো সেখানে অবস্থান করছে।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এগুলো রাখার ব্যাপারে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি। তবে আমি এগুলোকে সেখানে রাখার ব্যাপারে মত দিচ্ছি। এ ব্যাপারে আমার কোনো অনুশোচনা নেই।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলের বোমাবর্ষণে নিহতের সংখ্যা সাড়ে ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলর অব্যাহত বোমাবর্ষণে নিহতের সংখ্যা সাড়ে ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। বর্তমানে নিহতদের সংখ্যা বেড়ে ১০ হাজার ৫৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
মন্ত্রলাণয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৪ হাজার ৩২৪ জন শিশু রয়েছে। ইসরায়েলের হামলায় গতকালের চেয়ে আজকে নতুন করে আরও ২৪১ জন নিহত হয়েছেন।
মন্ত্রলালয় আরও জানায়, ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৪৭৫ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এছাড়া এখনও ২৫৫০ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৩০৫ জন শিশু রয়েছেন। অব্যাহত এ হামলায় ১৯৩ জন মেডিক্যাল স্টাফ নিহত হয়েছেন এবং ৪৫টি অ্যাম্বুলেন্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরিসেবার বাইরে চলে গেছে।
অন্যদিকে ইসরায়েলে হামাসের হামলায় নিহতের সংখ্যা এক হাজার ৪০০ জনের বেশি। এ ছাড়া আহত হয়েছে আরও সাড়ে চার হাজারের বেশি মানুষ।