সরকারের নিষেধাজ্ঞা না মেনে পরিবহনকালে ১০ টন সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে চট্টগ্রামের সদরঘাট নৌপুলিশ। এ সময় ৫টি পিকআপভ্যানসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুলাই) ভোরে নগরের শাহ আমানত সেতু এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব মাছ ও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের বাঁশখালীর পশ্চিম শেখেরখিলের নূর আহমেদের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন, একই এলাকার আব্দুল শুক্কুরের ছেলে জামাল উদ্দিন, বাঁশখালীর সাতকানিয়া পাড়ার নূরুস ছাপার ছেলে মো. সাজ্জাদ হোসেন, বাঁশখালীর রশিদপাড়া মোহাম্মদ ফোরকানের জয়নাল আবেদীন, কক্সবাজারের উখিয়ার মোহাম্মদ শফির বিল এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ আজিজ প্রকাশ আয়াজ উদ্দিন।
একই এলাকার আজম খানের ছেলে আবু নাছের, উখিয়ার ইমাম ডেইল এলাকার মৃত সোনালির ছেলে আবুল সমা, টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপের মৃত হোসেন আলীর ছেলে মো. ইছহাক মিয়া, টেনাফের পুরাতন পল্লন পাড়ার নুরুল আমিনের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর, বাঁশখালীর আব্দুলের বাপের বাড়ি হাচারিপাড়া এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুল শুকুর।
বাঁশখালীর শৈলকূপ এলাকার মঞ্জুর সওদাগরের ছেলে মো. ইদ্রিস আলী, বাঁশখালীর শেখেরখিল এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে দেলোয়ার হোসেন, বাঁশখালীর চাম্বল এলাকার এসএম জাহাঙ্গির আলমের ছেলে মো. তারেক রহমান, কক্সবাজারের উখিয়ার সুরুত আলমের ছেলে নুরুল আমিন ও উখিয়ার চোয়ালখালীর মৃত আবুল কাশেমের ছেলে গফুর আলম। চট্টগ্রাম সদরঘাট নৌপুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল চন্দ্র মল্লিক কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকার এ সময়ে সামুদ্রিক মাছ আহরণ, বিপণন ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞা না মেনে তারা সামুদ্রিক মাছ পরিবহন করায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জব্দ করা হয়েছে ১০ হাজার কেজি মাছ ও ৫টি ট্রাক। তাদের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানায় মৎস্য আইনে মামলা করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন