কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৫, ০৩:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

স্ক্রিনে ভেসে ওঠে মৃতদেহ, প্রিয়জন খোঁজে গাজার মানুষ

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

একটি সাদামাটা হলঘরে ডজনখানেক মানুষ বসে আছেন। আলো-আঁধারির মাঝে সবার চোখ স্থির সামনের স্ক্রিনে। সেখানে একের পর এক ভেসে উঠছে পচে-গলে যাওয়া, বিকৃত মরদেহের ছবি। দৃশ্যটি গাজার খান ইউনিসের নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের।

এই হলঘরে আসা প্রতিটি পরিবার জানেন গাজায় এখন ডিএনএ পরীক্ষার সরঞ্জাম নেই। তাদের প্রিয়জনকে শনাক্ত করার একমাত্র উপায় হলো এই স্ক্রিনের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকা। তারা খুঁজছেন একটি চেনা অঙ্গ বা পোশাকের অংশ, যা হয়তো বলে দেবে- এই দেহাবশেষ তাদেরই নিখোঁজ প্রিয়জনের। এ এক নিদারুণ যন্ত্রণাভরা প্রক্রিয়া, তবুও এর কোনো বিকল্প নেই।

গাজা বাইরে তখনো মৃত্যু ও ধ্বংসের তাণ্ডব। ইসরায়েলের ফেলা অগণিত অবিস্ফোরিত বোমা গাজাজুড়ে ছড়িয়ে, যা খেলার মাঠে থাকা ছোট ছোট শিশুর প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। নিজ ভূমিতে, নিজ ঘরে, এমনকি এক মুঠো খাবারের সন্ধানে যেতে গিয়েও আহত হয়ে ফিরছে গাজার প্রতিটি প্রাণ।

এই চরম অবস্থার মধ্যেই পরিবারের সদস্যরা এসেছেন তাদের প্রিয়জনদের শেষ বিদায় দিতে, তাদের দেহাবশেষ খুঁজে বের করতে। গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা শুরু হওয়ার পর থেকে আনুমানিক ১০ হাজার মানুষ এখনো নিখোঁজ। ধারণা করা হচ্ছে তাদের অধিকাংশই ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি বা স্থাপনার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন।

অন্যদিকে, জেনেভাভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ইউরো-মেড হিউম্যান রাইটস মনিটরের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ২ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি এখনো ইসরায়েলি হেফাজতে। তাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে, তা কেউ জানে না। যুদ্ধবিরতি থাকলেও ইসরায়েলের অব্যাহত অবরোধের কারণে নতুন ফরেনসিক সরঞ্জাম যেমন ডিএনএ পরীক্ষার যন্ত্র গাজায় প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে মরদেহ শনাক্ত করার এই প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

কালবেলা/এমএ/এএএম
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ঘটনাপ্রবাহ: ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাত
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গোয়ালন্দে ওয়ে ব্রিজ স্কেলের গার্ডার ভেঙে বন্ধ ওজন কার্যক্রম, ভোগান্তিতে ট্রাকচালকরা

নড়াইল জেলা ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র আহ্বায়ক জাকারিয়া, সদস্যসচিব সাগর

স্কুলে যাওয়ার পথে ১০ম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণের অভিযোগ, থানায় মামলা

নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে ববি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধর, দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

ডিমলায় বাড়ছে অনলাইন জুয়ার বিস্তার, উদ্বেগে অভিভাবক ও সচেতন মহল

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

১০

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

১১

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

১২

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

১৩

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

১৪

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

১৫

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১৬

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১৭

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১৮

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৯

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

২০
X