শনিবার, ১০ জানুয়ারি ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২
বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান 

বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান 

বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। তিনি এতদিন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।  শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) রাতে বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই দায়িত্ব নেন। এদিন রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ফলে দলের চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়। এ পরিস্থিতিতে দলের
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ
পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি
পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি
লিফট
কিশোরগঞ্জে আবাসিক হোটেলের লিফটে বরসহ আটকা ১০, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার
বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!
বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!
পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১
পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১
শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
  • সফলতার নেপথ্যে : উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন মানুষের ১০টি মূলমন্ত্র

    সাফল্য কি কেবলই মেধা, কঠোর পরিশ্রম আর ভাগ্যের এক রহস্যময় সমীকরণ? নাকি এর নেপথ্যে কাজ করে বিশেষ কোনো মনস্তাত্ত্বিক ছক? সমকালীন বিশ্বে যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে শিখরে আরোহণ করেছেন, তাদের জীবন অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, সাফল্য কোনো দৈব ঘটনা নয়। এটি মূলত একটি সুশৃঙ্খল জীবনদর্শন এবং বিশেষ কিছু মানসিক অভ্যাসের ফসল। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় ‘হাই-পারফরম্যান্স মাইন্ডসেট’। যারা সাধারণের ভিড় ঠেলে অনন্য হয়ে ওঠেন, তারা প্রতিকূলতাকে দেখেন ভিন্ন চোখে, ব্যর্থতাকে গ্রহণ করেন ভিন্নভাবে। আজকের এই প্রবন্ধে আলোচনা করব উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন মানুষের সেই ১০টি বিশেষ মূলমন্ত্র নিয়ে, যা আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। ১. চরম দায়বদ্ধতা : ‘ফলাফলের মালিকানা যখন নিজের’ উচ্চ-দক্ষতাসম্পন্ন

    নীতিগত ব্যর্থতার মাশুল

    দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বাজারে সংকট তৈরি হয়েছে। এলপিজি এখন আর শুধু একটি পণ্যের ঘাটতির বিষয় নয়, এটি পরিণত হয়েছে একটি গভীর নীতিগত ও ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবিতে। সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য ১ হাজার ৩০৬ টাকা হলেও বাস্তবে সেই গ্যাস আড়াই হাজার টাকায়ও মিলছে না। কোথাও কোথাও তা একেবারেই উধাও। প্রশাসনের অভিযানের মুখে দোকান বন্ধ করে দেওয়ায় সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে, যার চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ ভোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের। ২০১০ সাল থেকে আবাসিক পাইপলাইনের গ্যাস সংযোগ কার্যত বন্ধ থাকায় শহর ও মফস্বলের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী রান্নার জন্য এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। বিশেষ করে শীত মৌসুমে নগরের অধিকাংশ

    সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর

    লেখক, সংগীতস্রষ্টা ও ভাষাবিদ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে যোগদানকারী প্রথম ভারতীয়। ব্রিটিশ ভারতে নারীমুক্তি আন্দোলনে সত্যেন্দ্রনাথ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করেন। পারিবারিক পরিচয়ে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজ। তার জন্ম ১৮৪২ সালের ১ জুন, জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে। সত্যেন্দ্রনাথ নিজগৃহে ইংরেজি ও সংস্কৃত ভাষা শেখেন। কলেজ জীবনে সত্যেন্দ্রনাথ ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি ১৮৬১ সালে কেশবচন্দ্রের সঙ্গে কৃষ্ণনগরে ব্রাহ্মধর্ম প্রচারের উদ্যোগ নেন। ১৮৬২ সালে সস্ত্রীক লন্ডন যান এবং ১৮৬৪ সালে আইসিএস হয়ে দেশে ফেরেন। ১৮৬৫ সালে আহমেদাবাদের অ্যাসিস্ট্যান্ট কালেক্টর ও ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। পেশাগত জীবনের অধিকাংশ সময় কাটে পশ্চিম ভারতে (সাবেক বোম্বাই প্রদেশে)। শেষপর্যায়ে সাতারা জেলার সেশন জজের পদ থেকে
  • সিমন দ্য বোভোয়ার

    সিমন লুসি এর্নেস্তিন মারি বেরত্রঁ দ্য বোভোয়ার; যিনি সিমন দ্য বোভোয়ার নামে বেশি পরিচিত। তিনি ছিলেন ফরাসি লেখিকা, বুদ্ধিজীবী, অস্তিত্ববাদী দার্শনিক, রাজনৈতিক-কর্মী, নারীবাদী ও সমাজতত্ত্ববিদ। ১৯০৮-এর ৯ জানুয়ারি প্যারিসে জন্মগ্রহণ করা এ মহীয়সী যদিও নিজেকে দার্শনিক মনে করতেন না। সিমন ১৯২৫ সালে গণিত ও দর্শনে ব্যাকালরেট পরীক্ষায় পাস করেন। অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তিনি গণিত, সাহিত্য, ভাষা দর্শন নিয়ে পড়েন এবং ১৯২৯ সালে অ্যাগ্রিগেশন পাস করেন। তার নারীবাদী অস্তিত্ববাদ ও নারীবাদী তত্ত্বে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ছিল। তিনি দর্শন, রাজনীতি ও সামাজিক বিষয়াবলির ওপর রচনা, গ্রন্থ ও উপন্যাস এবং জীবনী ও আত্মজীবনী রচনা করেন। বর্তমানে তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত তার অধিবিদ্যামূলক উপন্যাস শি কেম
    জাকির হোসেন
    জাকির হোসেনসহকারী সম্পাদক, দৈনিক কালবেলা

    নরিয়েগা থেকে মাদুরো: আগ্রাসনের শেষ কোথায়

    দক্ষিণ আমেরিকার মানুষের জীবনযাত্রা যতটা রঙিন ও বৈচিত্র্যময়, তাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ততটাই রক্তাক্ত ও অস্থির। এ অস্থিরতার প্রধান ক্রীড়নক হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা কখনো বন্ধু, কখনো অভিভাবক, আবার কখনো প্রকাশ্য অথবা পর্দার আড়াল থেকে দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব অব্যাহত রেখেছে। এ প্রভাব কখনো বিস্তৃত হয়েছে সামরিক জান্তাদের বুটের শব্দে, কখনো কূটনৈতিক চাপে, আবার কখনো অর্থনৈতিক অবরোধের ছায়ায়। গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারের খবর নতুন করে বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তবে কোনো স্বাধীন দেশের সরকারপ্রধানকে গ্রেপ্তারের ঘটনা এটা প্রথম নয়। আবার খুব বেশিও নয়। নিকোলাস মাদুরোর আগে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর অন্যতম হলো পানামার

    কোমলমতি শিক্ষার্থীরা যেন গিনিপিগ!

    আমাদের শিশুশিক্ষার্থীরা যেন গিনিপিগ! অসহনীয় যন্ত্রণা আর জীবন শেষ করে দেওয়ার বিনিময়ে তাদের নিয়ে পরীক্ষার পর পরীক্ষা চলছে। আর কত? প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে হঠাৎ মূল্যায়ন পদ্ধতি ও মানবণ্টনে পরিবর্তনের ছক কষেছে এনসিটিবি। বছর বছর খুদে শিক্ষার্থীদের ওপর এই হঠকারী সিদ্ধান্ত তাদের ওপর এক ধরনের শারীরিক ও মানসকি যন্ত্রণা! হুটহাট পরিবর্তন করার অধিকার তাদের কি আসলেই আছে? ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে সারা দেশের ১ লাখ ১৮ হাজার ৬০৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ কোটি ৫ লাখ শিক্ষার্থীকে নতুন মূল্যায়নের আওতায় নিয়ে আসার কথা বলছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা যুক্ত করা হচ্ছে। আর
  • একীভূত ব্যাংক ও আস্থার পরীক্ষা

    সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক চালু হওয়ার প্রথম কয়েক দিনেই আশাব্যঞ্জক চিত্র দেখতে পাওয়ার বিষয়টি সত্যি প্রশংসনীয়। কিন্তু ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিন কর্মরত কেউ অথবা গবেষকদের মতে, আস্থা শুধু প্রেস কনফারেন্সে ঘোষিত সংখ্যায় পরিমাপ করা যায় না। আস্থা বোঝা যায় মানুষের আচরণে, তাদের অপেক্ষার ধৈর্যে আর সে কোন কাজ থেকে বিরত থাকছে, সেসব পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে। দেশের উল্লিখিত নতুন ব্যাংকটি গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে, যখন বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকার সিদ্ধান্ত নেয় যে দুর্বল ও সমস্যাযুক্ত ব্যাংকগুলো একীভূত করে স্থিতিশীল করা হবে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী এবং ইউনিয়ন ব্যাংকের দায়, সম্পদ ও জনবলের সম্মিলনে এক নতুন

    উড্রো উইলসনের ঐতিহাসিক ১৪ দফা

    উড্রো উইলসনের ঐতিহাসিক ১৪ দফা নীতি ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষে একটি স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা ও নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ার রূপরেখা। ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন যুদ্ধের লক্ষ্য এবং শান্তির শর্তাবলি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে দেওয়া বক্তৃতায় নীতিগুলো রূপরেখা দেয়। তার উত্থাপিত ১৪ দফা নীতির মূল বিষয় ছিল মুক্ত কূটনীতি, মুক্ত বাণিজ্য, নিরস্ত্রীকরণ, ঔপনিবেশিকতায় সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধান এবং জাতিসংঘ (League of Nations) প্রতিষ্ঠা, যা জাতিসমূহের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সার্বভৌমত্বের নিশ্চয়তা দেয়। এর তাৎপর্য ছিল একটি আদর্শিক বিশ্ব শান্তির ভিত্তি স্থাপন, যদিও ভার্সাই চুক্তিতে এর অনেক কিছুই বাস্তবায়িত হয়নি, তবে এটি বিশ্ব রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ধারণাকে শক্তিশালী করে। ১৪ দফার মূল বিষয়গুলো মুক্ত

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ওয়েল-বিয়িং ক্লাব’ সুস্থ প্রজন্ম গড়ার প্রয়াস

    একটি গভীর ও বহুমাত্রিক সংকট আজ আমাদের জাতিকে গ্রাস করেছে—আর তা হলো মানবিকতার সংকট। ধীরে ধীরে আমাদের ভেতর থেকে মানবিক গুণাবলি ক্ষয়ে যাচ্ছে; সহমর্মিতা, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ছে। আমরা নিজেরাই ভালো ও নৈতিক মানুষ হয়ে ওঠার চর্চা যথাযথভাবে করতে পারিনি, ফলে সেই মূল্যবোধ পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াও সম্ভব হয়নি। এর সবচেয়ে ভয়াবহ প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে আমাদের শিশু ও কিশোরদের জীবনে। আমরা দীর্ঘদিন ধরে তাদের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক সুস্থতার দিকে প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিইনি। পড়াশোনার ফলাফল, পরীক্ষার নম্বর কিংবা প্রতিযোগিতামূলক সাফল্যকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। কিন্তু মানুষ হিসেবে সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার জন্য যে মূল্যবোধ, আবেগগত ভারসাম্য,
  • ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:০২ পিএম
    দেশে আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি একমত ?

    দেশে আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি একমত ?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৫,৫১২ জন
    মোট ভোটারঃ ৫,৫১২
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সংকটকালে রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ শক্তির প্রয়োজন : রবিউল

আমি খালেদা জিয়ার একজন ভক্ত : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

চায়ের দোকানের জন্য বিএনপি নেতাকে হত্যা করে ‘শুটার মিশুক’!

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ

পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি

কিশোরগঞ্জে আবাসিক হোটেলের লিফটে বরসহ আটকা ১০, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার

বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!

শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

নুরকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল

পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১

১০

যে কারণে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত

১১

১২০ বছর বয়সি বৃদ্ধার সঙ্গে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কুশল বিনিময়

১২

অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল নোয়াখালী

১৩

আধুনিক শরীয়তপুর গড়তে সবার দোয়া চাই : নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

১৪

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রতি নজরুল ইসলামের সতর্কতা

১৫

বগুড়ার জিয়াবাড়ি সাজছে নতুন রূপে

১৬

‘মুস্তাফিজের জায়গায় লিটন বা সৌম্য হলে কি একই সিদ্ধান্ত নিত বিসিসিআই?’

১৭

তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত : মির্জা ফখরুল

১৮

প্রিয় মাতৃভূমির বদনখানি মলিন হতে দেব না : শিক্ষা সচিব

১৯

বিএনপির চেয়ারম্যান হলেন তারেক রহমান 

২০
সমঝোতা নিয়ে দুই ভাগে গণঅধিকার পরিষদ
আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতা ইস্যুতে চাপে পড়েছে গণঅধিকার পরিষদ। বিএনপির সঙ্গে একটি আসনে সমঝোতা হলেও তা মেনে নিতে পারছে না দলের বড় অংশই। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে
চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর নিয়োগে বড় পরিবর্তন
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মডেলে বড় ধরনের পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এ প্রক্রিয়া ঘিরেই এখন তৈরি হয়েছে নানামুখী বিতর্ক ও আইনি জটিলতা। পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) এবং
নির্বাচনের আগে অস্ত্রের ঝনঝনানি বাড়ছে
অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের ধরতে দেশে চলছে অপারেশন ডেভিল হান্ট ফেজ-২। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতাও বেড়েছে। তবে তাতে স্বস্তি ফিরছে না সাধারণ মানুষের মধ্যে। প্রতিদিনই হচ্ছে খুনাখুনি, গুলি বা
দীর্ঘ পরিকল্পনায় শিবিরের জয়
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে অধিকাংশ পদে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা। তারা জকসুর ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ১৬টি পদে জয় পেয়েছেন।
পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি
পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি
পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে এমন সংবাদ সঠিক নয় বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) তথ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস নোটে এ তথ্য জানানো হয়। ইসির বরাতে ওই নোটে বলা হয়, সীমানা জটিলতায় পাবনা-১ ও ২ আসনে নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন মর্মে ইসিকে উদ্ধৃত করে যে সংবাদটি প্রচারিত হচ্ছে তা সঠিক নয়। এ বিষয়ে প্রচারিত সংবাদটি প্রত্যাহার বা বন্ধ রাখার জন্য ইসির থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। গত ৫ জানুয়ারি পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির সংশ্লিষ্ট অংশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি ও এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ ওই আদেশ দেন। শুক্রবার সকালে নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদের বরাত দিয়ে পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন স্থগিতের খবর প্রচার করা হয়।  তবে একাধিক গণমাধ্যমে বিষয়টি খোলসা করে আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, ওই আদালত কর্তৃক পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচনের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত থাকবে।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচন স্থগিত হয়নি। শুধু ওই আদালতের পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ দুটি আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।’
২ ঘণ্টা আগে

মুসাব্বির হত্যাকাণ্ডের নতুন সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের হাতে

১০ ঘণ্টা আগে

মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির সঙ্গে খলিলুর রহমানের বৈঠক

১১ ঘণ্টা আগে

নির্বাচনের আগে পে স্কেল দেওয়া সম্ভব কি না, জানালেন গভর্নর

১১ ঘণ্টা আগে

ঢাকায় তুরস্কের ভিসা আবেদন গ্রহণের সময়সূচি ঘোষণা

১২ ঘণ্টা আগে

টাঙ্গাইলের ৩ কিলোমিটার এলাকায় যান চলাচল পরিহারের অনুরোধ

১২ ঘণ্টা আগে
সংকটকালে রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ শক্তির প্রয়োজন : রবিউল
সংকটকালে রাষ্ট্র পরিচালনায় অভিজ্ঞ শক্তির প্রয়োজন : রবিউল
বাংলাদেশ বর্তমানে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির জটিল সংকটের মধ্যে রয়েছে  মন্তব্য করে ঢাকা-১০ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম রবি বলেছেন, এই মুহূর্তে বাংলাদেশ একাধিক আঞ্চলিক ও পরাশক্তির চাপের মধ্যে আছে। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্নে এখন আর কোনো এক্সপেরিমেন্টের সময় নেই। অভিজ্ঞ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবেই বিএনপিই পারে দেশকে এই সংকট থেকে নিরাপদ পথে এগিয়ে নিতে। শুক্রবার (0৯ জানুয়ারি) ধানমন্ডির আবাহনী মাঠে ধানমন্ডি থানার সামাজিক সংগঠন শতায়ুর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। রবিউল আলম রবি বলেন, নতুন ও পুরনো সব রাজনৈতিক শক্তিই ক্ষমতায় যেতে চায়, যা গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে দেশের বর্তমান বাস্তবতায় রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে দরকষাকষির সক্ষমতা এবং জাতীয়তাবাদী আদর্শে দৃঢ় একটি রাজনৈতিক দল এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। তিনি বলেন, বিএনপি এর আগেও রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। আমরা জানি এই মুহূর্তে বাংলাদেশের করণীয় কী এবং কীভাবে তা বাস্তবায়ন করতে হয়। তিনি আরও বলেন, এবার বিএনপি ক্ষমতায় এলে পাঁচ বছর পর আবার নির্বাচন হবে। যদি আমরা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হই, জনগণ তখন নতুন সিদ্ধান্ত নেবে এটাই গণতন্ত্র। কিন্তু আজ দেশ সংকটে, এটা শখ বা পরীক্ষার বিষয় নয়, যোগ্যতাকে বেছে নেওয়ার সময়। জনগণের ভূমিকা তুলে ধরে বিএনপির এই প্রার্থী বলেন, আপনারাই রাষ্ট্রের মালিক। রাজনীতিবিদরা আপনাদের সেবক। আমরা এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে জনপ্রতিনিধি জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে এবং জনগণের মতামতেই নেতৃত্ব গড়ে উঠবে।বিএনপি রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন আনতে চায়, যেখানে নেতা হবে জনগণের প্রতিনিধি দলের নয়। ভবিষ্যতে এমন নেতা আমরা চাই না, যারা জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে না বা দায়বদ্ধ হবে না বলেন তিনি। আবাহনী মাঠ ব্যবস্থাপনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রবিউল আলম রবি বলেন, মাঠটি অবশ্যই উন্মুক্ত থাকবে, তবে শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়ে। সবকিছু উন্মুক্ত আছে। তবে নিরাপত্তা, সময়সূচি, ব্যবহারবিধি সবকিছু বিবেচনায় এনে মাঠটিকে জনবান্ধব করতে হবে। এই মাঠ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে জিম্মি থাকবে না। তিনি আরও জানান, ধানমন্ডিবাসীর জন্য মাঠের অবকাঠামো, কমিউনিটি হল ও ইনডোর সুবিধাগুলো সার্বজনীনভাবে ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা সাধারণ নির্বাচন নয়। ফ্যাসিবাদী শক্তির পতনের পর রাষ্ট্র পুনর্গঠনের নির্বাচন। আপনারা যদি ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমাদের সুযোগ দেন, আমরা জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তিনি আরও বলেন, সংসদে যাওয়ার সুযোগ পেলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে দরকষাকষির মাধ্যমে এলাকার সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জনগণ, অসুস্থ নেতাকর্মী, প্রবাসে অবস্থানরতদের এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা ও তারেক রহমানের দীর্ঘায়ুর জন্যও বিশেষ মোনাজাত করা হয়। সমাবেশে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা এবং ধানমন্ডির নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।
২৫ মিনিট আগে
আমি খালেদা জিয়ার একজন ভক্ত : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
আমি খালেদা জিয়ার একজন ভক্ত : উপদেষ্টা আসিফ নজরুল
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ
শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
নুরুল হক নুর
নুরকে বহিষ্কারের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে যা জানা গেল
যে কারণে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত
যে কারণে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর স্থগিত
আধুনিক শরীয়তপুর গড়তে সবার দোয়া চাই : নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু
আধুনিক শরীয়তপুর গড়তে সবার দোয়া চাই : নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু

নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ-রুপা, বাজারদর জেনে নিন

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস), যা শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) থেকে এ দাম কার্যকর হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকা। এদিকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।  

স্বর্ণের দাম আরও কমলো

টানা দুই দফা বাড়ানোর পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমানো হয়। ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতনপদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকা। এর আগে গত ৫ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। ওই দিন ভরিতে এক লাফে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা। সব মিলিয়ে নতুন বছরে মোট ৩ দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এর মধ্যে এক দফায় বাড়ানো হলেও ২ দফায় কমেছে স্বর্ণের দাম। এর আগে সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া গত বছর মাত্র ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর সিলিন্ডারের দাম কত চান ব্যবসায়ীরা?

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলাটেরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিইআরসি কার্যালয়ে হওয়া বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা আসে। গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি সেলিম খান বলেন, এলপি গ্যাসের দোকানে ভোক্তা অধিকারের অভিযান বন্ধ করলেই ধর্মঘট প্রত্যাহার হবে। আর ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণেরও দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।   এদিকে গ্যাস ব্যবসায়ীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে মনে করছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন।  ব্যবসায়ীরা বলছেন, সিলিন্ডারের দাম বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান। পরে তার আহ্বানে ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নেন ব্যবসায়ীরা।   বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, যারা ইন অ্যাকটিভ কোম্পানি আছে তাদের আগামী সপ্তাহে আলোচনায় ডাকা হবে। চলমান সংকট সমাধানে বিইআরসি চেষ্টা করে যাবে। তিনি বলেন, গ্যাসের চলমান সংকট আসন্ন রমজানের আগেই কেটে যাবে।
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬
ধর্মঘট প্রত্যাহারের পর সিলিন্ডারের দাম কত চান ব্যবসায়ীরা?

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ‍্যাসের (এলপিজি) ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এতে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির বন্ধের যে ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে সরে এলেন তারা। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে বৈঠকের পর এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি সেলিম খান এ তথ্য জানান। এর আগে, বুধবার (৭ জানুয়ারি) দেশজুড়ে অভিযান ও জরিমানার প্রেক্ষাপটে আজ থেকে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্ল্যান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ‍্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় তারা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বিইআরসি থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করে কমিশন। এ নিয়ে সকালে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই মূল্য সমন্বয় করেছে।
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬
এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা প্রত্যাহার

সব ব্যাংকের শাখা-উপশাখার জন্য জরুরি নির্দেশনা

দেশের সব তপশিলি ব্যাংকে নারীবান্ধব ওয়াশরুম নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কর্মক্ষেত্রে নারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নারী গ্রাহকদের ভোগান্তি কমাতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তা শেয়ার করা হয়। দেশের সব ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে এ-সংক্রান্ত সার্কুলার পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়, তপশিলি ব্যাংকসমূহের প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়সহ বিভিন্ন শাখা/উপ-শাখায় কর্মরত নারী কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আগত সেবাপ্রত্যাশী নারীদের জন্য পর্যাপ্ত নারীবান্ধব ওয়াশরুমের আবশ্যকতা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে পর্যাপ্ত সংখ্যক নারীবান্ধব ওয়াশরুম না থাকায় নারী কর্মকর্তারা এবং আগত নারীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, যা কর্মক্ষেত্রে নারীবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। পরিচালক (বিআরপিডি) মো. বায়েজীদ সরকার স্বাক্ষরিত ওই সার্কুলারে বলা হয়, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়, আঞ্চলিক কার্যালয়সহ সব শাখা/উপ-শাখায় নারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আগত সেবাগ্রহীতা নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত নারীবান্ধব ওয়াশরুম নির্মাণ, প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং পর্যাপ্ত স্যানিটারি সামগ্রীর ব্যবস্থা রাখার জন্য আপনাদের নির্দেশনা প্রদান করা হলো।
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬
সব ব্যাংকের শাখা-উপশাখার জন্য জরুরি নির্দেশনা
চায়ের দোকানের জন্য বিএনপি নেতাকে হত্যা করে ‘শুটার মিশুক’!
চায়ের দোকানের জন্য বিএনপি নেতাকে হত্যা করে ‘শুটার মিশুক’!
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ
ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির সংঘর্ষ
পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি
পাবনা-১ ও ২ আসনের ভোট স্থগিতের সংবাদ সঠিক নয় : ইসি
লিফট
কিশোরগঞ্জে আবাসিক হোটেলের লিফটে বরসহ আটকা ১০, ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার
বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!
বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ!
শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
শরীয়তপুরে বিভিন্ন দল থেকে তিন শতাধিক নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান
পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১
পরীক্ষার্থীর কান থেকে বের করা হলো ইলেকট্রনিক ডিভাইস, আটক ৫১
১২০ বছর বয়সি বৃদ্ধার সঙ্গে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কুশল বিনিময়
১২০ বছর বয়সি বৃদ্ধার সঙ্গে নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুর কুশল বিনিময়
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

রেকর্ড দরপতনে ইরানের রিয়াল, ডলার ছাড়াল ১৪ লাখ ৭০ হাজার

ইরানের জাতীয় মুদ্রা রিয়াল আবারও ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে গেছে। অনানুষ্ঠানিক বাজারে এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে রিয়ালের দর দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৪ লাখ ৭০ হাজার, যা দেশটির চলমান অর্থনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করেছে। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের। বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের তথ্যমতে, মঙ্গলবার একই সময়ে ইউরোর দাম লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৭ লাখ ২০ হাজার রিয়াল এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের দর পৌঁছেছে প্রায় ১৯ লাখ ৯৪ হাজার রিয়ালে। দ্রুত মূল্যপতনের এই ধারা সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে রিয়ালের দর ব্যাপকভাবে ওঠানামা করছে। ওই সময় মুদ্রার তীব্র অবমূল্যায়ন তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভের সূচনা করে, যা পরে রাজনৈতিক অসন্তোষের রূপ নেয়। মূল্যস্ফীতি, নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এই ক্ষোভকে আরও উসকে দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার কিছু নতুন আর্থিক সহায়তা ও স্বস্তিমূলক পদক্ষেপের কথা ঘোষণা করেছে। তবে এর মধ্যেই মৌলিক পণ্য আমদানিতে ব্যবহৃত ভর্তুকিপ্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রার প্রবেশাধিকার সীমিত করেছে কর্তৃপক্ষ। সরকারের ভাষ্য, এই ব্যবস্থা অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফেরানোর জন্য নেওয়া হয়েছে। তবে সমালোচকদের মতে, ভর্তুকিভিত্তিক এই বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থার কারণে দীর্ঘদিন ধরে বাজারে অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে এবং কিছু গোষ্ঠী অবৈধ সুবিধা পেয়েছে। একই সঙ্গে এই নীতির মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকরভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রিয়ালের সাম্প্রতিক দরপতন কেবল মুদ্রাবাজারের সংকট নয়, বরং এটি ইরানের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রতিফলন। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে জনঅসন্তোষ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভারত
যুদ্ধবিমান নিয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান আলোচনা, নিবিড় পর্যবেক্ষণে ভারত
কেন বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চাইছে পাকিস্তান
আলজাজিরার এক্সপ্লেইনার / কেন বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রি করতে চাইছে পাকিস্তান
ইরানে বিক্ষোভ কেন, সরকার কি পতনের মুখে?
ইরানে বিক্ষোভ কেন, সরকার কি পতনের মুখে?
ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্পকে হুমকি দিয়ে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট
আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প
আমার আন্তর্জাতিক আইনের প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প
গুলির মুখে বুক পেতে দিচ্ছেন ইরানিরা, রক্তে লাল রাজপথ
গুলির মুখে বুক পেতে দিচ্ছেন ইরানিরা, রক্তে লাল রাজপথ
ভিন্নরূপে শহিদ কাপুর
ভিন্নরূপে শহিদ কাপুর
সম্পর্কে ইতি টানলেন খুশি-বেদাঙ্গ
সম্পর্কে ইতি টানলেন খুশি-বেদাঙ্গ
মুগ্ধতায় শায়না আমিন
মুগ্ধতায় শায়না আমিন
কাল থেকে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ শুরু
কাল থেকে ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’ শুরু
বিয়ে করলেন পার্থ শেখ
বিয়ে করলেন পার্থ শেখ
আবারও জুটি হচ্ছেন তারা
আবারও জুটি হচ্ছেন তারা
‘মহাশ্মশান’ নিয়ে ফিরল সোনার বাংলা সার্কাস
‘মহাশ্মশান’ নিয়ে ফিরল সোনার বাংলা সার্কাস
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
‘মুস্তাফিজের জায়গায় লিটন বা সৌম্য হলে কি একই সিদ্ধান্ত নিত বিসিসিআই?’
‘মুস্তাফিজের জায়গায় লিটন বা সৌম্য হলে কি একই সিদ্ধান্ত নিত বিসিসিআই?’
হ্যাটট্রিক করে বিপিএলে মৃত্যুঞ্জয়ের অনন্য কীর্তি
হ্যাটট্রিক করে বিপিএলে মৃত্যুঞ্জয়ের অনন্য কীর্তি
অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল নোয়াখালী
অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল নোয়াখালী
টানা ছয় ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে অবশেষে জয়ের মুখ দেখল নোয়াখালী এক্সপ্রেস। বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ১৪৮ রান তুলেছিল নবাগত দলটি। লক্ষ্যটা বড় না হলেও শেষ ওভারের নাটকে গিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় নোয়াখালী—নির্ণায়ক ওভারে তিন উইকেট নিয়ে নায়ক হন হাসান মাহমুদ। রংপুরের জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ১৫ রান। উইকেটে ছিলেন শেষ স্বীকৃত ব্যাটার খুশদিল শাহ। কিন্তু প্রথম বলেই তাকে ফিরিয়ে দেন হাসান। পরের বলে এক রান নেন সুফিয়ান মুকিম। তৃতীয় বলে বড় শট খেলতে গিয়ে আউট হন রংপুরের হ্যাটট্রিক–নায়ক মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। শেষ বলে মুস্তাফিজুর রহমানকে বোল্ড করে রংপুরের ইনিংস থামিয়ে দেন হাসান। ফলে ১৩৯ রানে গুটিয়ে যায় রংপুর এবং ৯ রানের জয় পায় নোয়াখালী। হাসান শেষ করেন ২৬ রানে ৪ উইকেট নিয়ে—ম্যাচের সেরা বোলার হিসেবে। এর আগে নোয়াখালীর ইনিংস শেষ দিকে বড় ধাক্কা খায়। রংপুরের হয়ে মৃত্যুঞ্জয় শেষের আগুনে স্পেলে একে একে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জহির খান ও বিলাল সামিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। তাতেই ১৯.৫ ওভারে ১৪৮ রানে অলআউট হয় নোয়াখালী। এর আগে মুস্তাফিজুর রহমানও হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন—তিনি জাকের আলী ও মেহেদী হাসান রানাকে আউট করেন। ব্যাটিংয়ে নোয়াখালীর শুরু ছিল উড়ন্ত। পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেটে ৬৬ রান তুলে নেয় তারা। ওপেনিং জুটি ভাঙে ২৫ রানে—শাহাদাত হোসেন দিপু ৮ বলে ১৪ রান করে মুস্তাফিজের বলে বোল্ড হন। এরপর সৌম্য সরকার ও হাবিবুর রহমান সোহান ঝড়ো জুটি গড়ে তোলেন। পাওয়ার প্লে শেষে সোহান ১৬ বলে ৩০ রান করে আউট হন (সুফিয়ান মুকিম)। এরপর সৌম্য (৩১), মোহাম্মদ নবি (০) ও হায়দার আলী (১) দ্রুত ফিরলে চাপ বাড়ে। এক সময় স্কোর দাঁড়ায় ৮৪/৪। মাঝে জাকের আলী সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন। ষষ্ঠ উইকেটে জাকের–অঙ্কন জুটি ৪০ বলে ৪৯ রান যোগ করে ইনিংসকে টানেন। তবে শেষদিকে ধসে বড় স্কোর গড়া হয়নি। রংপুরের বোলিংয়ে মুস্তাফিজ ১৮ রানে ৩ উইকেট, মৃত্যুঞ্জয় ৪৩ রানে ৩ উইকেট নেন; খুশদিল শাহ নেন দুটি, আর সুফিয়ান মুকিম ও নাহিদ রানার ঝুলিতে যায় একটি করে উইকেট। সব মিলিয়ে, শেষ ওভারের তিন আঘাতে দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাল নোয়াখালী—সপ্তম ম্যাচে এসে এল কাঙ্ক্ষিত জয়।
বিপিএল ছাড়ার হুমকি ঢাকা ক্যাপিটালসের
বিপিএল ছাড়ার হুমকি ঢাকা ক্যাপিটালসের
প্রিমিয়ার লিগ জয়ের জন্য শক্তি বাড়াল ম্যানসিটি
প্রিমিয়ার লিগ জয়ের জন্য শক্তি বাড়াল ম্যানসিটি
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X