কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৫, ১০:০৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

ইরানে গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি সংশোধন করে নতুন আইন পাস

তেহরানে একটি ভাস্কর্য। ছবি : সংগৃহীত
তেহরানে একটি ভাস্কর্য। ছবি : সংগৃহীত

ইরানে গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি সংশোধন করে নতুন আইন পাস করা হয়েছে। নতুন আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি শত্রুরাষ্ট্র বা গোষ্ঠীর জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রমে জড়িত প্রমাণিত হলে তার মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা যাবে।

আইনে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড ছাড়া অন্য কোনো সাজার বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। আর সর্বোচ্চ ১০ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করা যাবে।

তবে বিলটি সংসদে পাস হওয়ার পর ইরানের বেশ কয়েকজন আইনজীবী সমালোচনা করেছেন। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিবিসি বাংলা ও ইরান ফন্ট পেজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির সংসদে গুপ্তচরবৃত্তির শাস্তি বাড়াতে সংশোধনী বিলটি বিপুল ভোটে অনুমোদিত হয়েছে। প্রস্তাবের মূল বক্তব্যে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলকে এই শত্রুরাষ্ট্র ও গোষ্ঠী চিহ্নিত করার কর্তৃপক্ষ এবং মিনিস্ট্রি অব ইন্টেলিজেন্সকে শত্রুদের চক্র চিহ্নিত করার কর্তৃপক্ষ হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল (যারা এরই মধ্যে শত্রুরাষ্ট্র হিসেবে বিবেচিত) বাদে অন্যান্য শত্রুরাষ্ট্র ও গোষ্ঠীগুলোকে মনোনীত করার ক্ষমতা রয়েছে। এর আগে যে প্রস্তাবটি ছিল তাতে প্রতিপক্ষ রাষ্ট্র বা গোষ্ঠীর নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়নি এবং সংসদে ফেরত পাঠানোর জন্য এই অস্পষ্টতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল।

সংশোধিত মূল প্রস্তাবের আরেকটি অনুচ্ছেদে জনসাধারণের মধ্যে বিভাজন বা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে শত্রু বা বিদেশি নেটওয়ার্কগুলোতে যারা তথ্য বা ভিডিও পাঠায় তাদের শাস্তি নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, এই কর্মকাণ্ডগুলো এখন থেকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। একই সঙ্গে এর জন্য কারাদণ্ড এবং সরকারি ও জনসেবা থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করার শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি ইসরায়েলের হামলায় ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডাররা নিহত হন। অভিযোগ ওঠে, বিমান হামলার পাশাপাশি ইরানের অভ্যন্তরে মোসাদ এজেন্টরা গুপ্তহত্যায় অংশ নেন। এসব এজেন্টের বড় একটি অংশ ইরানি। যুদ্ধবিরতির পর তাদের বড় একটি অংশকে গ্রেপ্তার করে আইআরজিসি। কার্যকর করা হয় মৃত্যুদণ্ডও। কিন্তু ঠিক কতজন গ্রেপ্তার, কতজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বা অভিযুক্তদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, তা স্পষ্ট করছে না ইরান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মাদক ব্যবসার অভিযোগে নবীনগরে সালিশে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন

বিজেপি থেকে পদত্যাগ করলেন তামিলনাড়ুর সিংহাম খ্যাত আন্নামালাই

টাকা না পাওয়ায় ব্রাদার্সের ক্রিকেটারদের ম্যাচ বর্জন

নতুন এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করুন সহজেই

পন্তের নেতৃত্ব হারানো নিয়ে মুখ খুললেন কোচ গম্ভীর 

কটিয়াদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৌ-শাশুড়ির মৃত্যু

ঝিনাইদহের পুলিশ সুপারকে প্রত্যাহার

প্রাইভেট পড়ানোর অজুহাতে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, স্কুলশিক্ষক গ্রেপ্তার

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে ট্রাক্টর, চালকের মৃত্যু

১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে হামলা ও ভাঙচুর

১০

আজম খানের মৃত্যুবার্ষিকী আজ, শিল্পীর স্মরণে বিশেষ আয়োজন

১১

টকশোতে যুক্তিতর্কে না পারলে বলে রাশেদ খাঁন ‘নব্য বিএনপি’

১২

১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা, শূন্য রেখায় আটকে দিল বিজিবি

১৩

কারাজীবনে ‘গাদিরে খুম’ ঘিরে আইভীর বিশেষ প্রার্থনা, কী এটি

১৪

এনএও প্রতিবেদনে তথ্য প্রকাশ / রয়্যাল লজের কটেজ সাব-লেট দিয়েছিলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু

১৫

তিন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা

১৬

জন্মদিনে নির্বাচনের ঘোষণা / নায়ক থেকে নেতা হওয়ার পথে কায়েস আরজু

১৭

সংস্কারের পর দ্রুত খুলে দেওয়া হবে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

১৮

চুক্তি হলে মোজতবা খামেনির সঙ্গে বৈঠকে আপত্তি নেই ট্রাম্পের

১৯

ব্রেকআপের জেরে অফিসে ঢুকে নারী সহকর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

২০
X