সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৪, ০১:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে নতুন বার্তা ফিলিস্তিনের

ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজা। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত গাজা। ছবি : সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় সাত মাসের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ করছে হামাস ও ইসরায়েল। কয়েক দিন আগে দুপক্ষের মাঝে যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অগ্রগতি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হয়নি। এখন দক্ষিণ গাজার রাফায় স্থল হামলার হুমকি দিয়ে আসছে ইসরায়েল। ইতিমধ্যে রাফায় বিপুল সংখ্যক সেনাও জড়ো করেছে নেতানিয়াহু বাহিনী। তবে ইসরায়েল এতকিছু করলেও তাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি। খবর আলজাজিরার।

হামাসের মুখপাত্র আবু ওবেইদা এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, রাফা ও গাজায় ইসরায়েলি অভিযানের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিরা লড়াই চালিয়ে যাবে। ইসরায়েলের আগ্রাসন যতই দীর্ঘ হোক না কেন তার ফলাফল শূন্য।

তিনি আরও বলেন, এই যুদ্ধে ইসরায়েলের কোনো অর্জন নেই। যুদ্ধেক্ষেত্রে তারা সেনা হারাচ্ছে। হামাসের ব্যাপক শক্তি রয়েছে, এমনটা দাবি করছি না। তবে আমরা আমাদের জনগণের অধিকার আদায়ে লড়াই চালিয়ে যাব।

আবু ওবেইদা জানান, শতাধিক ইসরায়েলি সামরিক যানে হামলা করেছে হামাস। এদের মধ্যে যুদ্ধট্যাংক, সেনাবাহী গাড়ি ও বুলডোজার রয়েছে। এ ছাড়া টানেল উড়িয়ে, রকেট ও মর্টার শেল নিক্ষেপ করে এবং স্নাইপিং ও সম্মুখ যুদ্ধে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত হয়েছে।

গত ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে প্রবেশ করে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ১২০০ ইসরায়েলিকে হত্যার পাশাপাশি প্রায় ২৫০ ইসরায়েলি ও বিদেশি নাগরিককে গাজায় বন্দি করে নিয়ে আসে হামাস। একই দিন হামাসকে নির্মূল এবং বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী এই সংগঠনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ইসরায়েল। গত নভেম্বরে সাত দিনের যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিনিময়ে ১১০ ইসরায়েলি বন্দিকে হামাস মুক্তি দিলেও এখনো তাদের হাতে শতাধিক বন্দি আছেন।

অন্যদিকে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৩৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তসলিমা নাসরিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

তারেক রহমানের সঙ্গে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সাক্ষাৎ

২১ জানুয়ারির মধ্যেই ঠিক হবে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ভাগ্য

এশিয়ান টিভির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন

সুষ্ঠু নির্বাচন এবং গণতন্ত্র পুনর্গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম

নাহিদ ইসলাম ও নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর শোকজের জবাব দিল এনসিপি

তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত চট্টগ্রাম : নোমান

৩৭ বছর পর নিউজিল্যান্ডের ‘ভারত’ জয়

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত

১৫ প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করল ডিএনসিসি

১০

রাউজান-রাঙ্গুনিয়ার অগ্নিকাণ্ড ষড়যন্ত্র উন্মোচনে পুরস্কৃত পুলিশ কর্মকর্তারা

১১

বিএনপি সরকার গঠন করলে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়াবে : ডা. শাহাদাত

১২

নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের ৭ দফা নির্দেশনা বিএনপির

১৩

ভোটকেন্দ্রে যাওয়াই গণতন্ত্র রক্ষার একমাত্র পথ : ইশরাক হোসেন

১৪

পুরস্কার ভাগাভাগি নিয়ে মাচাদোকে নোবেল ফাউন্ডেশনের বার্তা

১৫

নারী ক্ষমতায়িত হলে জাতির ভবিষ্যৎ বদলেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে : জাইমা রহমান

১৬

জম্মু কাশ্মীরে গোলাগুলি, ভারতের ৭ সেনা আহত

১৭

নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীকে শোকজ, ইসির কড়া বার্তা

১৮

বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে কঠিন সিদ্ধান্ত জানাল পাকিস্তান

১৯

মধ্যপ্রাচ্যের এক ঘাঁটি থেকে সম্পূর্ণরূপে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার

২০
X