কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৪, ১২:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ফিলিস্তিনের যোদ্ধাদের পরিকল্পনা জানত ইসরায়েল

ইসরায়েলের একটি ট্যাংক। ছবি : সংগৃহীত
ইসরায়েলের একটি ট্যাংক। ছবি : সংগৃহীত

তাহলে কী ছক করেই গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল? নতুন একটি নথি প্রকাশ্যে আসার পর এমন প্রশ্নই এখন ঘুরে ফিরছে।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধারা ইসরায়েলে হামলা চালিয়ে সাধারণ মানুষকে অপহরণ করবে, এমন বিষয় কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই জানত ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম কান নিউজ এক প্রতিবেদনে এমন পিলে চমকানো খবর প্রকাশ করেছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর গাজা ডিভিশন ‘ডিটেইলড এন্ড টু এন্ড রেইড ট্রেনিং’ শিরোনামে ওই নথি তৈরি করেছিল। হামলার প্রায় দুই সপ্তাহ আগে অর্থাৎ গেল বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর ওই নথি বিতরণ করা হয়।

সেখানে বলা হয়, ফিলিস্তিনিদের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের এলিট ইউনিট সিরিজ মহড়া চালিয়েছে।

এই মহড়ায় সামরিক পোস্টে হামলা চালানো, সেনা সদস্য ও বেসামরিক ব্যক্তিদের অপহরণ এবং জিম্মিদের গাজায় কোথায় রাখা হবে- এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত ছিল।

কান নিউজের বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ওই নথির ব্যাপারে অবগত ছিল। ৭ অক্টোবরের ওই হামলা রুখতে ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার মধ্যে এই নথির কথা সামনে এলো।

ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের পরিকল্পনা পুরোটাই জানা ছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর। কিন্তু ইসরায়েলের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের নিয়ে বিদ্যমান ধারণা এবং সিনিয়র কর্মকর্তাদের অবহেলার কারণে আগে থেকে সতর্ক করা হলেও সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ডাকসু নেতার ‘কোটা না সংস্কার’ স্লোগানের বিপরীতে শিক্ষার্থীদের ‘ইউরেনিয়াম, ইউরেনিয়াম’

বাংলাদেশের প্রস্তাবে সাড়া দিল না আয়ারল্যান্ড

জামালপুরের একমাত্র নারী প্রার্থী পূথির মনোনয়ন বৈধ

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

১০

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

১১

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

১২

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১৩

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১৪

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১৫

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৬

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৭

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৮

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

১৯

গুম হওয়া বাবার স্মৃতিচারণ করে শিশুর আর্তনাদ, কাঁদলেন তারেক রহমান

২০
X