রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার বড়ইছড়ি সদরে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটি মরা গাছ। এসবের ছোট ছোট ডালপালা ঝড়বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ছে। হঠাৎ পুরো গাছ পড়ে দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত গাছগুলো অপসারণ না করা হলে যে কোনো সময় ঝোড়ো হাওয়া বা ভারি বৃষ্টিতে তা ভেঙে পড়তে পারে। এতে যানবাহনসহ পথচারীদের প্রাণহানির মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সড়কটিতে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বড়ইছড়ি সদর এলাকার কর্ণফুলী কলেজের যাত্রীছাউনির পাশের সড়কে একটি গাছ মরে গেছে। এটি শুকিয়ে এর ছাল খসে পড়ছে। যেকোনো সময় ঝোড়ো বাতাসে গাছটির ডাল ভেঙে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
কাপ্তাই সড়কের বিভিন্ন অংশে এ ধরনের আরও কিছু গাছ দেখা গেছে। গাছগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানিয়েছেন সড়কটিতে চলাচলকারী পথচারী ও গাড়িচালকরা।
সড়কটিতে চলাচলকারী গাড়িচালক মো. ওসমান মিয়া, রহমান আলী, সুনীল দাশসহ একাধিক চালক জানান, সড়কের বেশ কয়েকটি গাছ মরে গিয়ে যেভাবে দাঁড়িয়ে আছে যেকোনো সময় ঝোড়ো বাতাসে ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটবে। যখন ঝড়, বৃষ্টি শুরু হয় তখন অনেকটা আতঙ্ক নিয়ে সড়কটিতে গাড়ি চালাতে হয়। এর আগেও বেশ কয়েক বার এই সড়কে গাছ ভেঙে পড়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। কয়েকটি দুর্ঘটনাও ঘটেছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা সুমন চৌধুরী, নিশান বড়ুয়াসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে প্রতিদিন অনেক মানুষ কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা নিতে যাওয়াসহ বড়ইছড়ি বাজারে যাতায়াত করেন। স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও যাতায়াত করে এই রাস্তা দিয়ে। তাদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। অতি দ্রুত রাস্তার পাশের মরা গাছগুলো অপসারণ করা হোক। তা না হলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। আসন্ন বর্ষার আগে মরা গাছগুলো অপসারণে আমরা বন বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাই।
এ বিষয়ে বন বিভাগের কাপ্তাই রেঞ্জ কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। পরবর্তীতে অনুমতি পেলে সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ গাছের ডাল অপসারণ করা হবে।
কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মহিউদ্দীন বলেন, ‘সড়কের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
মন্তব্য করুন