কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৪, ০৪:২৩ পিএম
আপডেট : ০৮ জুন ২০২৪, ০৪:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

এই বাজেট দিয়ে মূল্যস্ফীতি কমানো সহজ হবে না : আতিউর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান।

নতুন অর্থবছরের জন্য পেশ করা বাজেট নিয়ে কথা বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. আতিউর রহমান। তিনি বলেন, বাজেটে মূল্যস্ফীতি ৬.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার চ্যালেঞ্জিং এই বাজেটের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি কমানো মোটেই সহজ হবে না।

শুক্রবার (৭ জুন) রাজধানীর বাংলামোটরে অবস্থিত উন্নয়ন সমন্বয়ের কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আতিউর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি। গত মে মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১০ শতাংশের বেশি। সার্বিক মূল্যস্ফীতিও প্রায় ১০ শতাংশের কাছাকাছি। এমন পরিস্থিতিতে সাড়ে ৩ শতাংশের মতো মূল্যস্ফীতি কমিয়ে সাড়ে ৬ শতাংশে নামিয়ে আনা সহজ হবে না।

তিনি বলেন, মূল্যস্ফীতি কমাতে বাজেট ঘাটতি ও ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণের পরিমাণ কমানোর কোনো বিকল্প নেই। বাড়তি ব্যয়ের চাপ না নিলে, বাজেট ঘাটতি আরও কম হতো।

তিনি বলেন, এই বাজেট প্রাথমিকভাবে দেখে বাস্তবতার প্রতি অনেকটা সংবেদনশীলই মনে হচ্ছে। একই সঙ্গে এই বাজেটটিতে কিছু ক্ষেত্রে আরেকটু কল্যাণমুখী হওয়ার সুযোগ ছিল। প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ৬.৭৫ শতাংশ, যা উচ্চাভিলাষী প্রবৃদ্ধির হারের লক্ষ্যমাত্রায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

সাবেক গভর্নর বলেন, বাজেটে রাজস্ব বোর্ডকে চার লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, তার মাত্র ৩৭ শতাংশের মতো আসবে প্রত্যক্ষ কর থেকে। উচ্চাভিলাষী রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পরোক্ষ করের ওপর নির্ভরতা কমানোর পথে বাধা। রাজস্ব বোর্ড তাদের লক্ষ্যমাত্রার ৬২ শতাংশের জন্যই নির্ভর করবে পরোক্ষ করের ওপর। এ ক্ষেত্রে গতানুগতিকতা থেকে বেরোনো সম্ভব হয়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৪-০ গোলে জিতল ঋতুপর্ণারা

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

১০

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১১

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১২

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১৩

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৪

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৫

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৬

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৭

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৮

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৯

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

২০
X