কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৬:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ভয়ংকর বোমা বানাতেন তারা, কক্সবাজারে গ্রেপ্তার কমান্ডার

উদ্ধার করা ককটেল এবং বোমা তৈরির অন্যান্য সরঞ্জাম। ছবি : কালবেলা
উদ্ধার করা ককটেল এবং বোমা তৈরির অন্যান্য সরঞ্জাম। ছবি : কালবেলা

কক্সবাজারের সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে হাতবোমা, বিস্ফোরক সদৃশ দ্রব্য উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এ অভিযানে রোহিঙ্গাদের সংগঠন আরসার লজিস্টিক কমান্ডার হাফেজ রহমত উল্লাহসহ তিন সদস্যকে র‌্যাব-১৫-এর একটি দল গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ১৫টি ককটেল, আইইডি তৈরির সরঞ্জাম, দেড় কেজি মারকারি, একটি ওয়াকিটকি, ৫৩টি সার্কিট, ৯ বান্ডিল সামরিক বাহিনীর ন্যায় পোশাক তৈরির কাপড়, ৭০টি গেঞ্জি, ১২টি টুপি, ১৩০টি হ্যান্ড গ্লোভস, টাকা, দুটি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৩-এর এ/২ ব্লকের আরসার লজিস্টিক কমান্ডার হাফেজ রহমত উল্লাহ (৩৫) এবং তার দুই সহযোগী ক্যাম্প-৫ এর ই/৬ ব্লকের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে মঞ্জুর আলম (২৩) ও একই ক্যাম্পের বি/৪ ব্লাকের কামাল হোসেনের ছেলে নুরুল ইসলাম (২৫)।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ভোরে কক্সবাজার সদর উপজেলার কলাতলী আদর্শগ্রাম এলাকার একটি বাড়িতে চার ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। একই দিন দুপুরে র‌্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন সাংবাদিকদের এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

র‌্যাব-১৫-এর অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, লজিস্টিক কমান্ডার হাফেজ রহমত উল্লাহ আরসাপ্রধান আতাউল্লাহ এবং সেকেন্ড-ইন-কমান্ড ওস্তাদ খালেদের নির্দেশে কক্সবাজার শহরে ভাড়ায় বাসা নিয়ে বসবাস শুরু করেন। কক্সবাজার থেকে আরসার জন্য লজিস্টিক সাপোর্ট, বোমা ও মাইন বানানোর বিভিন্ন মালামাল সরবরাহ করার দায়িত্ব পালন করেন।

হাফেজ রহমত উল্লাহর বরাত দিয়ে র‌্যাব আরও জানান, আরসা প্রধান এবং সামরিক শাখার ডিমান্ড অনুয়ায়ী রহমত উল্লাহ ইউনিফরমের কাপড়, শীত বস্ত্র, রেইন কোট, বুট জুতা, মোজা, বেল্ট, ক্যাপ, ব্যাগ এবং বোমা ও মাইন বানানোর জন্য হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, মারকারি (পারদ), ফোম, টর্চ লাইট, ব্যাটারি, ব্যাটারির ক্যাপ, ইলেকট্রিক তার, ইলেকট্রিক ক্লিপ, ছোট টেবিল ঘড়ি, ছোট লাইট, লোহার রড, সিমেন্ট, ছোট লোহা, পাইপ, কাচসহ নানা ধরনের বোমা ও মাইন তৈরির সরঞ্জামাদি সংগ্রহ করে উখিয়া-টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসার কাছে পৌঁছে দিতেন। আর তার সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন নুরুল ইসলাম এবং মঞ্জুর আলম।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) মো. আবু সালাম চৌধুরী।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এমন কাজ করিনি যে সেফ এক্সিট নিতে হবে : প্রেস সচিব

কেন্দ্র দখলের চিন্তা করলে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন : হাসনাত

সীমান্ত থেকে ভারতীয় অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার

সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজি চলবে না : ব্যারিস্টার খোকন

জবি সাংবাদিকতা বিভাগের সরস্বতী পূজার ব্যতিক্রমী থিম

গাজীপুরের সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার ৫

আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের ‌‘বাঙালি’ দাবি মিয়ানমারের, প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশের

মাছের ঘের থেকে বস্তাভর্তি ফেনসিডিল উদ্ধার

টিকটক করতে বাধা দেওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড

জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

১০

‘জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায় চলছে, মৃত্যুকে ভয় করি না’

১১

আন্দোলনে শহীদ জাকিরের মেয়ের বিয়েতে তারেক রহমানের উপহার

১২

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড নিয়ে কবীর ভূঁইয়ার গণসংযোগ

১৩

ঢাকা কলেজে উত্তেজনা

১৪

প্রস্রাবের কথা বলে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালালেন আসামি

১৫

জনগণের দোয়া ও সমর্থন চাইলেন রবিউল

১৬

ব্র্যাক ইপিএল কর্পোরেট ক্রিকেটে সেনাবাহিনী ও ঢাকা ব্যাংকের জয়

১৭

আরাফাত রহমান কোকোর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

১৮

‘বিশ্ব প্রস্থোডন্টিস্ট দিবস’ উদযাপিত / মুখ ও দাঁতের মানসম্মত চিকিৎসার ওপর গুরুত্বারোপ

১৯

আরেক সাফ মুকুটের দুয়ারে ‘ব্রাত্য’ সাবিনারা

২০
X