বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২
জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। মোট ৩৯টি কেন্দ্রের ফল বিশ্লেষণে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল জয় লাভ করেছে। সহসভাপতি পদে মো. রিয়াজুল ইসলাম - ৫৫৬৪ ( ছাত্রশিবির) ও একেএম রাকিব- ৪৬৮৮ (ছাত্রদল সমর্থিত) ভোট পেয়েছেন।  সাধারণ সম্পাদক পদে আব্দুল আলিম আরিফ- ৫৪৭০ (ছাত্রশিবির) খাদিজাতুল কুবরা-
এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা
এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল
শীর্ষ ৩ পদে কত ভোট পেয়ে জিতল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল
শীর্ষ ৩ পদে কত ভোট পেয়ে জিতল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল
আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম
আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম
আ.লীগ যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে, ইতিহাসে তা বিরল : প্রধান উপদেষ্টা
আ.লীগ যে বর্বরোচিত ঘটনা ঘটিয়েছে, ইতিহাসে তা বিরল : প্রধান উপদেষ্টা
ফেসবুকে অস্ত্র উঁচিয়ে পোস্ট, সেই যুবক আটক
ফেসবুকে অস্ত্র উঁচিয়ে পোস্ট, সেই যুবক আটক
  • রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস বাস্তবায়ন কতদূর?

    কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের পাহাড়ঘেরা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির। ধুলোবালি মাখা পরিবেশে যখন জাতিসংঘের মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস একত্রে ইফতারের টেবিলে বসলেন, তখন তা কেবল একটি মানবিক অনুষ্ঠান ছিল না। এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর প্রতি এক বিশাল কূটনৈতিক বার্তা।  আজ এমন এক সময়ে আমরা এই সংকটের উত্তর খুঁজছি, যখন বৈশ্বিক রাজনীতির মনোযোগ ইউক্রেন আর গাজার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিবদ্ধ। আছে পাক-ভারত-চীন, সাথে সম্প্রতি যোগ হয়েছে ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গ। ফলে রোহিঙ্গা ইস্যুটি অনেকটা ‘বিস্মৃত ট্র্যাজেডি’ হিসেবে আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকারের তলায় হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাংলাদেশের জন্য এটি কোনো বিলাসিতা নয়, বরং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য এক বিশাল টাইমবোম। এখন

    গোয়েন্দা সংস্থাকে নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা অনাকাঙ্ক্ষিত

    বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তথ্যের সহজলভ্যতা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিস্তৃত প্রভাবের কারণে, ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ মানুষের মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষত রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে গুজব ও মিথ্যাচার সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। সম্প্রতি কিছু মিডিয়া ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আমাদের দেশীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার এবং বিভ্রান্তিকর মন্তব্য লক্ষ করা গেছে। এটি নিছক কুৎসিত কল্পনা নয়; এটি জাতীয় নিরাপত্তার ওপর একটি সরাসরি হুমকি। গোয়েন্দা সংস্থা যেকোনো দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এর মূল দায়িত্ব হলো দেশের অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত হুমকি শনাক্ত করা, সন্ত্রাস, অপরাধ ও জঙ্গি কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নীতিনির্ধারকদের সঠিক

    ফেসবুককে বিচারক বানিয়ে ফেলছি না তো!

    ডিজিটাল মানব হওয়ার দৌড়ে আমরা এখন আর শুধু মানুষ নই, আমরা এখন কনটেন্ট। আর সেই কনটেন্টের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী হলো আমাদের প্রিয় সামাজিক মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক। একসময় যাকে বলা হতো ‘ভার্চুয়াল স্পেস’, আজ তা এতটাই বাস্তব হয়ে উঠেছে যে, পাবলিক আর প্রাইভেটের মাঝখানের সীমারেখা প্রায় মুছে গেছে। প্রশ্ন জাগে, আমরা কি ফেসবুক ব্যবহার করছি, নাকি ফেসবুকই আমাদের ব্যবহার করছে? এ দেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়টি আরও কৌতুককর ও একই সঙ্গে উদ্বেগজনক। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই আগে আয়নায় মুখ দেখা হয় না, দেখা হয় ফেসবুকের নিউজফিডে। কে কী খেল, কে কোথায় গেল, কার সংসারে ঝামেলা, কার বাচ্চা আজ কী খেয়েছে—সবই এখন ‘পাবলিক
  • কিশোর অপরাধে সামাজিক মাধ্যম

    কিশোর অপরাধ আজ আর বিচ্ছিন্ন কোনো পারিবারিক বা ব্যক্তিগত ব্যর্থতার গল্প নয়; এটি ক্রমেই একটি সামাজিক বাস্তবতা, যার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। প্রযুক্তির সহজলভ্যতা কিশোরদের হাতে যে বিপুল ক্ষমতা তুলে দিয়েছে, তা যেমন তাদের জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও বিশ্বদৃষ্টিকে প্রসারিত করেছে, তেমনি অনিয়ন্ত্রিত ও অসম্পাদিত এ ডিজিটাল জগৎ তাদের মানসিক গঠনে তৈরি করেছে নানা জটিলতা। কৈশোর এমন একটি সময়, যখন মানুষ নিজেকে খুঁজতে চায়, স্বীকৃতি পেতে চায়, ভিড়ের মধ্যে আলাদা হয়ে উঠতে চায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এ চাহিদাকে আরও উসকে দেয়। লাইক, শেয়ার, ভিউ আর কমেন্টের সংখ্যাই যেন হয়ে ওঠে জনপ্রিয়তা ও সাফল্যের মানদণ্ড। এই প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা অনেক কিশোরকে ঠেলে দেয়

    ক্ষমতা আইনকে অপহরণ করেছে

    ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইনের কোনো ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে নেই। এটিকে সীমান্তের বাইরে বিস্তৃত কোনো বৈধ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার উদ্যোগ বলা যায় না। এটি আসলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নগ্ন শক্তির প্রকাশ। এক ধরনের রাষ্ট্রীয় আগ্রাসন, যেখানে কোনো আড়াল বা লজ্জা নেই। এখানে আইনের জায়গা দখল করেছে ক্ষমতা। ন্যায়নীতির বদলে প্রাধান্য পেয়েছে নিজের পছন্দ ও স্বার্থ। বলপ্রয়োগকে দেখানো হচ্ছে নৈতিকতা ও সদগুণ হিসেবে। কিন্তু এটি আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষার চেষ্টা নয়। বরং নীরবে সেই শৃঙ্খলাকেই হত্যা করা হচ্ছে। যখন একটি রাষ্ট্র আইনকে অপহরণ করে অন্য একটি রাষ্ট্রের নেতাকে অপহরণের বৈধতা দেখাতে চায়, তখন সে আইন বা শৃঙ্খলা রক্ষা

    ছাব্বিশ হোক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বছর

    দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল একবিংশ শতাব্দীর চতুর্থাংশ বা কোয়ার্টার সেঞ্চুরি। এই অংশের শেষ মাস ডিসেম্বর শেষ হয়েছে হয়েছে কান্না ভেজা ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। এর আগে শেষ হয়েছে ভুলতে না পারা নভেম্বর। ছোটবেলা থেকে অনবরত ইতিহাস পড়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ সনদ লাভের জন্য রাজনীতি বিজ্ঞান নিয়ে পড়তে গিয়েও রাজনৈতিক ইতিহাস পড়তে হয়েছে। তাই কোন কিছু নিয়ে লিখতে গেলেই অতীতের অনেক ঘটনা প্রবাহ মনে ভর করে। বিশেষ করে নভেম্বর ও ডিসেম্বরের ঘটনা ভুলার মত নয়। এ বছর নভেম্বর মাস শুরু হয়েছিল ব্যতিক্রমী ঝড়-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে। ১৯৭০ সালের ১২ ই নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) দক্ষিণাঞ্চলে এই উপমহাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহনতম ঘূর্ণিঝড় আঘাত
  • ভেনেজুয়েলায় ট্রাম্পীয় মোড়কে ‘রেজিম চেঞ্জ’

    ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপে ডোনাল্ড ট্রাম্প একেবারেই ভিন্নমাত্রার উন্মত্ততা যোগ করেছেন। কোনোরকম উসকানি ছাড়াই চালানো এ সর্বশেষ মার্কিন আগ্রাসন আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় আরও বেশি অযৌক্তিক ও বেপরোয়া বলে মনে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন বছরের সূচনাই করেছেন তার চিরাচরিত বিশৃঙ্খল ও উগ্র ভঙ্গিতে। বছরের শুরুতেই তিনি ভেনেজুয়েলার ওপর ব্যাপক আকারে বিমান হামলা চালানোর নির্দেশ দেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ হামলার সময় ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়েছে এবং তাকে গোপন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যার অবস্থান এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এ হামলা পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত নয়। কারণ, ট্রাম্পের অতীত কর্মকাণ্ডের দিকে তাকালে স্পষ্ট হয় যে,

    তীব্র শীতে সতর্ক থাকুন

    দেশজুড়ে জেঁকে বসছে শীত। বইছে হিমেল হাওয়া। নতুন বছরের শুরুতে আবহাওয়ার পূর্বাভাসও হাড়কাঁপানো শীতের বার্তা দিচ্ছে। চলতি জানুয়ারি মাসেই দেশের ওপর মোট পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার একটি এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের কোনো কোনো এলাকায় তাপমাত্রা নেমে আসতে পারে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের জানুয়ারি মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এ মাসে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি এবং এক থেকে দুটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরাঞ্চল ও নদী অববাহিকার এলাকাগুলোয় শীতের তীব্রতা বেশি হতে পারে। তবে আবহাওয়া

    ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন : গণতন্ত্রের পুনরুত্থান 

    ভোট একটি পবিত্র নাগরিক অধিকার এবং একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বের প্রধানতম স্তম্ভ। কিন্তু বাংলাদেশের ৫৪ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোট বরাবরই এক অমীমাংসিত সংকটের নাম এবং এটি বারবার বিতর্কিত হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়েছে। বিশেষ করে বিগত দেড় দশক ধরে বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে যেভাবে ধূলিসাৎ করা হয়েছে, তাতে ভোট শব্দটি এ দেশের মানুষের কাছে কেবলই এক নিষ্ঠুর প্রহসনে পরিণত হয়েছিল। আজ নতুন বছরের (২০২৬) প্রথম মাসের প্রথম সপ্তাহ। আমরা এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। যেখানে পেছনে পড়ে আছে দেড় দশকের অন্ধকার আর সামনে হাতছানি দিচ্ছে ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার যে মহাবিপ্লব বাংলাদেশের ললাট থেকে স্বৈরাচারের তিলক চিরতরে
  • ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:০২ পিএম
    দেশে আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি একমত ?

    দেশে আইপিএলের সব খেলা সম্প্রচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। এমন সিদ্ধান্তের সঙ্গে আপনি একমত ?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৪,২১৬ জন
    মোট ভোটারঃ ৪,২১৬
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিজয়ী হয়ে যা বললেন রিয়াজুল

সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা

এবার সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার তারেক

গোপালগঞ্জে শতাধিক আ.লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কবে নামছে বাংলাদেশ, কারা প্রতিপক্ষ—জানাল আইসিসি

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যার সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

শীর্ষ ৩ পদে কত ভোট পেয়ে জিতল ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল

জকসু নির্বাচনে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জুলাইয়ে বীরত্ব : সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক

১০

পাকিস্তানের আকাশসীমায় অসুস্থ হওয়া বিমানের যাত্রীর মৃত্যু, তদন্তের মুখে পাইলট

১১

ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়

১২

আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম

১৩

৪৮৯ উপজেলায় বিজিবি মোতায়েন থাকবে

১৪

ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যায় মামলা, বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

১৫

কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছারকে কারাদণ্ড

১৬

‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা বাড়ির বাইরে থাকতে পারবে না’

১৭

এবার আর্থিক সহায়তা চাইলেন হান্নান মাসউদ

১৮

‘জুলাই বার্তাবীর’ সম্মাননা পেলেন কালবেলার আমজাদ

১৯

দুই বন্ধুর একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গেই মৃত্যু

২০
এখনো আসন সমঝোতার ‘স্বপ্ন’ দেখছে জাপা!
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুরুর বাকি আর মাত্র তেরো দিন। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ছাড়া ভোটের অঙ্কে নেই কোনো বড় দল। এদিকে এই
স্কুলে গেলেও শিখছে না শিশু
দেশের বেশিরভাগ শিশু অংশ নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষায়, বেড়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে উপস্থিতিও। তবে শিক্ষার গুণগত মানের উন্নতি হচ্ছে না; বরং শেখার ন্যূনতম দক্ষতায় ভয়াবহ ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। অধিকাংশ শিশু মৌলিক শিক্ষা
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে সক্রিয় হচ্ছেন বিদেশিরা
ফেব্রুয়ারিতে হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ এক বাঁকবদলের ক্ষণ পার করছে বাংলাদেশ, যা ঘিরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বিশ্বের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের দিকে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের সংসদ
নির্বাচন সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারেক রহমান
দেশে ফিরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দীর্ঘ ১৭ বছরের বেশি সময় পর গত ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন
জুলাইয়ে বীরত্ব : সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক
জুলাইয়ে বীরত্ব : সম্মাননা পেল ১২শ আহত, শহীদ পরিবার ও সাংবাদিক
আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জুলাই বীর সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠান। এতে জুলাই আন্দোলনে আহত, শহীদ পরিবার এবং সাংবাদিকদের মাঝে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ফেলানী হত্যা দিবসে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের উদ্যোগে ও জেএএম সংস্থার সার্বিক সহযোগিতায় ইনস্টিটিউশন অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)  দিনব্যাপী আগ্রাসন বিরোধী জুলাই সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রায় ১২শ জনের মাঝে সম্মাননা স্মারক ও চেক বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে জুলাইয়ে সাহসীকতার স্বীকৃতি স্বরুপ ১০২ জন সাংবাদিককে বার্তাবীর সম্মাননা দেওয়া হয়। সংগঠনটির সদস্য সচিব আলামিন আটিয়া ও ডাকসুর সদস্য তাজিনুর রহমানের সঞ্চালনায় ও ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক তারেক আজিজের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপিপ সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেএএম সংস্থার চেয়ারম্যান মেহরিন উজমা। এ ছাড়াও বিভিন্ন দল, ছাত্র সংগঠনের নেতা, শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত এবং সাংবাদিকরা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, আজ আমরা মুক্ত হয়েছি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সফলতার কারণে। শহীদ আবু সাঈদসহ সকল শহীদদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্র-জনতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। যারা সেসময় নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে তাদের বিচার অবশ্যই এই বাংলার মাটিতে হতে হবে। আমরা আজ প্রাথমিকভাবে আপনাদের পাশে থাকতে পেরে আনন্দিত। আগামীতেও এই ধারা অব্যহত থাকবে। শুধু তাই নয়, আপনাদের কর্মসংস্থান কীভাবে তৈরি করা যায় তা নিয়েও আমরা কাজ করব। ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিগবাতুল্ল্যাহ সিগবাহ জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষে সরকারকে হুশিয়ারি দিয়ে জানান, জুলাই শহীদ ও শহীদ বিচার নিয়ে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র হলে তার পরিণাম দ্বিতীয় জুলাই হবে। বাংলার বুকে বিদেশি আধিপত্যবাদ কায়েম করে আর কোনো নব্য ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে দেওয়া হবে না। সভাপতির বক্তব্যে আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মো. তারেক আজিজ বলেন, দেশের প্রান্তিক অঞ্চল থেকে দেড় বছর পর জুলাই যোদ্ধা আহতরা এসেছেন, জুলাইকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন, তাই সকলকে অন্তরের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। জুলাই গাদ্দারদের কবলে পড়েছে। বাঁচাতে, বিচার পেতে এবং আগ্রাসন বিরোধী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে জুলাই যোদ্ধাদের বিকল্প নেই। ৭জানুয়ারি ফেলানী হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফেলা হয়। জুলাই যোদ্ধাদের নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা, পাড়া, মহল্লায় আগ্রাসন বিরোধী আন্দোলনের শক্তিশালী দল গড়ে তুলুন।
৩ ঘণ্টা আগে

নির্বাচনে উচ্চপর্যায়ের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে ইইউ

৫ ঘণ্টা আগে

শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশা নিয়ে নতুন বার্তা আবহাওয়া অফিসের

৫ ঘণ্টা আগে

ডিক্যাব সভাপতি মঈনুদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইমরুল

৬ ঘণ্টা আগে

সবচেয়ে কম তাপমাত্রা থাকতে পারে যে ২ দিন

৭ ঘণ্টা আগে

আসামিদের নামাজ পড়তে হাজতখানায় জায়নামাজ দিলেন ঢাকার সিজিএম

৮ ঘণ্টা আগে
এবার সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার তারেক
এবার সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার তারেক
নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের সহযোগিতা চাইলেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব তারেক রহমান। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে ভেরিফায়েড ফেসবুক থেকে লাইভে এসে তিনি এ সহযোগিতা চান। তারেক বলেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে আমি ঢাকা–১২ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি। একটি নির্বাচন সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে যে উল্লেখযোগ্য ব্যয় প্রয়োজন, তা এককভাবে বহন করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এ কারণে আপনাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের কোটা আন্দোলনের পর থেকে আপনারা আমার রাজনৈতিক পথচলা প্রত্যক্ষ করে আসছেন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম ও সংকটময় সময়ে আমি সবসময় আপনাদের পাশে থেকেছি। আবার বিপদের মুহূর্তে আপনাদেরও পাশে পেয়েছি। দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ভাইয়েরা, ব্যবসায়ী সমাজ এবং চাকরিজীবী ভাই-বোনদের সহযোগিতায় আমি বহুবার কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়েছি। তারেক বলেন, আজ সেই আস্থার জায়গা থেকেই ঢাকা–১২ আসনের নির্বাচনী ব্যয় নির্বাহের জন্য আপনাদের সহযোগিতা চাইছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে আমি আমার নির্বাচনী কার্যক্রম সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে পারব। একইসঙ্গে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদী—আপনাদের সমর্থন ও পাশে থাকার মাধ্যমে ঢাকা–১২ আসনে নির্বাচনে বিজয় অর্জন করা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ। আপনাদের পাশে পাওয়া আমার জন্য শক্তি ও অনুপ্রেরণা। এর আগে ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনের আলোচিত প্রার্থী এবং এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ একইভাবে সমর্থকদের কাছে নির্বাচনী ব্যয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা চেয়েছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম
আয় ও সম্পদ নিয়ে অপপ্রচার, মুখ খুললেন নাহিদ ইসলাম
এবার আর্থিক সহায়তা চাইলেন হান্নান মাসউদ
এবার আর্থিক সহায়তা চাইলেন হান্নান মাসউদ
তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে জুলাই আন্দোলন করেছি : রাশেদ
তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে জুলাই আন্দোলন করেছি : রাশেদ
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যা
বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার
বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার
‘বেইমান’ আখ্যা পাওয়া ৩ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি
‘বেইমান’ আখ্যা পাওয়া ৩ নেতাকে দলে ফেরাল বিএনপি

এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ‍্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ‍্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ‍্যায় সারা দেশের পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের জন‍্য এমন এক নোটিশ জারি করেছে ব্যবসায়ী সমিতি। এতে বলা হয়, সব কোম্পানির প্লান্ট থেকে এলপিজি উত্তোলনও বন্ধ থাকবে। এর আগে এদিন সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ‍্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয় তারা। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। প্রতি মাসে এলপিজির মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করে কমিশন। এ নিয়ে সকালে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই মূল্য সমন্বয় করেছে।

টানা বৃদ্ধির পর কমলো স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বর্ণের দাম একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছে। বছরের শুরুতেও কয়েক দফায় দাম বাড়ে। অবশেষে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা মন্দাভাব দেখানোয় দাম কমলো। লেনদেনের মাঝামাঝিতে স্পট গোল্ড (বর্তমান দাম) ১% কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৫২.৯৭ ডলারে নেমেছে। সেশনের শুরুতে এটি এক সপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর স্পর্শ করেছিল। গত ২৬ ডিসেম্বর সোনা রেকর্ড উচ্চতায় ৪,৫৪৯.৭১ ডলার প্রতি আউন্সে পৌঁছেছিল। ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির ইউএস গোল্ড ফিউচার্স ০.৭% কমে ৪,৪৬২.৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। দাম কিছুটা কমায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর এই ধরনের প্রফিট বুকিং খুবই স্বাভাবিক। তবে অনেকে এখনো মনে করছেন যে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, সম্ভাব্য ফেড রেট কাট এবং অন্যান্য নিরাপদ আশ্রয়ের চাহিদার কারণে স্বর্ণের দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্বর্ণের এই সংশোধনমূলক পতনকে বাজারে অনেকেই ‘স্বস্তির শ্বাস’ হিসেবে দেখছেন। তেমনি অনেকের জন্য নতুন করে স্বর্ণ কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টার বড় চালান বাংলাদেশে

দীর্ঘ আট বছরের বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চমানের ভুট্টার একটি বড় চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। ‘এমভি বেলটোকিও’ নামের মাদার ভেসেলটি ওয়াশিংটনের ভ্যাঙ্কুভার বন্দর থেকে যাত্রা করে গত ৩১ ডিসেম্বর বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম বন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভুট্টা খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ২০১৮ সালের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে আসা ভুট্টার প্রথম চালান। দীর্ঘ বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টা আমদানি উপলক্ষে কনফিডেন্স সিমেন্ট ঘাটে ‘দ্য রিটার্ন অব ইউএস কর্ন টু বাংলাদেশ’ শিরোনামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের অ্যাগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এরিন কোভার্ট বলেন, ‘২০২৫-২৬ ফসল মৌসুমে এসব ভুট্টা উৎপাদিত হয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা এরো বাংলাদেশে। ভুট্টার মান ও সরবরাহ ব্যবস্থার বিষয়ে আমরা নিশ্চয়তা দিচ্ছি।’ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাংকুভার বন্দর থেকে চালানটি পাঠানো হয়। বাংলাদেশে পশুখাদ্য প্রস্তুতকারকদের প্রাণী পুষ্টির নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চমানের ভুট্টা ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছে এই সরবরাহ। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসব ভুট্টা রপ্তানি করেছে দেশটির অন্যতম প্রধান শস্য রপ্তানিকারক কোম্পানি ইউনাইটেড গ্রেইন করপোরেশন। দেশের শীর্ষস্থানীয় পশুখাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নাহার এগ্রো গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ এবং নারিশ পোল্ট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড যৌথভাবে ভুট্টাটি আমদানি করেছে। প্রায় ৫৭ হাজার ৮৫৫ টনের এই চালানটি আমদানিতে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৪২ লাখ ডলার বা প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা। আমদানিকৃত ভুট্টার মধ্যে নারিশ পোল্ট্রি ২৯ হাজার টন, প্যারাগন গ্রুপ ১৯ হাজার টন এবং নাহার এগ্রো গ্রুপ ১০ হাজার টন সংগ্রহ করবে। পণ্যগুলো চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও নোয়াপাড়া বন্দরে খালাস করা হবে। শিপিং ও লজিস্টিকস সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে চালানটি পৌঁছাতে প্রায় ৪৬ দিন সময় লেগেছে। আমদানিকারকদের মতে, ভারত থেকে ভুট্টা আনতে ১০-১৫ দিন এবং ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনা থেকে ৩০-৩৫ দিন সময় লাগলেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে লোডিং ও আনলোডিংসহ মোট সময় প্রায় ৬০ দিন পর্যন্ত হতে পারে। এই চালানে প্রতি টন ভুট্টার আমদানি মূল্য ধরা হয়েছে ২৪৬ মার্কিন ডলার। চট্টগ্রাম বন্দরে ভুট্টার ল্যান্ডিং কস্ট প্রতি কেজিতে আনুমানিক ৩৪ টাকা পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সাধারণত ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও মিয়ানমার থেকে ভুট্টা আমদানি করে থাকে। তবে মার্কিন দূতাবাসের উদ্যোগ ও লোডিং পয়েন্ট ব্যবস্থাপনায় গতি আসায় দীর্ঘ আট বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই বাণিজ্যিক ট্রায়াল সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমদানিকারকদের আশা, ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে মার্কিন ভুট্টা আমদানি হলে পশুখাদ্যের গুণগত মান বাড়ার পাশাপাশি বাজারে প্রতিযোগিতাও জোরদার হবে। আমদানি ও উৎপাদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের ভুট্টার সরবরাহ ছিল প্রায় ৭০ লাখ টন। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন হয় ৫৫ লাখ টন। আমদানি হয় ১৪ লাখ ৮৮ হাজার টন। অর্থাৎ চাহিদার ২১ শতাংশ আমদানি হয়েছে গত অর্থবছরে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ভুট্টা আমদানির বড় অংশই আসছে ব্রাজিল থেকে। যেমন ২৪-২৫ অর্থবছরে ৩১ কোটি ৭৪ লাখ ডলার ব্যয়ে ১৪ লাখ ৮৮ হাজার টন ভুট্টা আমদানি হয় বাংলাদেশে। এর মধ্যে ব্রাজিল থেকে আমদানি হয় ৮৬ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে এই তালিকায় যুক্ত হলো যুক্তরাষ্ট্র।
৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টার বড় চালান বাংলাদেশে

ডিসেম্বরে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এলো যেসব দেশ থেকে

ডিসেম্বর মাসে দেশে এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব থেকে। পাশাপাশি শীর্ষ ১০ রেমিট্যান্স প্রেরণকারী দেশের তালিকায় রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও কয়েকটি দেশ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪৯ কোটি ১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা একক দেশ হিসেবে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ ছাড়া ডিসেম্বর মাসে যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে ৪০ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার, মালয়েশিয়া থেকে ৩২ কোটি ২৮ লাখ ২০ হাজার ডলার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৫ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার ডলার এবং ইতালি থেকে এসেছে ১৯ কোটি ৫৩ লাখ ১০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। শীর্ষ তালিকার অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ওমান (১৮ কোটি ৪ হাজার ডলার), কুয়েত (১৬ কোটি ৪৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার), কাতার (১৪ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার ডলার) এবং সিঙ্গাপুর (১১ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার ডলার)। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর মাসে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স দেশের ইতিহাসে একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল গত মার্চ মাসে, যখন প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। ব্যাংকভিত্তিক হিসাবে দেখা যায়, ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৭ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২২৯ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। এর আগে চলতি অর্থবছরে নভেম্বর মাসে সর্বোচ্চ ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স আসে। অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে রেমিট্যান্স ছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার এবং ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এ ছাড়া আগস্ট ও জুলাই মাসে দেশে এসেছে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার এবং ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরজুড়ে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।
১৫ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এলো যেসব দেশ থেকে

দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ

দেশের বাজারে আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকায় বিক্রি হবে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বর্ণ ভরিতে ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। সবশেষ চলতি বছরের ৪ জানুয়ারি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়; যা কার্যকর হয়েছিল ৫ জানুয়ারি থেকে। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে তৃতীয়বারের মতো সমন্বয় করা হলো স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ১ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সঙ্গে এবার বাড়ানো রয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৩৮৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২ দফা সমন্বয় করা হলো রুপার দাম। যেখানে দাম ১ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে আরেক দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।
১৬ ঘণ্টা আগে
দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ
সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা
সুখবর পেলেন বিএনপি নেত্রী রাহেনা
গোপালগঞ্জে শতাধিক আ.লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
গোপালগঞ্জে শতাধিক আ.লীগ কর্মীর বিএনপিতে যোগদান
কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছারকে কারাদণ্ড
কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান নূরুল আবছারকে কারাদণ্ড
‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা বাড়ির বাইরে থাকতে পারবে না’
‘সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীরা বাড়ির বাইরে থাকতে পারবে না’
দুই বন্ধুর একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গেই মৃত্যু
দুই বন্ধুর একসঙ্গে বেড়ে ওঠা, একসঙ্গেই মৃত্যু
সুন্দরবনে ফাঁদে আটক হরিণ উদ্ধার, শিকারি গ্রেপ্তার
সুন্দরবনে ফাঁদে আটক হরিণ উদ্ধার, শিকারি গ্রেপ্তার
তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে জুলাই আন্দোলন করেছি : রাশেদ
তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে জুলাই আন্দোলন করেছি : রাশেদ
ফেসবুকে অস্ত্র উঁচিয়ে পোস্ট, সেই যুবক আটক
ফেসবুকে অস্ত্র উঁচিয়ে পোস্ট, সেই যুবক আটক
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

টানা বৃদ্ধির পর কমলো স্বর্ণের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। বুধবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বর্ণের দাম একের পর এক রেকর্ড ভেঙেছে। বছরের শুরুতেও কয়েক দফায় দাম বাড়ে। অবশেষে বিনিয়োগকারীরা কিছুটা মন্দাভাব দেখানোয় দাম কমলো। লেনদেনের মাঝামাঝিতে স্পট গোল্ড (বর্তমান দাম) ১% কমে প্রতি আউন্স ৪,৪৫২.৯৭ ডলারে নেমেছে। সেশনের শুরুতে এটি এক সপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তর স্পর্শ করেছিল। গত ২৬ ডিসেম্বর সোনা রেকর্ড উচ্চতায় ৪,৫৪৯.৭১ ডলার প্রতি আউন্সে পৌঁছেছিল। ফেব্রুয়ারি ডেলিভারির ইউএস গোল্ড ফিউচার্স ০.৭% কমে ৪,৪৬২.৭০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। দাম কিছুটা কমায় ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যাচ্ছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর এই ধরনের প্রফিট বুকিং খুবই স্বাভাবিক। তবে অনেকে এখনো মনে করছেন যে, ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, সম্ভাব্য ফেড রেট কাট এবং অন্যান্য নিরাপদ আশ্রয়ের চাহিদার কারণে স্বর্ণের দীর্ঘমেয়াদি ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকতে পারে। বর্তমানে স্বর্ণের এই সংশোধনমূলক পতনকে বাজারে অনেকেই ‘স্বস্তির শ্বাস’ হিসেবে দেখছেন। তেমনি অনেকের জন্য নতুন করে স্বর্ণ কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রিতে নজর পাকিস্তানের
বাংলাদেশে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রিতে নজর পাকিস্তানের
মাদুরোর মুক্তির দাবিতে হাজার হাজার নারীর বিক্ষোভ
মাদুরোর মুক্তির দাবিতে হাজার হাজার নারীর বিক্ষোভ
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল ভারত
কীসের নেশায় গ্রিনল্যান্ড চান ট্রাম্প?
কীসের নেশায় গ্রিনল্যান্ড চান ট্রাম্প?
তেলবাহী জাহাজ ঘিরে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে উত্তেজনা, রুশ সাবমেরিন মোতায়েন
তেলবাহী জাহাজ ঘিরে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে উত্তেজনা, রুশ সাবমেরিন মোতায়েন
দৃষ্টিহীনদের পথ দেখাচ্ছে রোবট কুকুর
দৃষ্টিহীনদের পথ দেখাচ্ছে রোবট কুকুর
আশা করি বউ আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবে : জোভান
আশা করি বউ আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবে : জোভান
অক্ষয় খান্নার চরিত্র যেভাবে ‘ছিনিয়ে’ নেন আমির!
অক্ষয় খান্নার চরিত্র যেভাবে ‘ছিনিয়ে’ নেন আমির!
সিবিআইয়ের জেরার মুখে থালাপতি বিজয়
সিবিআইয়ের জেরার মুখে থালাপতি বিজয়
সুনেরাহ অনেক পোংটা: আরশ খান
সুনেরাহ অনেক পোংটা: আরশ খান
রাবা খানের গল্পে সুনেরাহ-আরশ
রাবা খানের গল্পে সুনেরাহ-আরশ
এ সপ্তাহের হলিউড
এ সপ্তাহের হলিউড
তামান্নার আকাশচুম্বী পারিশ্রমিক
তামান্নার আকাশচুম্বী পারিশ্রমিক
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়
ফারহানের ফিফটিতে লঙ্কান দুর্গে পাকিস্তানের দাপুটে জয়
সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতে শীর্ষে ফিরল চট্টগ্রাম
সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতে শীর্ষে ফিরল চট্টগ্রাম
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কবে নামছে বাংলাদেশ, কারা প্রতিপক্ষ—জানাল আইসিসি
বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কবে নামছে বাংলাদেশ, কারা প্রতিপক্ষ—জানাল আইসিসি
২০২৬ আইসিসি নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেতে নেপালে মাঠে নামছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, ১০ দলের এই বাছাই পর্বে গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আগামী ১৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ বাছাই অভিযান। আগামী জুন–জুলাইয়ে ইংল্যান্ডে বসবে নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর। স্বাগতিক ইংল্যান্ডসহ ইতোমধ্যে আটটি দল মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে। নেপালে অনুষ্ঠিত বাছাই টুর্নামেন্ট থেকে বাকি চারটি দল চূড়ান্ত হবে। গ্রুপ বিন্যাস ও বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ বাছাইপর্বে দলগুলোকে দুই গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। গ্রুপ ‘এ’: বাংলাদেশ, যুক্তরাষ্ট্র, আয়ারল্যান্ড, নামিবিয়া ও পাপুয়া নিউগিনি গ্রুপ ‘বি’: নেপাল, নেদারল্যান্ডস, স্কটল্যান্ড, থাইল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ে গ্রুপ পর্ব শেষে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ তিনটি দল উঠবে সুপার সিক্সে। সেখানে এক গ্রুপের দলগুলো অন্য গ্রুপ থেকে আসা তিন দলের বিপক্ষে খেলবে। সুপার সিক্স পর্ব শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চার দল পাবে বিশ্বকাপের মূল পর্বের টিকিট। ভেন্যু ও প্রস্তুতি বাছাইয়ের সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে নেপালের দুই মাঠে— কীর্তিপুরের ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ড মুলপানি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট গ্রাউন্ড মূল লড়াইয়ে নামার আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ নারী দল নেদারল্যান্ডস ও থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি ওয়ার্মআপ ম্যাচ খেলবে। বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার স্বপ্ন সামনে রেখে নেপালের বাছাই পর্বে বাংলাদেশ নারী দলের এই অভিযান তাই বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
বিপিএল মাঝপথে রেখে পাকিস্তানে ফিরলেন মোহাম্মদ আমির
বিপিএল মাঝপথে রেখে পাকিস্তানে ফিরলেন মোহাম্মদ আমির
পিএসএলে নাম লিখিয়েছেন ১০ বাংলাদেশি ক্রিকেটার
পিএসএলে নাম লিখিয়েছেন ১০ বাংলাদেশি ক্রিকেটার
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X