কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৯ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এলজিইডির ১৯০৯ কোটি টাকার প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুদক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুদক। ছবি : কালবেলা
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুদক। ছবি : কালবেলা

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) কর্তৃক বাংলাদেশ সাসটেইনেবল রিকভরি ইমারজেন্সি অ্যান্ড রেসপন বা বি-স্ট্রং প্রকল্পে দুর্নীতির প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের এলজিইডির প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালায় দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম।

২০২৪ সালের বন্যা পরবর্তী চট্রগ্রাম বিভাগের ছয় জেলা, ফেনী, নোয়াখালী, কুম্মিলা, লক্ষীপুর, চট্রগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জন্যে নেয়া বি-স্ট্রং প্রকল্পের বরাদ্দ করা হয় ১৯০৯ কোটি টাকা। এই প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুর আগেই প্রকল্পের বিভিন্ন জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক দাম নির্ধারণ করার প্রমাণ পায় দুদক। তার প্রেক্ষিতেই এই অভিযান চালাযনো হয়।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহা বলেন, বি-স্ট্রং প্রকল্পের বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেশি দেখানো হয়েছে। অভিযানে আমরা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করি। প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে গত ২০ এপ্রিল। প্রকল্পের এখনো আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়নি, তবে প্রকল্পের বিভিন্ন জিনিসপত্রের অতিরিক্ত দাম নির্ধারণের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরাও অনুসন্ধানে আসি। এই প্রকল্পের ডিপিটি যিনি প্রস্তুত করেছেন তিনি আজ কার্যালয় উপস্থিত ছিলেন না।

পাপন কুমার সাহা বলেন, প্রকল্পের স্ট্রিট স্লোলার লাইট, একেকটার দাম ধরা হয়েছে ৭২ হাজার টাকা, অথচ পরিকল্পনা কমিশন জানায় এই স্লোলার লাইটের প্রয়োজন নেই। ৬০টি মোটরসাইকেলের প্রস্তাব করা হলে পরিকল্পনা কমিশন থেকে ৩৬টি কেনার কথা বলা হয়। কম্পিউটার ল্যাপটপ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণসহ অন্যান্য ব্যয় দেখানো হয়েছে তা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। এ ছাড়া ৪টি ল্যাপটপের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ লাখ টাকা। ১৯০৯ কোটি টাকার এই প্রকল্পে বিশ্ব ব্যাংক অর্থায়ন করবে ১৬৪৭ কোটি টাকা, বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকার অর্থায়ন করবে।

এই বিষয়ে এলজিআইডি প্রধান কার্যালয়ের অ্যাসিস্ট্যান্ট চিপ আব্দুল মান্নান বলেন, আমাদের চিপ ইঞ্জিনিয়ার ঢাকার বাহিরে অবস্থান করছে। এ প্রকল্পের এখনো কাজ শুরু হয়নি, কেবল একনেকে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে তিনি বলেন, আমাদের কোনো প্রকল্পে কোনো অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অ্যাকশন গ্রহণ করা হয় এবং তাকে সাসপেন্ড করা হয়। যেখানে অনিয়ম হয়েছে ওখানে সাসপেন্ড হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক জামায়াত নেতাসহ আটক ২

সফল হতে নাশতার আগেই যেসব কাজ করবেন

ইবনে সিনায় চাকরির সুযোগ

রোববার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

টানা ৩ দিন ৭ ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

১০

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

১১

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

১২

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

১৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

১৪

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

১৫

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১৬

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১৭

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১৮

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৯

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

২০
X