কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:০১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

লাখো কণ্ঠে আমিন ধ্বনিতে শেষ হলো কুড়িগ্রামের ইজতেমা

কুড়িগ্রামের ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নেওয়াদের একাংশ। ছবি : কালবেলা
কুড়িগ্রামের ইজতেমায় আখেরি মোনাজাতে অংশ নেওয়াদের একাংশ। ছবি : কালবেলা

কুড়িগ্রাম সদরের ধরলা ব্রিজ পূর্ব পাড়ে সৈয়দ ফজলুল করিম (রহ.) জামিয়া ইসলামিয়া মাদরাসা মাঠে শুরু হওয়া তিন দিনের ইজতেমা আখেরি মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই আখেরি মোনাজাতে লাখো অনুসারী অংশ নেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির ব্যানারে আয়োজিত এ ইজতেমায় দেশ ও জাতির শান্তি এবং সম্মৃদ্ধি কামনা করে সকাল ৯টায় মোনাজাত পরিচালনা করেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। এ সময় আগত মুসল্লিরা কান্না ও আহাজারিতে পরিবেশ ভারী করে তোলেন।

মোনাজাত পূর্ব বয়ানে চরমোনাই পীর বলেন, নামাজ, রোজা যেমন ইবাদত তেমনি আল্লাহর হুকুম অনুযায়ী ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করাও ইবাদাত। ভোট মানে স্বাক্ষী দেয়া সমর্থন করা। তাই বুঝেশুনে সেই সমর্থন দেওয়া উচিত।

তিনি আরও বলেন, দুনিয়া ও আখিরাতে কামিয়াব হতে হলে আল্লাহর কাছে পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করতে হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হওয়া তিন দিনের এ ইজতেমায় উদ্বোধনী বয়ান করেন চরমোনাই পীর মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

আখেরি মোনাজাতে ইজতেমা ব্যবস্থাপনা কমিটি, আগত মুসল্লি, সাংবাদিকরা, ইজতেমার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের সদস্য, এলাকাবাসীসহ নিপিড়ীত বিশ্বের মুসলমানদের জন্য মাগফিরাত কামনা করা হয়। বিশেষ করে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হয়।

উলিপুর উপজেলা থেকে ইজতেমায় আসা মো. আক্তার হোসেন নামের এক ব্যক্তি বলেন, গত বৃহস্পতিবার ইজতেমা ময়দানে আসি। এখানে তিন দিন ধরে ছিলাম। আগামীতেও আসব।

কুড়িগ্রাম শহরের কাপড় ব্যবসায়ী আকবর হোসেন তালাশ বলেন, এখানে মানুষ ধর্মীয় ওয়াজ-নসিহত শুনে দিন দিন ইসলামের পথে আসছেন।

ইজতেমার সদস্যসচিব আব্দুল মোমিন জানান, শ্রদ্ধেয় আলেমরা এখানে বয়ানে অংশ নেন। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই এ আয়োজন।

কালবেলা/এএএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ষড়যন্ত্রে হতাশ নয় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: রিজভী

বিশ্বকাপ ফাইনাল নিয়ে তর্কাতর্কির জেরে সংঘর্ষ, আহত মা-মেয়ে

এআই দিয়ে তৈরি ভিডিও চেনার ৩ উপায়

৮ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক রাজশাহীর রেল যোগাযোগ

আরব আমিরাতের উপকূলে জাহাজে হামলা

বায়োডাটায় এখনো ‘অবিবাহিত’ সেই মরিয়ম

দিল্লির আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংহতি

টেকনাফে অনুপ্রবেশ, মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক

জামায়াত এমপির ভিডিওকাণ্ডে এবার আরেক নেত্রীর যোগসূত্র 

খেলতে বের হয় ২ বোন, পুকুরে মিলল মরদেহ

১০

আফগানিস্তানে আকস্মিক বন্যায় নিহত ২০, নিখোঁজ শতাধিক

১১

হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

১২

অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেশন প্রতিষ্ঠার ১২৫ বছরপূর্তি / তরুণ নেতৃত্বে গুরুত্ব ও নাগরিক শিক্ষা জোরদারের আহ্বান

১৩

ইরানের সাম্প্রতিক হামলায় মার্কিন সেনা হতাহতের সংখ্যা জানাল পেন্টাগন

১৪

সেই জামায়াত এমপির দ্বিতীয় বিয়ের তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি

১৫

জুলাই আন্দোলনে শহীদ মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ‘পূর্ণাঙ্গ তালিকা’ প্রকাশ করল সাআস

১৬

যুক্তরাজ্যে বেকারত্ব বেড়ে ৪.৯ শতাংশ

১৭

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন

১৮

মধ্যপ্রাচ্যে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে নাগরিকদের পরামর্শ মালদোভার

১৯

সিলিমপুর আবাসিক এলাকা এড়িয়ে সড়ক নির্মাণের পরামর্শ সিডিএর

২০
X