পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ মে ২০২৪, ০৫:১৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কালবৈশাখী ঝড়ে বাড়িঘর লন্ডভন্ড

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত বাড়িঘর। ছবি : কালবেলা
কক্সবাজারের পেকুয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে বিধ্বস্ত বাড়িঘর। ছবি : কালবেলা

কক্সবাজারের পেকুয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাতে ১৫টি বাড়িঘর লন্ডভন্ড হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ মে) ভোরে উপজেলার উজানটিয়া ও মগনামা শীলখালী ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ঝড়ে উজানটিয়া ইউনিয়নের মালেকপাড়া, ফেরাসিঙ্গা পাড়া, ষাড়ধুনিয়া পাড়া, বাজার পাড়া, শীলখালী, মগনামা ইউনিয়নের কালার পাড়াসহ আরও কয়েকটি এলাকা বিধ্বস্ত হয়ে যায়। তাছাড়া উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নগুলোতেও ছোটবড় বহু ঘর আংশিক ভেঙে গেছে। এ ছাড়া রাজাখালী ও মগনামায় বজ্রপাতে ২ লবণ চাষি নিহত হয়েছেন।

উজানটিয়ার বাসিন্দা কক্সবাজার জজ কোর্টের আইনজীবী মীর মোশাররফ হোসেন টিটু বলেন, আমাদের ৮নং ওয়ার্ডের মালেকপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে কয়েকটি পরিবার খোলা আকাশের নিচে দিনাতিপাত করছেন। এ ব্যাপারে প্রশাসনের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

উজানটিয়া ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জল করিম বলেন, আমার ইউনিয়নে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে আঘাতে ১০টি বাড়িঘর ভেঙে যায়। যেখানে ৫টি বাড়িঘর সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায় বলে তিনি দাবি করেন। এমনকি বেশকিছু দোকান-ঘরও ভেঙে যায়।

শীলখালী ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেন জানান, তার ইউনিয়নে ছোটবড় ৩-৪টি ঘর আংশিক ভেঙে গেছে।

মগনামা ইউিপ সদস্যরা বলেন, আমাদের ইউনিয়নেও ৬-৭টি কৃষকের বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে।

এদিকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকানো খাবার বিতরণ করছি।

এ ব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, বাতাসের প্রবল ঘূর্ণিপাকের কারণে সব কয়টি ইউনিয়নে বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। আমি সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। তাছাড়াও ইউপি চেয়ারম্যানরা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা দিলে সরকারী অনুদানের ব্যবস্থা করা হবে। এদিকে বজ্রপাতে নিহত দুই লবণ চাষির পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ঘর-জমি, আতঙ্কে হাজারো মানুষ

ঢাকা-মালের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত: এমএনইউতে হাইকমিশনারের বই উপহার

কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক আজ, জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে প্রতিশোধমূলক অভিযান চলবে: ইরান

 মেহেদী হাসান ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

চবিতে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ

বিয়ন্সে-রিয়ানার যুগলবন্দিতে কাঁপল নিউইয়র্ক

বন্যায় আটকে পড়া বন্ধুর খোঁজে গিয়ে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

আসামির মোবাইল গায়েবের অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

১০

স্পেনের দাবানলে নিহত ১৩ জনের মধ্যে ১২ জনই বিদেশি

১১

আজকের স্বর্ণের বাজারদর

১২

খুলনায় সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে গুলি

১৩

সামরিক স্থাপনার পাশের পরীক্ষা কেন্দ্র সরিয়ে নিচ্ছে ইরান

১৪

জলাবদ্ধতায় পরীক্ষার্থীদের দুর্ভোগের জন্য কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানের দুঃখপ্রকাশ

১৫

রাজশাহীর চৌরঙ্গী জামে মসজিদের নির্মাণকাজ বন্ধের দাবি

১৬

নারায়ণগঞ্জে বয়লার বিস্ফোরণে দগ্ধ ২

১৭

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী ফ্রান্স: রাষ্ট্রদূত

১৮

এবার ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে বড় হামলার হুমকি ট্রাম্পের

১৯

জাতীয় সংসদে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস

২০
X