কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ০২:৩৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় বাইডেনের চেয়ে দ্বিগুণ জনপ্রিয় পুতিন

জো-বাইডেন ও ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত
জো-বাইডেন ও ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে মস্কো এবং বেইজিং। গত এক দশকে এ অঞ্চলে দেশ দুটি তাদের কার্যক্রম অনেকটাই বাড়িয়েছে। জনমত জরিপ অনুসারে, আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় সব থেকে প্রভাবশালী চরিত্র হয়ে উঠতে পারে চীন এবং রাশিয়া।

ডেটা অ্যানালিটিক্স ফার্ম প্রিমাইজের সঙ্গে যৌথভাবে একটি জরিপ পরিচালনা করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল মনিটর। এ জরিপে তারা মিসর, তুরস্ক, ইরাক এবং তিউনিসিয়াজুড়ে ২ হাজার ৬৭০ জন উত্তরদাতার মতামত নিয়েছেন।

উত্তরদাতাদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, তিন বিশ্ব নেতার মধ্যে কাকে তারা তাদের দেশে বেশি জনপ্রিয় বলে মনে করেন? জরিপে অংশগ্রহণকারী ৪৪.৪% মানুষ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বেছে নিয়েছেন। তারপরে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং এর পক্ষ বেছে নিয়েছেন ৩৩.৮% মানুষ। আর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে পছন্দ করেছেন ২১.৭% মানুষ৷

চারটি দেশেই পুতিনকে বেশি জনপ্রিয় দেখা গেছে। মিসরে সব থেকে বেশি ৫১.৬% মানুষ পুতিনকে বেশি প্রভাবশালী বলে মনে করেন। ইরাকে বাইডেনকে পছন্দ করেন ২৯.২% মানুষ, অন্যদিকে পুতিনকে পছন্দ করেছেন ৩৫.৫% মানুষ। আর শি জিনপিংকে পছন্দ করেছেন ৩৫.৩% মানুষ।

আল মনিটর বলছে, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধকে সমর্থন করার কারণে ওয়াশিংটনের জনপ্রিয়তা কমেছে। এ ছাড়া অন্যান্য অনেক কারণও তাদের মতামতকে প্রভাবিত করতে পারে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যস্থতাকে করতে পারেন এমন প্রশ্নে ৩০% মানুষ মনে করছে ওয়াশিংটন মধ্যস্থতা করতে পারবে। ২৮% মানুষ মনে করছে মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক মতবিরোধের মধ্যস্থতা করতে পারে রাশিয়া।

প্রায় অর্ধেক উত্তরদাতা মনে করেন ১০ বছর আগের তুলনায় চীন এবং রাশিয়া এখন অনেক বেশি প্রভাবশালী মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকায়। তারা মনে করেন আগামী এক দশকে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকায় সব থেকে প্রভাবশালী চরিত্র হয়ে উঠতে পারে চীন এবং রাশিয়া।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওসমান হাদির ভাইকে যুক্তরাজ্যে সহকারী হাইকমিশনে নিয়োগ

ক্রিকেটারদের বহিষ্কারের স্ট্যাটাস দিয়ে আলোচনায় আসিফপত্নী

সরকারের কাজ জনগণকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করা : আমীর খসরু

মির্জা আব্বাস-পাটওয়ারীকে মেঘনা আলমের বার্তা

ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২,৬৭৭

গবেষণার সারসংক্ষেপ উপস্থাপনা নিয়ে জরুরি নির্দেশনা মাউশির

‘গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে প্রচার রাষ্ট্রের জন্য ফরজে কিফায়া’

বিএনপির ১ প্রার্থীর প্রার্থিতা স্থগিত

জোট ছাড়ার কারণ জানাল ইসলামী আন্দোলন

আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

১০

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ফ্রান্সের

১১

খালেদা জিয়া স্মরণে নাগরিক শোকসভা চলছে

১২

ইরান ইস্যুতে সামরিক নয়, কূটনৈতিক সমাধান চায় যুক্তরাষ্ট্র

১৩

যে কারণে একক নির্বাচনের ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের

১৪

যাত্রীবাহী গাড়ি থেকে উদ্ধার ২১ মণ জাটকা গেল এতিমখানায়

১৫

প্রেমের টানে আসা কিশোরীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’

১৬

গাজা পরিচালনায় নতুন নির্দলীয় টেকনোক্র্যাট সরকার

১৭

২৬৮ আসনে একক প্রার্থী দেবে ইসলামী আন্দোলন

১৮

‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে বিপাকে জামায়াত প্রার্থী

১৯

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

২০
X