কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৩, ০৫:৪৮ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজায় ২৪ ঘণ্টায় নিহত ১০০ ফিলিস্তিনি

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলা। ছবি : সংগৃহীত

গাজায় অব্যাহত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় অন্তত ১০০ মানুষ হয়েছেন। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় অব্যাহতভাবে বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলের সেনারা। এ সময়ে সেন্ট্রাল গাজায় অন্তত ১০০ নাগরিক নিহত হয়েছেন। এসময়ে আরও অন্তত ১৫৮ জন আহত হয়েছেন।

গাজার সরকার ব্যবস্থা পরিচালক আলজাজিরাকে জানান, গাজায় ২৯ হাজারের বেশি মানুষ নিহত অথবা নিখোঁজ রয়েছেন। ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার কারণে এসব লোকের এমন পরিণতি হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের হামলার কারণে গাজায় একের পর এক ভবনধসে পড়েছে। এতে করে পাথরের নিচে অন্তত সাত হাজারের বেশি মানুষ আটকা পড়ে আছেন।

প্রশাসন জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের সেনারা হাসপাতালেও তাণ্ডব চালিয়েছে। গাজা ও এর উত্তরাঞ্চলে আট লাখ লোকের জন্য কোনো ধরনের হাসপাতাল সুবিধা অবশিষ্ট নেই।

এর আগে ফিলিস্তিন শরণার্থীবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ জানায়, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় পর্যাপ্ত খাদ্য সহায়তা প্রবেশ করছে না। ফলে গাজার ২৩ লাখ মানুষের মধ্যে ৪০ শতাংশ মানুষ দুর্ভিক্ষের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) গাজার ইউএনআরডব্লিউএবিষয়ক পরিচালক বলেছেন, গাজাবাসী চরম ক্ষুধার সঙ্গে লড়াই করছেন। প্রতিটা দিন তাদের বেঁচে থাকতে, খাবার ও পানির জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। বাস্তবতা হলো আমাদের আরও ত্রাণসহায়তা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে আমাদের সর্বশেষ আশা হলো মানবিক যুদ্ধবিরতি।

৭ অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় পূর্ণ অবরোধ করে রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ কারণে গাজার ফিলিস্তিনিরা খাদ্য, পানি, জ্বালানি ও ওষুধ পাচ্ছেন না। অবশ্য মিসর হয়ে রাফাহ সীমান্ত পথ দিয়ে গাজায় ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে শুরু করলে বিপর্যয়কর মানবিক সংকটের কিছুটা লাঘব হয়। তবে তা-ও প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১০

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১২

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৩

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৪

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৫

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৬

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৭

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৮

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৯

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

২০
X