কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:০৫ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় নতুন করে হামলা, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উঠে এলো ভয়াবহ তথ্য

নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গাজাবাসী। ছবি : সংগৃহীত
নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে গাজাবাসী। ছবি : সংগৃহীত

যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার পর গাজায় নতুন করে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এবারের হামলার ভয়াবহতা আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। ফিলিস্তিনিরা বলছেন, এ দফায় বিশ্ব এগিয়ে না এলে তাদের বাঁচার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। সোমবার (৭ এপ্রিল) জাতিসংঘের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এর প্রতিধ্বনি উঠে এসেছে। খবর আনাদোলু এজেন্সির।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েল সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করার পর থেকে গাজা উপত্যকায় প্রায় ৪ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে। সেখানে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমাদের মানবিক সহায়তার সহকর্মীরা আমাদের জানিয়েছেন- গাজাজুড়ে ইসরায়েলি আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। যার ফলে নিয়মিতভাবে ব্যাপক বেসামরিক হতাহতের ঘটনা ঘটছে। গাজার অনেক শিশু নিহত এবং আহত হচ্ছে। অনেকে জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে পড়ছে।

তিনি আরও বলেন, গাজাজুড়ে বেঁচে থাকা মানুষদের বারবার বাস্তুচ্যুত করা হচ্ছে। এমন এক সংকুচিত স্থানে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে যেখানে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করা অসম্ভব।

জাতিসংঘের হাতে আসা তথ্য উপস্থাপন করে ডুজারিক বলেন, সামগ্রিকভাবে আমরা অনুমান করি যে- যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে প্রায় ৪ লাখ মানুষ আবারও বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এটি গাজার মোট ফিলিস্তিনির ১৮%।

ডুজারিক আরও জোর দিয়ে বলেন, বাস্তুচ্যুতদের নিরাপত্তা এবং বেঁচে থাকার জন্য কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি। এর দায়িত্ব দখলদার শক্তি হিসাবে ইসরায়েলের ওপর বর্তায়।

জাতিসংঘ প্রায় ইসরায়েলি হামলার সমালোচনা করে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। অথচ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু প্রশাসন এসবের কোনো তোয়াক্কাই করেন না। শুধু তাই নয়, গাজায় জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কর্মীরাও হামলার শিকার হচ্ছেন। ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন স্থাপনা।

যেমন- গত ২ এপ্রিল উত্তর গাজায় জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) পরিচালিত একটি স্বাস্থ্য ক্লিনিকে ইসরায়েলি বিমান হামলা চালায়। কোনো ধরনের পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই হামলাটি করা হয়। এতে অন্তত ২২ ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারা এই হামলাকে সম্পূর্ণ যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করে। তবে ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ইসরায়েলের ওপর কার্যত কোনো বিশ্বচাপ দৃশ্যমান হয়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানের যে সিদ্ধান্তে নিজেদের বিজয় দেখছেন জেডি ভ্যান্স

সংসদে তথ্যমন্ত্রী / বিটিভির আয় ৮ কোটি, ব্যয় ২৫৪ কোটি টাকা

নিখোঁজের ৬ দিন পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার

অতি উৎসাহী হয়ে অনেকে অনেক কথা বলে, চৈতালীর সেই বক্তব্য প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাতে মুক্তিপণ দাবি, সকালে মিলল সেঁজুতির লাশ

জঙ্গল সলিমপুরে র‍্যাব সদস্য হত্যা মামলায় আরও এক আসামি গ্রেপ্তার

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে মাঠে নামতে পারে আর্জেন্টিনা

প্রবাসী মামা-শ্বশুরকে নিয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল আব্দুল্লাহর

ফটোশুট নয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে কূটনৈতিক অগ্রগতি

প্রবীণদের সুরক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

১০

আরমান-মুক্তির মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বাপ্পারাজ

১১

বেলজিয়ামের বিপক্ষে মানবপ্রাচীর আলিরেজার জীবনের ৫ চমকপ্রদ তথ্য

১২

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের সাক্ষাৎ

১৩

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কার ঘোষণা

১৪

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা সফলভাবে শেষ: শেহবাজ শরিফ  

১৫

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার টার্মিনালে আগুন

১৬

আশুরা নিয়ে প্রচলিত ৫ ভুল ধারণা

১৭

৪ বছর পর শিপ্রা হত্যার রহস্য উদঘাটন

১৮

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ছেলের হাতে প্রাণ গেল বাবার

১৯

ডিসি সারওয়ারকে শুভাকাঙ্ক্ষীর খোলা চিঠি, জানালেন অজানা তথ্য

২০
X