লাইভ

খালেদা জিয়ার জীবনাবসান

দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন। গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার অবস্থা অত্যন্ত জটিল এবং তিনি সংকটময় মুহূর্ত পার করছিলেন

ক্লিক করুন
Image
জামায়াত-চরমোনাই-এনসিপি জোটে অবিশ্বাসের দোলাচল

জামায়াত-চরমোনাই-এনসিপি জোটে অবিশ্বাসের দোলাচল

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আসন সমঝোতা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে অস্বস্তি দিনদিন স্পষ্ট হচ্ছে। ৩০০ সংসদীয় আসনে এই জোটভুক্ত দলগুলো থেকে ৬০০-এর বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় দলগুলোর মধ্যে দরকষাকষির সমীকরণ আরও জটিল আকার নিয়েছে। প্রতিটি দলই নিজেদের
আজ টানা ১০ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়
আজ টানা ১০ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়
রাতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম চিনে ফেলায় গায়ে আগুন
রাতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম চিনে ফেলায় গায়ে আগুন
বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুরের পদত্যাগ ও ফেরার কারণ
বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুরের পদত্যাগ ও ফেরার কারণ
বাছাইপর্ব ডিঙাতে পারেননি আলোচিত অনেক প্রার্থী
বাছাইপর্ব ডিঙাতে পারেননি আলোচিত অনেক প্রার্থী
সাড়ে পাঁচ কোটি বই বাকি রেখেই শুরু নতুন শিক্ষাবর্ষ
সাড়ে পাঁচ কোটি বই বাকি রেখেই শুরু নতুন শিক্ষাবর্ষ
২ শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নৌকাডুবি, ৭ জনের মৃত্যু
২ শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নৌকাডুবি, ৭ জনের মৃত্যু
  • উজ্জ্বল ‘সর্বনাম’ হয়ে বেঁচে থাকবেন

    বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু এমন এক সময়ে হলো যখন দেশ গণতন্ত্রের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশে উন্মুখ। তিনি হতে পারতেন সে অভিযাত্রার একজন মহাসারথি। তার এ প্রয়াণ ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য বিরাট এক শূন্যতা তৈরি করেছে। যে কোনো ব্যক্তির দায় ও দায়িত্ব, জীবন ও কর্ম অন্য আরেকজনের মাধ্যমে মেটানো যায়। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে সে বিধান দেওয়াই আছে! বিশেষ্যের কাজ বিশেষ্য দিয়ে সহজে পূরণ হয়ে যায়। কিন্তু যিনি আপাদমস্তক ‘সর্বনাম’ তার জীবনের রিপ্লেসমেন্ট, কর্মের প্রযোজনা অন্য কাউকে দিয়ে পূর্ণ করা সম্ভব নয়। বুঝিয়ে বলছি! বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসনের পদটি বেগম জিয়ারই উত্তরসূরি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে দিয়ে এতদিন চলেছে, যেমন এখন আরও সুচারুরূপেও চলা সম্ভব।

    তিন গৃহবধূর অভিন্ন শোক ও সংগ্রামের গল্প

    তিনটি ছোট দেশ ফিলিপাইন, বাংলাদেশ ও নিকারাগুয়া। তিন নারী, তিন ঘর, তিনটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। এ যেন এক অদৃশ্য হাতে তিনটি দরজায় মৃত্যুর কড়া নাড়া। ইতিহাস তিন দেশের তিন গৃহবধূকে টেনে এনেছে একই বৃত্তে। তারা হলেন—কোরাজন অ্যাকুইনো কোরি, বেগম খালেদা জিয়া এবং ভায়োলেটা চামোরো। স্বামী হারানো শোক তাদের স্তব্ধ করেছিল, কিন্তু সেই নৈঃশব্দ্য থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল গগনবিদারী স্লোগান। তিনজনই স্বামী হারানোর বেদনা থেকে উঠে দাঁড়িয়েছেন। স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করেছেন। শান্তি, গণতন্ত্র ও মানুষের মর্যাদাকে রেখেছেন নিজের সংগ্রামের কেন্দ্রে। অরাজনৈতিক জীবনের প্রান্ত থেকে হয়েছেন দেশনেত্রী। তারা প্রমাণ করেছেন, রাজনীতি কেবল ঠান্ডা কৌশলের খেলা নয়; কখনো কখনো এটি শোকের মধ্য থেকে উঠে

    তিনি ছিলেন সাধারণ সৈনিকদেরও মা

    ১৯৯০-৯১ সালের কথা। বাংলাদেশ থেকে অস্ত্র এবং সৈন্যবাহিনী নিয়ে প্রথমবারের মতো রীতিমতো যুদ্ধের জন্য দেশের বাইরে গমন করে প্রথম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট নামের একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন। তাদের সঙ্গে আরও ছিল মেডিকেল কোর, ইঞ্জিনিয়ারিং কোর, সাপ্লাই কোর, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর ও সদর দপ্তরের আরও কিছু সেনাসদস্য। সৌদি আরব-কুয়েত সীমান্তে অবস্থান নেয় প্রথম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট। সাদ্দাম হোসেনের নির্দেশে ইরাকি সৈন্যরা ততদিনে কুয়েত দখল করে সৌদি আরব দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ইরাকের এমন পরিকল্পনা রুখে দিতে বহুজাতিক বাহিনীর সঙ্গে বাংলাদেশের সৈন্যরাও অস্ত্র হাতে মরুভূমির বুকে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। পবিত্র নগরীর মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখা এবং সৌদি নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় মার্কিন সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ
  • খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ৫ পদক্ষেপ

    বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া তিন মেয়াদে সরকার গঠন করে ক্ষমতায় ছিলেন। তার প্রধানমন্ত্রিত্বের তিন মেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের ৫টিতে আলোকপাত করা হলো— সংসদীয় গণতন্ত্র ফেরানো: খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে অভিষেক আশির দশকে। সে সময় স্বৈরশাসক এরশাদের সামরিক শাসন চলছিল। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনবার গ্রেপ্তার হন তিনি। এরশাদ সরকার পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে বিএনপি। ক্ষমতায় এসে প্রথম মেয়াদে দ্বাদশ সংশোধনী পাসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরিয়ে আনেন। বিনামূল্যে নারী শিক্ষা: প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম মেয়াদেই শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন খালেদা জিয়া। এটি দেশের নারী শিক্ষায় ব্যাপক পরিবর্তন

    মায়ের কাছেই রাজনীতির দীক্ষা নেন পুত্র তারেক

    ১৯৮১ সালের ৩০ মে। দেশের আকাশে এক মহাদুর্যোগ নেমে আসে। কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করেন। এরপর ১৯৮২ সালে দলের প্রাথমিক সদস্য হওয়ার মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তার সহধর্মিণী খালেদা জিয়া। তার রাজনীতিতে প্রবেশের মধ্য দিয়েই নতুন বিএনপি তার পথচলা শুরু করে। কিন্তু তিনি একা রাজনীতি করেননি। দুই পুত্রকেও রাজনীতির শিক্ষা দিতে থাকেন বেগম জিয়া। গত চার দশক খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কর্মসূচিগুলোয় তারেকের সরব উপস্থিতি এবং দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মধ্য দিয়েই তার প্রমাণ মেলে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, খালেদা জিয়া তার জ্যৈষ্ঠপুত্র তারেক রহমানকে দেশের রাজনীতির জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত করতে পেরেছেন। দেশের জন্য অনেক অবদান ও সফলতার

    ১১৪৭ দিনের কারাজীবন

    তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও টানা ৪১ বছর ধরে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার রাজনৈতিক সংগ্রামের পথ সহজ ছিল না। এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে রাজনীতির ময়দান থেকে সরাতে বারবার মামলা, পাঁচবার গ্রেপ্তার, সাজা দিয়ে দীর্ঘ সময় কারাগারে রাখা, আইনি মারপ্যাঁচে ফেলে গৃহবন্দি রাখা—কোনো নিপীড়নেরই কমতি ছিল না। তিনি পলাতক না হয়ে ৩৭ মামলায় নিয়মিত আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এর মধ্যে দুর্নীতির দুই মামলায় তার ১৭ বছরের সাজা হয়। তত্ত্বাবধায়ক ও আওয়ামী লীগ সরকারের সময় মিলিয়ে তিনি ১ হাজার ১৪৭ দিন কারাগারে ছিলেন। বহু ঈদ তার
  • ফিনিক্স পাখির মতো বারবার ঘুরে দাঁড়ান

    বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিভিন্ন সময় নানা সংকট ও দুঃসময়ের মুখোমুখি হয়েছে দল। গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে আসা খালেদা জিয়া দলের হাল ধরেছেন, সংকটে ‘ফিনিক্স পাখি’র মতো ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। শুধু তাই নয়, দলকে নিয়ে আসেন ক্ষমতার চূড়ায়। অবশ্য এজন্য তাকে জেল-জুলুম-নির্যাতনের শিকার হওয়ার পাশাপাশি নানা ত্যাগও স্বীকার করতে হয়েছে। তবে কোনো অবস্থাতেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। বরাবরই বলেছেন, এ দেশই তার চূড়ান্ত ঠিকানা। তিনি সব সময় ছিলেন ইস্পাতকঠিন ও দৃঢ়চেতা, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে আপসহীন। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ‘আপসহীন নেত্রী’ অভিধা পাওয়া খালেদা জিয়া বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন ৪১ বছর। তিনি পাঁচবারের সংসদ সদস্য,

    বসতবাড়ি ও স্বামী-সন্তানহারা এক নারী

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতি করতে গিয়ে অনেক কিছুই হারিয়েছেন। স্বামী শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে আততায়ীর গুলিতে শহীদ হওয়ার পর দেশের এক ভয়ানক ক্রান্তিকালে রাজনীতিতে নাম লেখান নিরেট গৃহবধূ বেগম খালেদা জিয়া। দেশকে তিনি আগলে রাখেন নিজ সন্তানের মতো করে। এজন্য রাজনীতির মাঠে তাকে দেওয়া হয় ‘দেশমাতা’ ও ‘দেশনেত্রী’ আপসহীন নেত্রীসহ বহু উপাধি। স্বামীহারা খালেদা জিয়া রাজনীতিতে নেমে দফায় দফায় বিপদে পড়েছেন। তাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে স্বামী-সন্তানের স্মৃতিবিজড়িত চার দশকের বসতভিটা থেকে। হারিয়েছেন ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকে। ২০০৭ সালের এক-এগারো পরবর্তী সময়ে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে নির্জন কারাগারে একাই ছিলেন। জিয়া অরফানেজ

    কাঁটা বিছানো পথে আপসহীন পথচলা

    বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়া একটি অবিস্মরণীয় নাম। সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজনীতির কণ্টকাকীর্ণ পথে পা বাড়িয়ে তিনি হয়ে ওঠেন কোটি মানুষের আস্থার প্রতীক, ‘দেশনেত্রী’ এবং ‘আপসহীন নেত্রী’। কাজের মধ্য দিয়ে জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেন। জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন আর তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশ গঠনে যে অবদান রেখেছেন, তা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও সুসংহত করার আন্দোলনে এক অবিসংবাদিত এবং অপরিহার্য নেতৃত্ব খালেদা জিয়া। দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া যেমন বহু ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়েছেন, তেমনই বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে তার গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম আজও অম্লান। ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের আমলে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক
  • ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০১ পিএম
    বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

    বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

    • হ্যাঁ
    • না
    • মন্তব্য নেই
    +
    =
    সাবমিট
    মোট ভোটদাতাঃ ৪,৭৭৮ জন
    মোট ভোটারঃ ৪,৭৭৮
    ভোট দিন
    Link Copied
অনলাইন জরিপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আজ টানা ১০ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়

১৪ জানুয়ারি বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করবে হোস্টিং ডটকম

মর্টার শেল উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য

২ শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নৌকাডুবি, ৭ জনের মৃত্যু

কুয়াশার চাদরে ঢাকা রাজধানী

ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ

ফিল্মি কায়দায় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গ্রেপ্তার ২

রাজধানীতে আজ কোথায় কী

বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত ৬

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

১০

২ জানুয়ারি : আজকের নামাজের সময়সূচি

১১

গাজা চুক্তিতে তুরস্ক কী করবে, সে বিষয়ে প্রস্তাব দিল যুক্তরাষ্ট্র

১২

 নিখোঁজের পর বাড়ি ফিরে দেখেন বাবা-ভাইসহ অনেকে বেঁচে নেই 

১৩

বছরের শুরুতেই পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগে রাশিয়া-ইউক্রেন

১৪

জমিয়ত থেকে বহিষ্কার নাসির উদ্দিন মুনির

১৫

রাবিতে শিক্ষকের গাড়ির ধাক্কায় পা ভাঙল ছাত্রীর

১৬

বিশেষ সহকারী ডা. সায়েদুরের পদত্যাগ ও ফেরার কারণ

১৭

খালেদা জিয়ার কবরে সমমনা জোটের ফুলেল শ্রদ্ধা

১৮

খালেদা জিয়ার জানাজায় মৃত্যুবরণকারী নিরবের পরিবারের পাশে তারেক রহমান

১৯

জনসংখ্যা বাড়াতে চীনে গর্ভনিরোধক পণ্যের দাম বাড়ছে

২০
বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন অনেকে। বিদ্রোহী প্রার্থীর তৎপরতায় হিমশিম খাচ্ছে দলটি। এ পরিস্থিতিতে বেশকিছু আসনে মনোনয়ন পরিবর্তন করলেও বাকিগুলোর সমস্যা রয়েই গেছে।
কর্ণফুলীর তীরে নৌঘাট বানিয়ে তোলা হচ্ছে টোল জানে না প্রশাসন
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিক এলাকার পেছনে মেরিন ড্রাইভ সড়ক সংলগ্ন একটি নৌঘাট বছরের পর বছর ধরে সরকারি ইজারা ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ অবৈধ ঘাট
গণঅধিকারের ৩২ বছর বয়সী প্রার্থী ফারদিনের বার্ষিক আয় হাজার কোটি!
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে লড়াই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরুর আগেই আলোচনায় এসেছেন বরিশালের একটি সংসদীয় আসনে গণঅধিকার পরিষদ থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী এক যুবক। সংসদ সদস্য (এমপি) পদে দলীয় মনোনয়ন পেতে এ
বিএনপি ও জামায়াত জোটেই হবে মূল লড়াই
নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক অঙ্গনে এতদিন ধরে ‘নির্বাচনী জোট গঠন’ তথা কোন দল কার জোটে যাবে—এটা নিয়ে নানান আলোচনা, জল্পনা-কল্পনা, হিসাব-নিকাশ চললেও অবশেষে সেটির অবসান ঘটেছে। মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনের
আজ টানা ১০ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়
আজ টানা ১০ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে যেসব এলাকায়
জরুরি পাইপলাইন পুনর্বাসন কাজের কারণে আজ শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলে জানিয়েছে  তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। ।  বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডেমরা সিজিএস থেকে তেজগাঁও টিবিএস গামী পাইপলাইনের প্রায় ৫৮০ ফুট মানিকদিয়ায় উন্মুক্ত হয়ে পড়ায় জরুরি ভিত্তিতে পুনর্বাসন কাজের জন্য ২ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ১০ ঘণ্টা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান, বনানী, তেজগাঁও, নন্দীপাড়া, বাসাবো, খিলগাঁও, বনশ্রী, রামপুরা ব্রিজ থেকে মালিবাগ চৌধুরীপাড়া পর্যন্ত এলাকা, মুগদা, মান্ডা, মানিকনগর (ধলপুর), শাহজাহানপুর এবং গোপীবাগ এলাকায় বিদ্যমান সব শ্রেণির গ্রাহক প্রান্তে গ্যাসের স্বল্পচাপ বিরাজ করবে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ।
১১ মিনিট আগে

খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় শুক্রবার ঢাকেশ্বরীতে বিশেষ প্রার্থনা

১২ ঘণ্টা আগে

লাভের ধারা অব্যাহত রেখেছে বিমান

১৩ ঘণ্টা আগে

জয়শঙ্করের সফরকে যেভাবে দেখতে বললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৪ ঘণ্টা আগে

এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি ভবন ভাঙচুর 

১৫ ঘণ্টা আগে

দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন কতটা হয়েছে, ভবিষ্যতে দেখা যাবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১৬ ঘণ্টা আগে
জামায়াত-চরমোনাই-এনসিপি জোটে অবিশ্বাসের দোলাচল
জামায়াত-চরমোনাই-এনসিপি জোটে অবিশ্বাসের দোলাচল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১১ দলীয় নির্বাচনী জোট অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। আসন সমঝোতা নিয়ে দলগুলোর মধ্যে অস্বস্তি দিনদিন স্পষ্ট হচ্ছে। ৩০০ সংসদীয় আসনে এই জোটভুক্ত দলগুলো থেকে ৬০০-এর বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়ায় দলগুলোর মধ্যে দরকষাকষির সমীকরণ আরও জটিল আকার নিয়েছে। প্রতিটি দলই নিজেদের শক্ত অবস্থান ধরে রাখতে চাইছে, ফলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা কাটছে না। এমন টানাপোড়েনের মধ্যেই জোটের অভ্যন্তরীণ সমঝোতা সংকট ঘিরে নানান জল্পনা ও আলোচনা ছড়িয়েছে। কেউ কেউ এতে ‘তৃতীয় শক্তি’র ইন্ধন জোগানোর আশঙ্কাও করছেন। ফলে ঐক্যের বার্তা থাকলেও বাস্তবে ১১ দলীয় জোট এখনো বিশ্বাস আর অবিশ্বাসের দোলাচলে দাঁড়িয়ে আছে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান গত রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ভোটের মাঠে লড়তে ১০ দলীয় জোটের ঘোষণা দেন। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ছিল আগে থেকেই। কর্নেল (অব.) অলি আহমদের নেতৃত্বাধীন এলডিপি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) জোটে নতুন করে যুক্ত হয়। নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সারা দেশে ৩০০ সংসদীয় আসনে মোট ২ হাজার ৫৮২টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ৬০০-এর বেশি প্রার্থী ৩০০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জোটের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী ২৭৬ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৬৮টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। অন্য দলগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ৯৪টি আসনে, খেলাফত মজলিস ৬৮ আসনে, এবি পার্টি ৫৩ আসনে, এনসিপি ৪৪ আসনে এবং এলডিপি ২৪টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এই জোটভুক্ত কয়েকটি দলের দায়িত্বশীল বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন সমঝোতা চূড়ান্ত না হওয়ায় দরকষাকষি করার জন্যই অতিরিক্ত প্রার্থী রেখে দিয়েছে দলগুলো। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত এই দরকষাকষি চলবে। দলগুলোর নেতারা বলছেন, আগেই সমঝোতা হয়ে গেলে জোটে থাকার পরও একই আসনে সব দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম জমা দেওয়ার ঘটনা ঘটত না। এতে সন্দেহ, অবিশ্বাস বা যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, তা থাকত না। মনোনয়ন ফরম কেনার আগেই আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়া উচিত ছিল। নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ আলোচনা অনুযায়ী জামায়াত ১১০টি আসন ছাড়ার চিন্তা করছে শরিকদের জন্য। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩০, এনসিপি ৩০, খেলাফত মজলিস ১৫, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ১০, এবি পার্টি ৩, এলডিপি ৩, বিডিপি ২, জাগপা ৩, খেলাফত আন্দোলন ৪ এবং নেজামে ইসলাম পার্টির জন্য দুটি আসন। তবে দলগুলোর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এটিকে চূড়ান্ত করা হয়নি। বিশেষ করে এই সমঝোতা নিয়ে বেশি অসন্তোষ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে। ইসির তপশিল অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার। এরই মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে এই সমঝোতা। জোটের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কিছু আসনে সব দলই প্রার্থী দিতে অনড় রয়েছে। এমনও আসন রয়েছে, যেখানে তিনটি থেকে চারটি দল তাদের প্রার্থী রাখতে চাচ্ছে। এ কারণেই চূড়ান্ত সমঝোতায় দেরি হচ্ছে। এ ছাড়া এক দলের কেন্দ্রীয় নেতার আসনে অন্য দলের আসন চাওয়াকে কেন্দ্র করেও সংকট দেখা দিয়েছে। একইভাবে দলগুলোর নিজেদের ভোট ব্যাংকের তুলনায় বেশি আসন দাবি করা নিয়েও সংকট ও অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। শেষ মুহূর্তে জোট থেকে কেউ বের হয়ে গেলেও যেতে পারে। জোটের শীর্ষ পর্যায়ের এক নেতা কালবেলাকে বলেন, ‘মূলত ইসলামী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আসন সমঝোতা আটকে আছে। সমঝোতা নিয়ে তাদের মধ্যে অসন্তোষ বেশি। এ ছাড়া কয়েকটি দল আসন কিছু বেশি চায়। তাই এখন পর্যন্ত কোনো দলের আসনই চূড়ান্ত হয়নি। সবার সঙ্গে আলোচনা চলমান আছে। ১৯ তারিখের মধ্যে তা চূড়ান্ত হয়ে যাবে।’ জোট যাতে ভেঙে যায়, শক্তি কমে যায়—সেজন্য জোটের বাইরে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘ধারণার চেয়ে বেশি আসনে অনেক দল প্রার্থী দিতে চাইছে। ৩০০ আসনে সমঝোতার ভিত্তিতে একক প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। শেষ পর্যন্ত সম্ভব না হলে কোনো কোনো আসন উন্মুক্ত রাখা হতে পারে।’ ইসলামী আন্দোলনে অসন্তোষ: ইসলামী আন্দোলনের নেতারা বলছেন, ‘একক ব্যালট বাক্স’ নীতির কথা প্রথম আলোচনায় আনে ইসলামী আন্দোলন। সে অনুযায়ী কওমি ঘরানার দলগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়। এনসিপি, এবি পার্টিকেও এই আলোচনায় যুক্ত করার চেষ্টা করেন চরমোনাই পীর। এরপর জামায়াত এই আলোচনায় যুক্ত হয়; কিন্তু এখন আসনসংখ্যা নিয়ে এক ধরনের অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। জামায়াত আসন ছাড়ছে, সে কথাতেও আপত্তি রয়েছে তাদের। জোট সূত্রে জানা যায়, আসন সমঝোতায় শুরুতে ১২০-১৫০ আসনের কথা জানায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পরবর্তী দল বাড়ায় সেটি নামে ১০০-১২০টিতে। বিভিন্ন আলাপ-আলোচনা শেষে সর্বশেষ অন্তত ৭০ আসন চায় দলটি। তবে এতে এখনো সম্মতি জানায়নি জামায়াত। তারা ৩০-৪০ আসনের আলোচনায় ছিল। এ নিয়ে অসন্তোষ দেখা গেছে দলটির মধ্যে। ইসলামী আন্দোলন সারা দেশে তাদের জন্য ১৪৩টি আসনকে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রেখেছে। অর্থাৎ ১৪৩টি আসনে নিজেদের অবস্থান ভালো দেখছে দলটি। জামায়াতের পক্ষ থেকে কম আসন প্রস্তাব করায় দলটির নেতারা অসন্তুষ্ট। নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের অবস্থানসংক্রান্ত বিষয়াবলি নিয়ে গত মঙ্গলবার ঢাকার পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছিল। পরে ৩০ ডিসেম্বর সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলটি সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করে। আসনসংখ্যা নিয়ে যেহেতু অসন্তোষ তৈরি হয়েছে, এক ধরনের চাপ ধরে রাখতেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল বলে দল সূত্রে জানা গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা বলেন, ‘ঐক্য ভেঙে যাক সেটি আমরা চাই না। তবে আসন সমঝোতা হতে হবে ইনসাফের ভিত্তিতে।’ জানতে চাইলে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন বলেন, ‘আসন সমঝোতার বিষয়ে কিছুটা অসন্তোষ আছে। এ বিষয় নিয়ে আলোচনা চলমান আছে। ১৯ জানুয়ারির মধ্যেই তা চূড়ান্ত হবে। এরপর পরবর্তী অবস্থান জানা যাবে। স্থগিত থাকা আমাদের সংবাদ সম্মেলন কখন হবে তা আমরা জানিয়ে দেব।’ এনসিপির ৮ জনের চূড়ান্ত, বাকিরা অন্ধকারে: নানা আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেয় এনসিপি। এই সমঝোতাকে কেন্দ্র করে দলের বেশ কয়েকজন নেতা এরই মধ্যে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন, কেউবা নির্বাচন না করা ও নিষ্ক্রিয় থাকার ঘোষণা দেন। দলটির সঙ্গে ৩০ আসনে সমঝোতা হয়েছে বলে জোট সূত্রে জানা গেছে। তবে এনসিপি ৪৪টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। কারা কারা মনোনয়ন জমা দিয়েছেন, সেই তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে ৩০ জনের তালিকায় কারা থাকছেন, তা জানেন না দলের নেতারাও। ৩০টি আসনে সমঝোতার কথা বলা হলেও এনসিপির নেতাদের আসনে জোটের প্রার্থী নেই এমন আসন হাতেগোনা। দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আসন নিশ্চিত হলেও বাকিরা কে পাবেন, তা জানেন না কেউই। এ নিয়ে দলের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। অনেক নেতা অভিযোগও জানিয়েছেন। তারা বলছেন, একদিকে নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে, অন্যদিকে শীর্ষ নেতা ছাড়া বাকিরা অন্ধকারে আছেন। এতে নির্বাচনীর প্রস্তুতি ও দলের শৃঙ্খলায় সংকট দেখা দিতে পারে। এনসিপি সূত্রে জানা যায়, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১, সদস্য সচিব আখতার হোসেন রংপুর-৪, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ কুমিল্লা-৪, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম পঞ্চগড়-১, মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঢাকা-৮, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসউদ নোয়াখালী-৬, যুগ্ম আহ্বায়ক আতিক মুজাহিদ কুড়িগ্রাম-২ এবং যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল-আমিন নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে নির্বাচন করছেন তা অনেকটা নিশ্চিত। তাদের প্রায় সবার আসনে এনসিপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা। এনসিপির পক্ষ থেকে ৪৪ জনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হলেও তা এখনো চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ভুলত্রুটি ও সম্ভাব্য জটিলতা বিবেচনায় রেখে বাড়তি কিছু মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এনসিপির মোট প্রার্থীর সংখ্যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হবে। এবি পার্টির পক্ষ থেকে ৫৩টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু কালবেলাকে বলেন, ‘জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে আমাদের তিনটি আসনের কথা জানানো হয়েছে। বাকি আসনগুলো নিয়ে আমরা আলোচনা চলমান রেখেছি। আলাপ-আলোচনার পর কতটি আসনে সমঝোতা হবে, তা চূড়ান্ত হবে। চূড়ান্ত হওয়ার পর আমরা জানাব জোটে থাকব কি থাকব না।’ জোটের আসন সমঝোতার বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ কালবেলাকে বলেন, ‘মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আগেই সবকিছু চূড়ান্ত হবে। আসন সমঝোতা নিয়ে বড় কোনো সংকট আমরা দেখছি না। জোট ভাঙার বিষয়েও কোনো তথ্য নেই। শঙ্কার চেয়ে প্রোপাগান্ডা বেশি। কিছু সংকট থাকলে সেটি আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করে নেব।’ এর আগে জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আসন সমঝোতা নিয়ে বড় কোনো সংকট নেই। কেউ জোট ভাঙতে চায় না। আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান আসবে।’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বড় জোট গঠনের ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে এ ধরনের আসনকেন্দ্রিক বিরোধ স্বাভাবিক। তবে অস্বস্তি দ্রুত নিরসন না হলে ভোটের মাঠে তার প্রভাব পড়তে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. স ম আলী রেজা কালবেলাকে বলেন, ‘নির্বাচনী জোট মানেই বিশ্বাস-অবিশ্বাসের খেলা বলে। এটা স্থায়ী কোনো বিষয় নয়। এটি একটি বার্গেনিং গেইম। দেখা যাচ্ছে কোনো দলের সঙ্গে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত কিন্তু ইলেভেনথ আওয়ারে (শেষ সময়) এসে বলছে না আমরা এই সমঝোতায় যাচ্ছি না। এটি হতেই পারে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন পর্যন্ত এটি চলতে থাকবে। এর মধ্যে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনী জোটের ধারণা আমাদের দেশে নতুন নয়। অতীতেও তা হয়ে আসছে। এখানে আদর্শের জায়গাগুলো গৌণ। মূলত নির্বাচনী বৈতরণি পার হওয়ার কৌশল হিসেবে জোট করা হয়। বিশেষ করে ছোট দলগুলো সেই সুবিধা নেয়। আগে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী জোট হতো এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তারা দুই দল আলাদা দল গঠন করছে।’
৯ ঘণ্টা আগে
জমিয়ত থেকে বহিষ্কার নাসির উদ্দিন মুনির
জমিয়ত থেকে বহিষ্কার নাসির উদ্দিন মুনির
খালেদা জিয়ার কবরে সমমনা জোটের ফুলেল শ্রদ্ধা
খালেদা জিয়ার কবরে সমমনা জোটের ফুলেল শ্রদ্ধা
খালেদা জিয়ার জানাজায় মৃত্যুবরণকারী নিরবের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
খালেদা জিয়ার জানাজায় মৃত্যুবরণকারী নিরবের পরিবারের পাশে তারেক রহমান
ডাকসু প্রতিনিধিদের যে বার্তা দিলেন তারেক রহমান
ডাকসু প্রতিনিধিদের যে বার্তা দিলেন তারেক রহমান
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন, নেতৃত্বে যারা
তাসনিম জারার দেশ-বিদেশের বার্ষিক আয় কত?
তাসনিম জারার দেশ-বিদেশের বার্ষিক আয় কত?

নগদের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড

নিজেদের ইতিহাসে এক বছরে সর্বোচ্চ লেনদেন রেকর্ড করেছে ডাক বিভাগের ডিজিটাল আর্থিক সেবা নগদ। সদ্যসমাপ্ত ২০২৫ সালে সব মিলে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৪ সালে যা ছিল প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসেও নগদের গ্রাহকরা ৩৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা লেনদেন করেছেন। মাসের হিসেবে এটিও নগদের সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড। শেষ হওয়া বছরে ২০২৫ সালে এই রেকর্ড তিনবার গড়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এমন অসামান্য অর্জন উপলক্ষ্যে কয়েক কোটি নিবন্ধিত গ্রাহকের বিশাল পরিবারের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে নগদ কর্তৃপক্ষ। নতুন এই মাইলফলক অর্জন উপলক্ষ্যে সকল গ্রাহক, কর্মী, ডিস্ট্রিবিউটর ও উদ্যোক্তাসহ সম্পৃক্ত সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ। তিনি বলেন, ‘নগদ সবসময় তার গ্রাহকদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছে, তার অংশ হিসেবে বিভিন্ন ক্যাম্পেইন থাকে বছরের বিভিন্ন সময়ে। এ ছাড়া বাজারের সর্বনিম্ন ক্যাশ আউট চার্জ তো আছেই। নগদের গ্রাহকদের আস্থা আর কর্মীদের প্রচেষ্টার কারণে এভাবে বিভিন্ন মাইলফলক অর্জন করছে সেবাটি।’ মো. মোতাছিম বিল্লাহ আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন প্রতিষ্ঠান হিসেবে বর্তমানে নগদ আরও উন্নত সেবার মাধ্যমে গ্রাহকের অর্থের অধিকতর নিশ্চয়তা দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে নতুন নতুন গ্রাহক নগদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন এবং তারাও স্বাচ্ছন্দ্যে আগের চেয়ে বেশি লেনদেন করছেন। তাছাড়া সেবার কলেবর বৃদ্ধি ও বিভিন্ন কার্যক্রম দিনদিন নগদের লেনদেনের সক্ষমতা বৃদ্ধি করেছে।’  যাত্রা শুরুর ৬ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ মোবাইল আর্থিক সেবা হিসেবে বাজারে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে নগদ। এ সময়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রাহক সংখ্যা ও লেনদেন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। রেকর্ড গড়া এই লেনদেনের অধিকাংশই ছিল ক্যাশ ইন, ক্যাশ আউট, সেন্ড মানি, বিভিন্ন পেমেন্ট, সেবা প্রতিষ্ঠানের বিল প্রদান, মোবাইল রিচার্জ এবং রেমিটেন্সের অংক।  বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল লেনদেন সেবা নগদ গত বছরের অক্টোবর মাসে মাসিক সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড করে। ওই মাসে প্রতিষ্ঠানটি ৩৪ হাজার ৭০৫ কোটি টাকার বেশি লেনদেন করেছে।  এর আগে ২০২৫ সালের মার্চে এক মাসে ৩৪ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের অংক ছুঁয়ে যায় নগদ। তারও আগে ২০২৪ সালের জুন মাসে একবার নগদের মাধ্যমে ৩২ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের সামগ্রিক ডিজিটাল লেনদেন নতুন উচ্চতায় তুলে আনার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রাখছে নগদ। বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ডিজিটাল সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করার পর থেকে একের পর এক উদ্ভাবন ও গ্রাহকবান্ধব সেবার কারণে নগদের গ্রাহক সংখ্যা দ্রুততার সঙ্গে বাড়তে থাকে। এখনো নগদের অ্যাপের মাধ্যমে প্রতিদিন এই সেবাটিতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রাহক যুক্ত হচ্ছেন।

বছরের প্রথম দিনেই স্বর্ণের দামে সুখবর

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবার ভরিতে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। আগামীকাল শুক্রবার (২ জানুয়ারি) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে। এর আগে, সবশেষ গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ৭৪১ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকে। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার। স্বর্ণের দামের সঙ্গে এবার কমানো হয়েছে রুপার দামও। ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা। চলতি বছর এটিই দেশের বাজারে প্রথম রুপার দাম সমন্বয়। আর গত বছর দেশের বাজারে ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

মোবাইল ফোন আমদানির শুল্ক কমলো

বিদেশ থেকে মোবাইল ফোন আমদানি এবং বাংলাদেশে মোবাইল ফোন উৎপাদনকারীদের জন্য ফোনের যন্ত্রাংশ আমদানির শুল্কও কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় শুল্ক ছাড়ের এই সিদ্ধান্ত হয়। রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি কমানো হয়েছে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ; এখন দিতে হবে ১০ শতাংশ। এর ফলে সরাসরি মোবাইল ফোন আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক, অগ্রিম কর ও ভ্যাটের পরিমাণ নামল ৪৩ দশমিক ৪৩ শতাংশে, যা আগে ছিল ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ। একই সঙ্গে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন সংযোজনের ক্ষেত্রে যন্ত্রাংশ আমদানির শুল্কেও ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান শফিকুল আলম। দেশে মোবাইল ফোন সংযোজন বা অ্যাসেম্বল শিল্পকে উৎসাহিত করতে স্থানীয় পর্যায়ের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
মোবাইল ফোন আমদানির শুল্ক কমলো

ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে ইতিহাস

সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বরে দেশে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৪১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ‍ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এর আগে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছিল গত মার্চে। সেই মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার। সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৫৭ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এ ছাড়া বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে ৩৫ কোটি ৩৫ লাখ ২০ হাজার ডলার, বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে ২২৯ কোটি ৩৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার ও বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ২৮-৩১ ডিসেম্বর দেশে এসেছে ৪৭ কোটি ৪৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। ডিসেম্বরের ২১-২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ৫৭ কোটি ৯৭ লাখ ৮০ হাজার ডলার। ১৪-২০ ডিসেম্বর দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৬৬ কোটি ৪৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। ডিসেম্বরের ৭-১৩ তারিখ পর্যন্ত দেশে এসেছে ৮৭ কোটি ৫০ লাখ ৯০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। আর ডিসেম্বরের প্রথম ৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন ৬৩ কোটি ২৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার। এর আগে গত নভেম্বরে এসেছিল ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। আর গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এ ছাড়া গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
১২ ঘণ্টা আগে
ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে ইতিহাস

জানুয়ারি মাসের এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণের তারিখ জানাল বিইআরসি

জানুয়ারি মাসে এলপিজির মূল্য বাড়ছে নাকি কমছে, তা জানা যাবে রোববার (৪ জানুয়ারি)। এদিন এক মাসের জন্য এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করা হবে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি)। এতে বলা হয়, সৌদি আরামকো ঘোষিত জানুয়ারি (২০২৬) মাসের সৌদি সিপি অনুযায়ী এই মাসের জন্য ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় সম্পর্কে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের নির্দেশনা রোববার বিকেল ৩টায় ঘোষণা করা হবে। এর আগে গত ২ ডিসেম্বর সবশেষ সমন্বয় করা হয় এলপি গ্যাসের দাম। সে সময় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ২৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। রোববার এলপিজির পাশাপাশি ঘোষণা করা হবে অটোগ্যাসের দামও। এর আগে গত ২ ডিসেম্বর সবশেষ সমন্বয় করা হয় অটোগ্যাসের দাম। সে সময় ভোক্তা পর্যায়ে ১ টাকা ৭৪ পয়সা বাড়িয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৫৭ টাকা ৩২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
১৫ ঘণ্টা আগে
জানুয়ারি মাসের এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণের তারিখ জানাল বিইআরসি
রাতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম চিনে ফেলায় গায়ে আগুন
রাতে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম চিনে ফেলায় গায়ে আগুন
মর্টার শেল উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য
মর্টার শেল উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য
ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ঘন কুয়াশায় দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ
ফিল্মি কায়দায় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গ্রেপ্তার ২
ফিল্মি কায়দায় ডাকাত দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, গ্রেপ্তার ২
মামলা সত্ত্বেও বরখাস্ত প্রধান শিক্ষককে পুনরায় নিয়োগের উদ্যোগ
মামলা সত্ত্বেও বরখাস্ত প্রধান শিক্ষককে পুনরায় নিয়োগের উদ্যোগ
রেললাইনে মিলল নিখোঁজ রুবেলের রক্তাক্ত মরদেহ 
রেললাইনে মিলল নিখোঁজ রুবেলের রক্তাক্ত মরদেহ 
বাড়ি-গাড়ি নেই আখতারের, নগদ আছে ১৩ লাখ টাকা 
বাড়ি-গাড়ি নেই আখতারের, নগদ আছে ১৩ লাখ টাকা 
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে বিএনপি কার্যালয়ে ছারছীনার পীর
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সমবেদনা জানাতে বিএনপি কার্যালয়ে ছারছীনার পীর
আমার এলাকার সংবাদ
অনুসন্ধান
.

বিশ্বে ২০২৫ সালে নিহত হয়েছেন ১২৮ সাংবাদিক

বিদায় নেওয়া ২০২৫ সাল বিশ্বজুড়ে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের জন্য ছিল রক্তক্ষয়ী একটি বছর। দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব জার্নালিস্টস (আইএফজে) তার বার্ষিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০২৫ সালে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিশ্বে ১২৮ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন; যা আগের বছরের তুলনায় বেশি। ১২৮ জনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি প্রাণ হারিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে। গতকাল বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের ব্রাসেলস থেকে আইএফজের এ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আইএফজের জেনারেল সেক্রেটারি অ্যান্থনি বেলাঙ্গার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘এ সংখ্যা শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; এটি আমাদের সহকর্মীদের জন্য একটি বৈশ্বিক রেড অ্যালার্ট।’ প্রতিবেদনে ফিলিস্তিন পরিস্থিতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আইএফজে জানায়, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে ২০২৫ সালে শুধু ফিলিস্তিন ভূখণ্ডেই ৫৬ জন সংবাদকর্মী নিহত হয়েছেন।
পুতিনের বাসায় হামলা, ঝুঁকিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা
পুতিনের বাসায় হামলা, ঝুঁকিতে ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা
ইরানে কেন বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে
ইরানে কেন বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে
২ শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নৌকাডুবি, ৭ জনের মৃত্যু
২ শতাধিক অভিবাসী নিয়ে নৌকাডুবি, ৭ জনের মৃত্যু
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত ৬
বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, নিহত ৬
গাজা চুক্তিতে তুরস্ক কী করবে, সে বিষয়ে প্রস্তাব দিল যুক্তরাষ্ট্র
গাজা চুক্তিতে তুরস্ক কী করবে, সে বিষয়ে প্রস্তাব দিল যুক্তরাষ্ট্র
 নিখোঁজের পর বাড়ি ফিরে দেখেন বাবা-ভাইসহ অনেকে বেঁচে নেই 
 নিখোঁজের পর বাড়ি ফিরে দেখেন বাবা-ভাইসহ অনেকে বেঁচে নেই 
সুখবর দিলেন নাদিয়া
সুখবর দিলেন নাদিয়া
না ফেরার দেশে এম. এ. মান্নান
না ফেরার দেশে এম. এ. মান্নান
নতুন বছরে তারকাদের প্রত্যাশা
নতুন বছরে তারকাদের প্রত্যাশা
সমুদ্রপাড়ে মিমের নতুন বছর উদযাপন
সমুদ্রপাড়ে মিমের নতুন বছর উদযাপন
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরছেন গীতিকার ডা. সাবরিনা রুবিন
বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরছেন গীতিকার ডা. সাবরিনা রুবিন
বলিউড-দক্ষিণী তারকাদের চোখে নতুন বছর
বলিউড-দক্ষিণী তারকাদের চোখে নতুন বছর
ক্যারিয়ারকে কোনো নির্দিষ্ট মাইলফলক হিসেবে দেখি না : আলিয়া
ক্যারিয়ারকে কোনো নির্দিষ্ট মাইলফলক হিসেবে দেখি না : আলিয়া
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র
সুপার ওভারের নাটকে রংপুরকে হারাল রাজশাহী
সুপার ওভারের নাটকে রংপুরকে হারাল রাজশাহী
নতুন বছরে রিয়াল মাদ্রিদের জন্য দুঃসংবাদ
নতুন বছরে রিয়াল মাদ্রিদের জন্য দুঃসংবাদ
অবসর নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন সাবিনা
অবসর নিয়ে সিদ্ধান্ত জানালেন সাবিনা
জাতীয় দলে আপাতত জায়গা নেই, ঘরোয়া নারী ফুটবল লিগও খেলতে পারছেন না—তবু হার মানতে রাজি নন বাংলাদেশের নারী ফুটবলের তারকা সাবিনা খাতুন। দীর্ঘ ১৪ মাস ম্যাচের বাইরে থাকলেও নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনই নিতে চান না তিনি। সাবিনার স্পষ্ট বক্তব্য, অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন, অন্য কেউ নয়। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও দ্বিগুণ সাফজয়ী এই ফরোয়ার্ড বর্তমানে ফুটসাল দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে বাফুফে ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সবচেয়ে আলোচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন তিনিই। গত বছরের শুরুতে কোচ পিটার বাটলারের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে সাবিনা, সুমাইয়া, কৃষ্ণাদের মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। এরপর তারা ভুটানে লিগ খেললেও দেশে ফিরে সুযোগ পাননি ফুটবলে। তবে ফুটসাল দলে ফিরেছেন সাবিনা—সেই দায়িত্বেই এখন তিনি অধিনায়ক, সহ–অধিনায়ক সুমাইয়া। ফুটবল ক্যারিয়ার কি তবে শেষের পথে—এমন প্রশ্নে ৩২ বছর বয়সী সাবিনা দৃঢ় কণ্ঠে জানান, “আমি কখন ফুটবল বা ফুটসাল ছাড়ব, সেটা আমিই ঠিক করব। খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার খেলোয়াড়েরই থাকা উচিত।” ফুটসালের সঙ্গে তার সম্পর্ক নতুন নয়। দেশের প্রথম নারী ফুটবলার হিসেবে বিদেশে ফুটসাল খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। জাতীয় দলের জার্সিতে সাত বছর পর আবার ফুটসালে ফেরার সুযোগ পেয়ে তাই দারুণ উচ্ছ্বসিত সাবিনা। দেশের প্রয়োজনে নতুন প্রজন্মের জন্য পথ তৈরি করতে পারলেই সেটাই হবে তার বড় সাফল্য—এমনটাও জানালেন তিনি। আসন্ন সাফ ফুটসাল টুর্নামেন্ট নিয়ে তিনি বাস্তববাদী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। মালদ্বীপকে ফেবারিট ও ভারতকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মনে করলেও প্রস্তুতির সময় কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশও ভালো করবে বলে আশাবাদী সাবিনা। বাংলাদেশ পুরুষ ও নারী ফুটসাল দলের ইরানি কোচ সাঈদ খোদারাহমি ফুটসাল অবকাঠামোর ঘাটতি নিয়ে আক্ষেপ জানিয়ে বলেন, দেশে বিশেষায়িত ফুটসাল স্টেডিয়ামের অভাব বড় চ্যালেঞ্জ। এদিকে সহ–অধিনায়ক সুমাইয়াও দেশের ফুটসাল উন্নয়নে সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ব্যাংককে মেয়েদের সাফ ফুটসাল টুর্নামেন্ট শুরু হবে ১৩ জানুয়ারি, পরের দিন মাঠে নামবে পুরুষ দল। সবকিছুর মাঝেই সাবিনার বার্তাটি স্পষ্ট—তিনি এখনও লড়াইয়ে আছেন, নিজের অধ্যায়ের শেষ পাতা নিজেই লিখতে চান।
উইকেট না পেলেও সেরা ছাপ রিশাদের, ঝড়ো রানের ম্যাচে সাশ্রয়ী বোলিং
উইকেট না পেলেও সেরা ছাপ রিশাদের, ঝড়ো রানের ম্যাচে সাশ্রয়ী বোলিং
আইপিএলে মোস্তাফিজকে ঘিরে বয়কট আহ্বান, যা বলছে বিসিসিআই
আইপিএলে মোস্তাফিজকে ঘিরে বয়কট আহ্বান, যা বলছে বিসিসিআই
ইভেন্ট
লা লিগা
লা লিগা
ইপিএল
ইপিএল
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ লিগ
ফ্রেঞ্চ ওপেন
ফ্রেঞ্চ ওপেন
উইম্বলডন
উইম্বলডন
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ
বুন্দেসলিগা
বুন্দেসলিগা
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউরোপা লিগ
ইউএস ওপেন
ইউএস ওপেন
X