বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৭ জুলাই ২০২৩, ০৬:৪৩ পিএম
আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৩, ১০:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ভারতকে সতর্ক ও সাবধান হতে বলল পাকিস্তান

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতকে যুদ্ধের হুংকার ছাড়তে নিষেধ করেছে। সেই সঙ্গে তারা বলছে, ভারতের সতর্ক ও সাবধান হওয়া প্রয়োজন।

গতকাল বুধবার ২৪তম ‘কারগিল দিবস’ উপলক্ষে লাদাখের দ্রাস শহরে কারগিল যুদ্ধ স্মৃতিসৌধে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

সেখানে তিনি বলেন, দেশের একতা, অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সঙ্গে বিন্দুমাত্র আপস করা হবে না। দেশের শত্রুদের নিকেশ করতে সেনাবাহিনীকে ‘ফ্রি হ্যান্ড’ দেওয়া হয়েছে।

রাজনাথ বলেন, ‘দেশের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় আমরা সব করতে পারি। সে জন্য যদি নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করতে হয়, আমরা তা-ও করতে প্রস্তুত। আমাদের প্ররোচিত করা হলে অথবা আমরা প্রয়োজন বোধ করলে নিয়ন্ত্রণরেখা মানব না। পেরিয়ে যাব।’

তিনি বলেন, ভারত শান্তিপ্রিয় দেশ। শতাব্দী-প্রাচীন মূল্যবোধে বিশ্বাসী। আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কিন্তু দেশের স্বার্থ রক্ষার প্রশ্নে সীমান্ত পেরোতে দ্বিধান্বিত হবে না।

কারগিল যুদ্ধ ভারতের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল মন্তব্য করে রাজনাথ সিং বলেন, যখন ভারত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পাকিস্তানের সঙ্গে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছিল পাকিস্তান সেই সময় ভারতকে পেছন থেকে ছুরি মেরেছিল।

রাজনাথ সিংয়ের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বুধবার একটি বিবৃতি প্রকাশ করে।

ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য ‘অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন’ জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এর আগেও ভারতের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও উচ্চপদস্থ সামরিক কর্তারা আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিট-বালটিস্তান নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করেছেন। এ রকম উগ্র জাতীয়তাবাদী বিবৃতি বন্ধ হওয়া দরকার। তাদের মনে রাখা উচিত, পাকিস্তান যে কোনো ধরনের আগ্রাসন রোখার ক্ষমতা রাখে।

এতে বলা হয়, ভারতের রাজনীতিতে কথায় কথায় পাকিস্তানকে টেনে আনা হয়। উগ্র জাতীয়তাবাদের বীজ বপন করে ভোটের রাজনীতিতে লাভবান হতে চায় তারা। এসব বন্ধ হওয়া দরকার।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঐতিহাসিকভাবে, আইনগতভাবে এবং নৈতিক দিক থেকে সব রকমভাবেই জম্মু-কাশ্মীর আন্তর্জাতিক স্বীকৃত বিবাদিত ও বিতর্কিত এলাকা। তার মীমাংসা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব অনুযায়ীই হতে হবে। যুদ্ধের হুংকার না দিয়ে ভারতের উচিত ওই প্রস্তাব রূপায়ণে মনোযোগী হওয়া।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশিদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

ঢাকায় আসছে কমনওয়েলথ পর্যবেক্ষক দল

ডিসির সঙ্গে একযোগে দেখা করলেন জামায়াতের ৭ প্রার্থী

বিএনপি কত আসন পেয়ে বিজয়ী হবে, বললেন ফজলুর রহমান

৩০ লাখ টাকার ফেলোশিপ পাচ্ছে যবিপ্রবির ৫৬ শিক্ষার্থী

শেখ হাসিনাসহ ১৭০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

ট্রাকের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

ইরান-ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে ‘হাই অ্যালার্ট’

গানম্যান পেলেন ববি হাজ্জাজ

৭৫ দেশের জন্য সব ধরনের ভিসা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

১০

রিশাদের ঘূর্ণিতে থামল ব্রিসবেন, তবু শেষ বলের নাটকে হারল হোবার্ট

১১

আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠন ১৯ জানুয়ারি

১২

পদ্মায় দেখা মিলল কুমির, আতঙ্কে বাসিন্দারা

১৩

বিসিবি পরিচালক পদত্যাগ না করলে ক্রিকেট বর্জনের আলটিমেটাম

১৪

বাহরাইনে পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যাখ্যা দিল ইসি

১৫

‘মনোনয়নবঞ্চিত’ শরিকদের সুখবর দিলেন তারেক রহমান

১৬

ক্রিকেটারদের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল বিসিবি

১৭

সুখবর পেলেন মাসুদ

১৮

দিনের আলোয় বেশি সময় কাটালে কী হয়, যা বলছে গবেষণা

১৯

শ্রেণিকক্ষে না গিয়ে কুশল বিনিময়, দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন নুরুদ্দিন অপু 

২০
X